করোনায় শ্লথ অর্থনীতির চাকা গতি পাবে কিভাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৪৭ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০২০

মাসখানেক আগেও করোনা মহামারি ছিল শুধু চীনকেন্দ্রিক। দেখতে দেখতেই বদলে গেছে পরিস্থিতি। নভেল করোনাভাইরাসের হানায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলো। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সবার মধ্যেই। মহামারি ঠেকাতে যেন মহাচ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন সারাবিশ্বের নীতিনির্ধারকরা। কোনোভাবে হয়তো করোনায় প্রাণহানি ঠেকানো গেল, কিন্তু তাতে কি শেষ হবে এই দুর্ভোগ? বিশেষজ্ঞদের উত্তর, না! অত্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। একটা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, অর্থনীতি- হুমকির মুখে সবই।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশে দেশে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এসবের কার্যকারিতা, নীতিনির্ধারণের সমস্যা প্রভৃতি নিয়ে বিশ্লেষণী প্রতিবেদন করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট। জাগোনিউজের পাঠকদের জন্য তার সার-সংক্ষেপ তুলে ধরা হলো-

করোনা নীতির বিপত্তি
গত ৩০ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দেশটিতে সামাজিক দূরত্ব সম্পর্কিত নির্দেশনা এপ্রিলের শেষ অবধি কার্যকর থাকবে। তাদের নীতিনির্ধারণী মডেল অনুসারে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুহার আগামী দু'সপ্তাহেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে না। এতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যদি খুব কড়াকড়িভাবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনাগুলোর সবই অনুসরণ করা হয়, তাহলে দেশটিতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণরক্ষা হতে পারে।

এ ধরনের মহামারি সংক্রান্ত মডেল বা রোগতত্ত্ব মডেলগুলোর কারণেই মূলত বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে লকডাউন পরিস্থিতি চলছে, অবশ্য এটাই একমাত্র কারণ নয়। সংক্রমণ শুরুর পরপরই চীনেও অভূতপূর্ব কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। নিঃসন্দেহে এর কারণেই সেখানে সংক্রমণের ঘটনা আশ্চর্যজনক হারে কমে এসেছে।

এ ধরনের মডেলের বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি বিভিন্ন দেশে কী হচ্ছে বা আগামীতে কী হতে চলেছে তার একটা আনুমানিক চিত্র পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে পারে। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি খারাপ হবে কি-না, হলে কিভাবে মোকাবিলা করতে হবে তারও ধারণা পাওয়া যায় এ মডেল থেকে। এগুলো দেখে বিশেষজ্ঞরা খুব সহজেই বলে দিতে পারেন, লকডাউন হলে হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচতে পারে। তবে সেটা কীসের বিনিময়ে- এ প্রশ্নের উত্তর দেয়া একজন নীতিনির্ধারকের জন্য বেশ কঠিন।

আর মহামারি বিশেষজ্ঞরা যখন এ প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বলেন, ‘সেটা আমাদের জানার বিষয় নয়’, তখন এ প্রশ্নের উত্তরের জন্য তাকাতে হয় অর্থনীতিবিদদের দিকে। তবে তাদের কাছ থেকে বড় একটা সাহায্য মেলে না। হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য অবশ্যই অর্থনীতিকে বড় মূল্য দিতে হবে; তবে সে বড় আসলে কতটা তার জন্য কিছু প্রশ্নের জবাব জানা প্রয়োজন। যেমন : পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো আসলে কতটা কার্যকরী হচ্ছে, এ অবস্থা কতদিন স্থায়ী হবে এবং কিভাবে শেষ হবে।

মহামারির দু’টি মডেল
এপিডেমিওলজিকাল মডেল মূলত দুই ধরনের। প্রথমটিতে রোগ বিস্তারের আন্তঃসম্পর্কিত বিষয়গুলো ফুটিয়ে তোলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি ব্যক্তিকে রোগের বাহক, আক্রান্ত, সংক্রমিত বা রোগমুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সুনির্দিষ্ট গাণিতিক নিয়ম অনুসারে প্রতিটি গ্রুপের সংখ্যা অন্য এক বা একাধিক গ্রুপের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়।

