বিশ্বে করোনা সংক্রমণে চতুর্থ জার্মানি মৃত্যুতে কেন তলানিতে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:১৬ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০২০

বিশ্বে এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরই আছে ইউরোপের দেশ স্পেন, ইতালি এবং জার্মানি। সংক্রমণের শীর্ষে থাকলেও ইউরোপের অন্য দুই দেশের তুলনায় জার্মানিতে করোনায় প্রাণহানির সংখ্যা একেবারেই তলানিতে। কীভাবে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে প্রাণহানিতে লাগাম টানতে সক্ষম হলো জার্মানি?

ইউরোপের একাধিক দেশে করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর থাবা অব্যাহত থাকলেও জার্মানিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো সংক্রমণ কমে এসেছে রোববারও। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় দেড়শ কম।

দেশটির সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা রবার্ট কোচ ইনস্টিটিউট বলছে, জার্মানিতে করোনা সংক্রমণ টানা তৃতীয়দিনের মতা কমেছে। দেশটিতে রোববার নতুন করে আরও ৫ হাজার ৯৩৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯১ হাজার ৭১৪ জনে পৌঁছেছে। এর আগে শনিবার দেশটিতে ৬ হাজার ৮২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। একদিনের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে ১৪৬।

আগের দিন শুক্রবার জার্মানিতে করোনায় আক্রান্ত হন ৬ হাজার ১৭৪ জন। তবে রোববার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৮৪ জন। এ নিয়ে করোনায় প্রাণহানির সংখ্যা এক হাজার ৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে।

এখন পর্যন্ত ইউরোপে করোনা সংক্রমণের শীর্ষে থাকা ইতালি এবং স্পেনের পরই আছে জার্মানি। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯২ হাজার হলেও মারা গেছেন মাত্র এক হাজার ৩৪২ জন। অপরদিকে স্পেন এবং ইতালিতে সংক্রমণের সংখ্যা জার্মানির চেয়ে সামান্য বেশি হলেও ইউরোপের এই দেশ দুটি করোনায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে।

স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৯ জন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ১২ হাজার ৪১৮ জন। অন্যদিকে ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ হলেও মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৩৬২। তবে সংক্রমণের শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র; দেশটিতে আক্রান্ত ৩ লাখ ১১ হাজার ৬৩৭ এবং মারা গেছেন ৮ হাজার ৪৫৪ জন।

জার্মানির আল্ম ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজির পরিচালক ডা. ডিয়েট্রিক রথেনবাচার বলেন, জার্মানিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা কম হওয়ার কারণ এখানে গণহারে পরীক্ষা করা হচ্ছে। অন্যরা যখন লক্ষণ রয়েছে এমন মানুষের পরীক্ষা করছে; তখন জার্মানিতে ব্যাপক পরিসরে করোনার পরীক্ষা চলছে।

বিশ্বে করোনা সংক্রমণের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় জার্মানির অবস্থান চতুর্থ। তারপরও দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা অনেক কম। দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্যান্য অনেক দেশে পরীক্ষা না করানোর কারণে দ্রুত বিস্তার ঘটছে; যেটি জার্মানিতে হচ্ছে না।

জার্মানিতে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে ইতালিতে এই সংখ্যা সাড়ে ছয় লাখের কিছু বেশি। এছাড়া স্পেনে ৩ লাখ ৫৫ হাজার। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক চিকিৎসক লিয়াম স্মিথ বলেন, করোনায় মৃত্যুর হার একেক দেশে একেক রকম হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে।

তবে অন্যতম কারণ হচ্ছে, কে কত বেশি পরীক্ষা করছে। বেশি পরীক্ষার কারণে সংক্রমিত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়াতে পারছে না। জার্মানি জনসংখ্যার তুলনায় একেবারে শুরু থেকে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা করে আসছে। জার্মানির সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা রবার্ট কোচ ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট লোথার উইলার বলেছেন, জার্মানির ল্যাবগুলোতে বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের পরীক্ষা করার সক্ষমতা আছে।

চীনের উহানে গত ডিসেম্বরে করোনাভাইরাসের বিস্তার শুরু হওয়ার পর জার্মানিই প্রথম দেশ হিসেবে স্থানীয়ভাবে করোনা পরীক্ষার কিট তৈরি করে। অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশটির বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ও কোম্পানিগুলোকে এই কিট উৎপাদনের অনুমতি দেয়া হয়। তারা দেশটির জনসংখ্যার চিত্র মাথায় রেখে এই কিটের গণউৎপাদনে যায়। এমনকি দেশটির একটি মাত্র কোম্পানিই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ১৪ লাখের বেশি কিট সরবরাহ করে। যা পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা আক্রান্ত দেশগুলোতে পাঠিয়ে দেয়।