দ্বিতীয় মডেলটি খুব একটা গতিশীল নয়। এটি মূলত চলমান গড়ের একটি পরিশীলিত রূপ, যা পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে কী হতে চলেছে (যেমন, সেখানে কতগুলো নতুন সংক্রমণ হবে) এসবের ভবিষ্যদ্বাণী করে। মূলত, চলতি সপ্তাহে যা যা ঘটছে, গত সপ্তাহে যা ঘটেছে এবং তারও আগে কী হয়েছিল এসবের ওপর ভিত্তি করেই এই মডেলটি করা হয়।

তবে, এ দু’টি মডেলেই কোভিড-১৯ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। কোন বয়সের কত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, কিভাবে আক্রান্ত হচ্ছে, উপসর্গ প্রকাশের আগে কী অবস্থা থাকে এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। এ কারণেই করোনা মহামারির বিভিন্ন মডেলের কার্যকারিতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে।

হিসাবের কারসাজি
এটাও একটা সমস্যা। মহামারি শুরুর দিকে নেদারল্যান্ডস নিবিড় পরিচর্যার সময়সীমা ১০ দিন ধরে দেশজুড়ে আইসিইউয়ের ধারণক্ষমতা হিসাব করেছিল। কিন্তু, পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৯ মার্চের পর সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২৩ দিন করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যেই দেশটিতে আইসিইউয়ের ধারণক্ষমতা পূরণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ডাচদের জন্য এ তথ্য আশঙ্কাজনক হলেও স্বস্তির বিষয় হচ্ছে, একেবারে শেষ সময়ে এসে এটা তাদের জানা লাগেনি। হিসাব কষে আগেভাগেই বিপদের আঁচ করতে পেরেছে তারা।

এ ধরনের মডেল যত বেশি তথ্যসমৃদ্ধ হবে এর কার্যকারিতাও ততটাই বেশি হবে। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণের অনুমতি দিলে সেটি আরও বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। মডেলগুলো যত বেশি যাচাই-বাছাই হবে, এর প্রত্যাশিত ফলাফলের অসামঞ্জস্যগুলোও ততটাই স্পষ্ট হয়ে উঠবে। এই সমস্যা দূর করার একটাই উপায়- তুলনামূলক ও ভিন্ন ভিন্ন মডেলের ফলাফল একত্রিত করে হিসাব করতে হবে।

lockdown

এসব বিবেচনা করেই সম্প্রতি করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় বিভিন্ন মডেলের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের টাস্কফোর্সও মডেল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠক করেছে। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করতে চায় দেশটির সরকার।এছাড়া, নিজেদের মহামারি মডেলের খুঁটিনাটি প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস এবং নিউজিল্যান্ডও।

মডেল ভিন্ন, নির্দেশনা একই
বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন মডেল অনুসরণ করা হলেও প্রায় সবখানেই মহামারি প্রতিরোধে পরামর্শ বা পদক্ষেপ অনেকটা একই। তবে এর মানে এটা নয় যে, সব সিদ্ধান্তই বুদ্ধিমানের মতো হয়েছে। যেমন- ভারত যেভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করছে তাতে সেখানে করোনার হুমকি আরও বেড়ে গেছে।

আবার ব্যতিক্রমও আছে। যেমন- নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনে নিষেধাজ্ঞা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক শিথিল।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউন বা এ ধরনের যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে- মহামারির প্রকোপের চেয়ে সেসব পদক্ষেপের ক্ষতিই বেশি হতে পারে বলে বিতর্ক রয়েছে।

ভয়ঙ্কর করোনা
করোনার হানায় অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে সন্দেহ নেই, কিন্তু এর চেয়েও ভয়াবহ থাবা পড়েছে মানবজীবনের ওপর। যুদ্ধের মতোই সরাসরি প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে করোনাভাইরাস। ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার লাখো মানুষের প্রাণরক্ষার কথা বলছেন। তবে তাকেও স্বীকার করতে হয়েছে, দেশটিতে এবারের মহামারিতে এক থেকে দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে, যা ভিয়েতনাম যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনা সংখ্যার চেয়েও অনেক অনেক বেশি।

আবার, কোনো দেশ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের চেয়ে অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করলেও তাতে শেষ পর্যন্ত খুব একটা লাভ হবে না। বাধ্যতামূলক নীতিমালার অভাবে অনেকেই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির বাইরে কাজে যোগ দেবে না বা কাজের সময় কমিয়ে দেবে। যেমন- দক্ষিণ কোরিয়ায় সিনেমা হলগুলো খোলা রয়েছে। তবে করোনার ভয়ে ঠিকই দর্শকশূন্য সেগুলো। আবার কোনো প্রতিষ্ঠান কঠোরভাবে উৎপাদন চালানোর চেষ্টা করলেও যথারীতি সেখানকার কিছু কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, বাকিরা কাজ থেকে দূরেই থাকছেন।

সুতরাং, কর্মী ও তাদের পরিবারের জীবন বাঁচানো শুধু মানবিকভাবেই জরুরি নয়, এর অর্থনৈতিক সুবিধাও রয়েছে।

লাভ-ক্ষতির হিসাব
১৯৭০ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে ইউরোপে অর্থনৈতিক তৎপরতা এবং মৃত্যুহারের সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেখানে বেকারত্বের হার এক শতাংশ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ৬৫ বছরের কম বয়সী মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার হার ০.৭৯ শতাংশ বেড়ে গেছে। বেড়েছে হত্যাকাণ্ডের হারও। ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষক ক্রিস্টোফার রুহমের ২০০০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার এক শতাংশ বৃদ্ধির সঙ্গে আত্মহত্যার হার বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দশকগুলোতে শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উচ্চ মৃত্যুহারের মধ্যে প্রোসাইক্লিক্যাল সংযোগ দুর্বল হয়ে পড়েছে। মানবস্বাস্থ্যের ওপর মন্দা নীতিমালার প্রভাবও অনেকটা বেড়ে গেছে।

আসবে নতুন দিন
ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের সের্জিও কোরি, নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের স্টিফান লাক এবং এমআইটির এমিল ভার্নারের সাম্প্রতিক এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, তারা ১৯১৮-১৯ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ফ্লু মহামারির প্রভাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা দেখেছেন, কোনো শহরে যত বেশি সময় ধরে মহামারি চলেছিল, পরবর্তীতে সেখানকার অর্থনৈতিক সক্ষমতা ততটাই ভালো হয়ে ওঠে। ওমিং ইউনিভার্সিটির অর্থনীতিবিদদের সাম্প্রতিক গবেষণায় বর্তমান প্রেক্ষাপটেও একই সম্ভবনা দেখা গেছে।

এক্ষেত্রে বিশ্বের কিছু জায়গায় অর্থনৈতিক চাপ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাশ ব্যাংকের হিসাবে, চলতি বছরের শেষের দিকে ইতালির ঋণ দেশটির জিডিপির ১৬০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এটি বন্ড মার্কেটের জন্য যথেষ্ট আতঙ্কের বিষয়। এই সংকট কাটাতে ইতালির ঋণকে সব সদস্য দেশের দায়বদ্ধতায় পরিণত করতে পারে ইউরো জোন। অবশ্য ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ কাজ ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। তারা সীমিত পরিমাণে ইতালিয়ান বন্ড কিনে রাখছে। তবে এতে আপত্তি আছে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের। সেক্ষেত্রে এমন একটি সময় আসতে পারে, যখন ইতালি ইউরো ছাড়ার পরিবর্তে অন্য কোনো দেশের ওপর তাদের বিধিনিষেধ শিথিল করতে বাধ্য হবে।

দুশ্চিন্তা আছে আরও একটি বিষয়ে। অর্থনীতি যত বেশি দিন চাপে থাকবে, এর ক্ষতি ততটাই দীর্ঘস্থায়ী হবে। দীর্ঘদিনের বেকারত্বে ভোগা শ্রমিকদের দক্ষতা কমে যেতে পারে, কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে তাদের সংযোগ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে মন্দা শেষ হলেও পরে তাদের ভালো কাজ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যেতে থাকে। প্রবীণ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বেশি। তাদের ফের কাজে যোগদানের সুযোগ বা সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়, অনেকেই দ্রুত অবসরের কথা ভাবতে শুরু করেন। সুতরাং, দীর্ঘস্থায়ী লকডাউনে মানুষের অর্থনৈতিক জীবনে যে প্রভাব পড়বে, তা একসময় চিরস্থায়ী ক্ষতচিহ্নে পরিণত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, মহামারি শেষে বেশি বেশি শ্রমিককে কাজে ফেরানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই সংকট দূর করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে, কোনো দেশ যদি নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করে দেখে তাদের অর্থনীতি আগের মতোই সচল হয়ে উঠেছে, পাশাপাশি সংক্রমণের হারও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে শিগগিরই আরও অনেক দেশই তাদের পদচিহ্ন অনুসরণ করবে।

কেএএ/এনএফ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,০৫,৬০,৮৪৩
আক্রান্ত

১১,২১,৫০৬
মৃত

৩,০২,৭৯,৬৩১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯০,২০৬ ৫,৬৮১ ৩,০৫,৫৯৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৪,৩২,১৯২ ২,২৫,০৫১ ৫৪,৮৮,৭৩৪
ভারত ৭৫,৯৩,৯৯৪ ১,১৫,২৩৩ ৬৭,৩০,০৫৪
ব্রাজিল ৫২,৩৭,৯৬১ ১,৫৩,৯৮২ ৪৬,৫০,০৩০
রাশিয়া ১৪,১৫,৩১৬ ২৪,৩৬৬ ১০,৭৫,৯০৪
স্পেন ১০,১৫,৭৯৫ ৩৩,৯৯২ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ৯,৮৯,৬৮০ ২৬,২৬৭ ৮,০৩,৯৬৫
কলম্বিয়া ৯,৫৯,৫৭২ ২৮,৯৭০ ৮,৫৮,২৯৪
ফ্রান্স ৯,১০,২৭৭ ৩৩,৬২৩ ১,০৫,৯৩৫
১০ পেরু ৮,৬৮,৬৭৫ ৩৩,৭৫৯ ৭,৭৯,৭৭৯
১১ মেক্সিকো ৮,৫১,২২৭ ৮৬,১৬৭ ৬,১৯,০৩৬
১২ যুক্তরাজ্য ৭,৪১,২১২ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,০৩,৭৯৩ ১৮,৪৭১ ৬,৩৪,৫৪৩
১৪ ইরান ৫,৩৪,৬৩১ ৩০,৭১২ ৪,৩১,৩৬০
১৫ চিলি ৪,৯৩,৩০৫ ১৩,৬৭৬ ৪,৬৫,০২১
১৬ ইরাক ৪,৩০,৬৭৮ ১০,৩১৭ ৩,৬৩,৫৩২
১৭ ইতালি ৪,২৩,৫৭৮ ৩৬,৬১৬ ২,৫২,৯৫৯
১৮ জার্মানি ৩,৭৩,৮২১ ৯,৮৯৬ ২,৯৪,৮০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৬৫,২৪০ ১২,৬১৭ ২,৮৯,২৪৩
২০ ফিলিপাইন ৩,৫৯,১৬৯ ৬,৬৭৫ ৩,১০,৩০৩
২১ তুরস্ক ৩,৪৯,৫১৯ ৯,৩৭১ ৩,০৫,৪২৭
২২ সৌদি আরব ৩,৪২,৫৮৩ ৫,২০১ ৩,২৮,৮৯৫
২৩ পাকিস্তান ৩,২৩,৪৫২ ৬,৬৫৯ ৩,০৭,৪০৯
২৪ ইসরায়েল ৩,০৪,৮৭৬ ২,২৬৩ ২,৭৮,৩৯৪
২৫ ইউক্রেন ৩,০৩,৬৩৮ ৫,৬৭৩ ১,২৬,৪৮৯
২৬ নেদারল্যান্ডস ২,৩৬,২২৬ ৬,৭৬৮ ২৫০
২৭ বেলজিয়াম ২,২২,২৫৩ ১০,৪১৩ ২১,১৫৭
২৮ কানাডা ১,৯৯,৯৭০ ৯,৭৭২ ১,৭৭,১০৪
২৯ পোল্যান্ড ১,৮৩,২৪৮ ৩,৬১৪ ৯৪,০১৪
৩০ রোমানিয়া ১,৮২,৮৫৪ ৫,৯৩১ ১,৩২,০৮২
৩১ চেক প্রজাতন্ত্র ১,৭৭,৯৭৪ ১,৫০১ ৭২,৫৫৩
৩২ মরক্কো ১,৭৫,৭৪৯ ২,৯৭৬ ১,৪৬,৪২১
৩৩ ইকুয়েডর ১,৫৩,৪২৩ ১২,৩৯৫ ১,৩৪,১৮৭
৩৪ বলিভিয়া ১,৩৯,৭৭১ ৮,৪৮১ ১,০৪,৪৮৩
৩৫ নেপাল ১,৩৬,০৩৬ ৭৫৭ ৯৪,৫০১
৩৬ কাতার ১,২৯,৬৭১ ২২৪ ১,২৬,৬৫০
৩৭ পানামা ১,২৪,৭৪৫ ২,৫৬৪ ১,০১,০৪১
৩৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২১,৬৬৭ ২,২০৩ ৯৮,৮৮০
৩৯ কুয়েত ১,১৬,৮৩২ ৭১০ ১,০৮,৬০৬
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,১৬,৫১৭ ৪৬৬ ১,০৮,৮১১
৪১ ওমান ১,১০,৫৯৪ ১,১১৪ ৯৬,৪০০
৪২ কাজাখস্তান ১,০৯,৫০৮ ১,৭৬৮ ১,০৫,০০১
৪৩ মিসর ১,০৫,৪২৪ ৬,১২০ ৯৮,২৪৭
৪৪ সুইডেন ১,০৩,২০০ ৫,৯১৮ ৪,৯৭১
৪৫ পর্তুগাল ১,০১,৮৬০ ২,১৯৮ ৫৯,৯৬৬
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০১,৫৯৯ ৩,৫৪১ ৯১,০৩২
৪৭ কোস্টারিকা ৯৫,৫১৪ ১,১৮৩ ৫৮,৮১৬
৪৮ জাপান ৯৩,১২৭ ১,৬৭৪ ৮৫,৯৪১
৪৯ ইথিওপিয়া ৮৯,৮৬০ ১,৩৬৫ ৪৩,১৪৯
৫০ হন্ডুরাস ৮৮,৪২৫ ২,৫৬৮ ৩৪,৯৬৪
৫১ বেলারুশ ৮৮,২৯০ ৯৩৩ ৮০,১৩০
৫২ ভেনেজুয়েলা ৮৬,৬৩৬ ৭৩৬ ৭৯,৬৯৪
৫৩ চীন ৮৫,৬৮৫ ৪,৬৩৪ ৮০,৮০২
৫৪ সুইজারল্যান্ড ৮৩,১৫৯ ২,১৩৮ ৫৩,৪০০
৫৫ বাহরাইন ৭৭,৯০২ ৩০১ ৭৪,৩২০
৫৬ মলদোভা ৬৭,৩০২ ১,৬০০ ৪৮,৪৯৩
৫৭ অস্ট্রিয়া ৬৫,৯২৭ ৯০৪ ৫০,৩৫৯
৫৮ আর্মেনিয়া ৬৫,৪৬০ ১,০৯১ ৪৮,২০৮
৫৯ উজবেকিস্তান ৬৩,৫২৩ ৫৩১ ৬০,৬০৪
৬০ লেবানন ৬২,৯৪৪ ৫২৬ ২৮,৮৫৫
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৪৪০ ১,১২৫ ৫৬,৬১১
৬২ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯১৫ ২৮ ৫৭,৮১৯
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৪,৭২৪ ১,১৮৮ ৩৬,০৬৮
৬৪ আলজেরিয়া ৫৪,৬১৬ ১,৮৬৫ ৩৮,২১৫
৬৫ কিরগিজস্তান ৫২,৫২৬ ১,৪৯৮ ৪৫,৮৬৩
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৫০,৯৯৩ ১,৮৫২ ২৩,৩৬৪
৬৭ লিবিয়া ৪৯,৯৪৯ ৭৩২ ২৭,২৬২
৬৮ হাঙ্গেরি ৪৭,৭৬৮ ১,১৭৩ ১৪,৩১২
৬৯ ফিলিস্তিন ৪৭,৬১৬ ৪১৩ ৪০,৮৬১
৭০ ঘানা ৪৭,৩৭২ ৩১০ ৪৬,৬৬৪
৭১ আজারবাইজান ৪৫,২৯৫ ৬৩০ ৪০,১৪৪
৭২ কেনিয়া ৪৫,০৭৬ ৮৩৯ ৩২,০৮৪
৭৩ তিউনিশিয়া ৪০,৫৪২ ৬২৬ ৫,০৩২
৭৪ আফগানিস্তান ৪০,২৮৭ ১,৪৯৭ ৩৩,৭৬০
৭৫ জর্ডান ৩৮,৯৩৭ ৩৮০ ৭,০০৬
৭৬ মায়ানমার ৩৭,২০৫ ৯১৪ ১৭,৫৬৮
৭৭ সার্বিয়া ৩৬,২৮২ ৭৭৮ ৩১,৫৩৬
৭৮ ডেনমার্ক ৩৫,৮৪৪ ৬৮৬ ২৯,৫৬২
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৪,৬৬১ ৯৯৭ ২৫,৪৪২
৮০ এল সালভাদর ৩১,৬৬৬ ৯২৬ ২৭,০০০
৮১ স্লোভাকিয়া ৩০,৬৯৫ ৯২ ৭,৫৩৬
৮২ বুলগেরিয়া ২৯,৫০৩ ৯৮৬ ১৬,৯৪৩
৮৩ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৩৯৯ ৯০৫ ২৫,১০৮
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২৫,৯৭৩ ৩৭৪ ২০,৫২৯
৮৫ গ্রীস ২৫,৮০২ ৫২০ ৯,৯৮৯
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,২৭৫ ৪৪৪ ২৩,৩৬৮
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৩,৭৮৮ ৮৪৬ ১৭,৩৯২
৮৮ ক্যামেরুন ২১,৪৪১ ৪২৩ ২০,১১৭
৮৯ মালয়েশিয়া ২১,৩৬৩ ১৯০ ১৩,৭১৭
৯০ আইভরি কোস্ট ২০,৩২৪ ১২১ ২০,০২৯
৯১ জর্জিয়া ১৮,৬৬৩ ১৪৩ ৮,৩৩৮
৯২ আলবেনিয়া ১৭,৩৫০ ৪৫৪ ১০,১৬৭
৯৩ মাদাগাস্কার ১৬,৮১০ ২৩৮ ১৬,২১৫
৯৪ নরওয়ে ১৬,৫৩৯ ২৭৮ ১১,৮৬৩
৯৫ জাম্বিয়া ১৫,৮৯৭ ৩৪৬ ১৫,০৩১
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১৫,৭৬০ ২৪০ ১১,২৮৮
৯৭ সেনেগাল ১৫,৪৩২ ৩১৯ ১৩,৮৬৫
৯৮ সুদান ১৩,৬৯৭ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯৯ স্লোভেনিয়া ১৩,৬৭৯ ১৯০ ৬,৩৮৫
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১৩,৫৫৫ ৩৫১ ৯,১০০
১০১ নামিবিয়া ১২,৩২৬ ১৩১ ১০,৪২৬
১০২ গিনি ১১,৫১৮ ৭০ ১০,৪২৭
১০৩ মালদ্বীপ ১১,২৩২ ৩৭ ১০,২০১
১০৪ মোজাম্বিক ১১,০৮০ ৭৫ ৮,৮৩৬
১০৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,০৫২ ৩০৩ ১০,৩৫৭
১০৬ লুক্সেমবার্গ ১১,০১০ ১৩৫ ৮,৪৭১
১০৭ উগান্ডা ১০,৬৯১ ৯৭ ৬,৯৯২
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৫৩৩ ৮০ ৯,৫৬৩
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,২৬৮ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ হাইতি ৮,৯৬৪ ২৩১ ৭,২১৩
১১১ গ্যাবন ৮,৮৮১ ৫৪ ৮,৪৩০
১১২ জ্যামাইকা ৮,৩২১ ১৭৩ ৩,৯৫১
১১৩ জিম্বাবুয়ে ৮,১৫৯ ২৩২ ৭,৬৮৩
১১৪ কেপ ভার্দে ৭,৮০০ ৮৭ ৬,৬২০
১১৫ লিথুনিয়া ৭,৭২৬ ১১৩ ৩,১১০
১১৬ অ্যাঙ্গোলা ৭,৬২২ ২৪৭ ৩,০৩০
১১৭ মৌরিতানিয়া ৭,৬০৮ ১৬৩ ৭,৩৪৭
১১৮ গুয়াদেলৌপ ৭,১২২ ৯৬ ২,১৯৯
১১৯ কিউবা ৬,২৫৮ ১২৭ ৫,৭৮০
১২০ মালাউই ৫,৮৬০ ১৮১ ৪,৭৫৭
১২১ ইসওয়াতিনি ৫,৭৮৮ ১১৬ ৫,৪২৭
১২২ বাহামা ৫,৭৭৩ ১২৩ ৩,৩৩৯
১২৩ শ্রীলংকা ৫,৬২৫ ১৩ ৩,৪৪০
১২৪ বতসোয়ানা ৫,৬০৯ ২১ ৯১৫
১২৫ জিবুতি ৫,৪৬৯ ৬১ ৫,৩৭৯
১২৬ নিকারাগুয়া ৫,৩৫৩ ১৫৪ ৪,২২৫
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,২৯৮ ৯৭ ৩,৬৯৬
১২৮ হংকং ৫,২৫৭ ১০৫ ৪,৯৮২
১২৯ কঙ্গো ৫,১৫৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩০ সিরিয়া ৫,১৩৪ ২৫১ ১,৫৬৫
১৩১ সুরিনাম ৫,১৩০ ১০৯ ৪,৯৪৪
১৩২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭০ ৮৩ ৪,৯৫৪
১৩৩ রুয়ান্ডা ৪,৯৯২ ৩৪ ৪,৭৯৭
১৩৪ রিইউনিয়ন ৪,৯২১ ১৭ ৪,৪৪৫
১৩৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৫৫ ৬২ ১,৯২৪
১৩৬ মালটা ৪,৭৩৭ ৪৫ ৩,২৪২
১৩৭ আরুবা ৪,৩৩৪ ৩৪ ৪,০৪০
১৩৮ মায়োত্তে ৪,১৫৯ ৪৩ ২,৯৬৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,১০১ ১১ ২,৮৫৬
১৪০ এস্তোনিয়া ৪,০৮৫ ৬৯ ৩,২২৯
১৪১ সোমালিয়া ৩,৮৯০ ৯৯ ৩,০৮৯
১৪২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩,৭৯৭ ১৪ ২,৮৪৪
১৪৩ গায়ানা ৩,৭৩৪ ১০৯ ২,৬৫৪
১৪৪ থাইল্যান্ড ৩,৬৯১ ৫৯ ৩,৪৮৮
১৪৫ গাম্বিয়া ৩,৬৪৯ ১১৮ ২,৬৪৯
১৪৬ এনডোরা ৩,৬২৩ ৬২ ২,২৭৩
১৪৭ লাটভিয়া ৩,৪৯৪ ৪৪ ১,৩৪১
১৪৮ মালি ৩,৩৮৮ ১৩২ ২,৫৮৬
১৪৯ দক্ষিণ সুদান ২,৮৪৭ ৫৫ ১,২৯০
১৫০ বেলিজ ২,৮১৩ ৪৪ ১,৬৭০
১৫১ সাইপ্রাস ২,৬৮৭ ২৫ ১,৪৪৪
১৫২ উরুগুয়ে ২,৫৩১ ৫১ ২,১০৫
১৫৩ বেনিন ২,৪৯৬ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ গিনি বিসাউ ২,৩৮৯ ৪১ ১,৭৮২
১৫৫ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৩৮১ ৬৫ ১,৭৭৪
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৩১ ৭৩ ১,৭৬০
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,০৫৭ ৫১ ১,৫৩১
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৫৬ ৫৯৭ ১,৩৩৮
১৬০ নিউজিল্যান্ড ১,৮৮৬ ২৫ ১,৮২৪
১৬১ লেসোথো ১,৮৩৩ ৪২ ৯৬১
১৬২ চাদ ১,৩৯০ ৯৩ ১,১৯৪
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৭৭ ৮২ ১,২৬৮
১৬৪ নাইজার ১,২১০ ৬৯ ১,১২৬
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৪০ ৩৫ ১,০৪৬
১৬৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৬৭ ৪৮ ৬৫৯
১৬৭ সান ম্যারিনো ৭৬৬ ৪৫ ৬৮৮
১৬৮ সিন্ট মার্টেন ৭৫৩ ২২ ৬৬৯
১৬৯ কিউরাসাও ৭৫১ ৪৫৮
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৯৮ ৬৮৪
১৭২ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮১ ৫৪০
১৭৩ জিব্রাল্টার ৫৭৭ ৪৬২
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৪৯ ৪৯৭
১৭৫ তাইওয়ান ৫৪০ ৪৯৩
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩১ ৩৮০
১৭৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৮ কমোরস ৫০২ ৪৮৫
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৮৫ ৪৭২
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৫২ ৩৮৮
১৮১ মরিশাস ৪১৭ ১০ ৩৬৪
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩১৯
১৮৩ ভুটান ৩২৭ ৩০১
১৮৪ মঙ্গোলিয়া ৩২৪ ৩১২
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৮৩ ২৮০
১৮৬ মোনাকো ২৬৮ ২২২
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৩ ২১২
১৮৮ লিচেনস্টেইন ২২৪ ১৪২
১৮৯ বার্বাডোস ২২২ ২০৩
১৯০ বারমুডা ১৮৫ ১৭২
১৯১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯২ সিসিলি ১৪৯ ১৪৮
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৭ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১১৯ ১০১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭২ ৫৫
১৯৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৭ ৬৪
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ৩৬ ২৭
২০০ ডোমিনিকা ৩৩ ২৯
২০১ ফিজি ৩২ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৭ ২৪
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৩ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৬ ১৪
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
২১৫ সলোমান আইল্যান্ড
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]