এছাড়া ইতালি এবং স্পেনের তুলনায় জার্মানিতে আইসিউ শয্যার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেশি আছে। যে কারণে দেশটির হাসপাতালগুলো রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে ভেঙে পড়েনি; যা ঘটেছে স্পেন এবং ইতালিতে। জার্মানির হাসপাতাল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ডিকেজি বলছে, জার্মানিতে এক লাখ মানুষের জন্য ক্রিটিক্যাল কেয়ার শয্যা আছে ২৯.২ টি। অন্যদিকে, ইতালির এই সংখ্যা মাত্র সাড়ে ১২টি। যুক্তরাষ্ট্রে আছে ৩৪ দশমিক ২টি। কিন্তু জার্মানির এই শয্যাগুলোতে বর্তমানে রোগী আছে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। এর অর্থ হচ্ছে করোনায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য জার্মানির এই শয্যা পর্যাপ্ত।

সূত্র: রয়টার্স, টাইম।

এসআইএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৫৮,৯৩,৯৮৬
আক্রান্ত

১৫,১৮,৩৬৯
মৃত

৪,৫৬,৪২,৫২৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৭৩,৯৯১ ৬,৭৭২ ৩,৯০,৯৫১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৪৫,৭৮,৩৪১ ২,৮৩,৪৩০ ৮৫,৭২,০৬১
ভারত ৯৬,০৬,৮১০ ১,৩৯,৭০০ ৯০,৫৬,৬৬৮
ব্রাজিল ৬৪,৯৬,০৫০ ১,৭৫,৪৩২ ৫৭,২৫,০১০
রাশিয়া ২৪,০২,৯৪৯ ৪২,১৭৬ ১৮,৮৮,৭৫২
ফ্রান্স ২২,৫৭,৩৩১ ৫৪,১৪০ ১,৬৬,৯৪০
স্পেন ১৬,৯৩,৫৯১ ৪৬,০৩৮ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,৯০,৪৩২ ৬০,৬১৭ ৩৪৪
ইতালি ১৬,৮৮,৯৩৯ ৫৮,৮৫২ ৮,৭২,৩৮৫
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,৪৭,৭৩২ ৩৯,৩০৫ ১২,৭৪,৬৭৫
১১ কলম্বিয়া ১৩,৪৩,৩২২ ৩৭,৩০৫ ১২,৩৩,১১৫
১২ মেক্সিকো ১১,৪৪,৬৪৩ ১,০৮,১৭৩ ৮,৪৩,২৩১
১৩ জার্মানি ১১,৩৯,৭৭২ ১৮,৪২৬ ৮,২০,৬০০
১৪ পোল্যান্ড ১০,৪১,৮৪৬ ১৯,৩৫৯ ৬,৬৬,৪১৩
১৫ ইরান ১০,১৬,৮৩৫ ৪৯,৬৯৫ ৭,০৮,১০৬
১৬ পেরু ৯,৬৮,৮৪৬ ৩৬,১০৪ ৯,০১,৫৪৪
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৮,০০,৮৭২ ২১,৮০৩ ৭,৩৯,৩৬৭
১৮ ইউক্রেন ৭,৮৭,৮৯১ ১৩,১৯৫ ৩,৯৭,৮০৯
১৯ তুরস্ক ৭,৬৫,৯৯৭ ১৪,৫০৯ ৪,২৩,১৪২
২০ বেলজিয়াম ৫,৮৪,৮৫৭ ১৭,০৩৩ ৩৮,৫৭৭
২১ ইন্দোনেশিয়া ৫,৬৩,৬৮০ ১৭,৪৭৯ ৪,৬৬,১৭৮
২২ ইরাক ৫,৬০,৬২২ ১২,৩৮৭ ৪,৮৯,৭৭২
২৩ চিলি ৫,৫৭,১৩৫ ১৫,৫৫৮ ৫,৩১,৫৪৩
২৪ নেদারল্যান্ডস ৫,৪৩,৯২৪ ৯,৬২৩ ২৫০
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,৩৭,৬৬৩ ৮,৬৪১ ৪,৬৮,৩০২
২৬ রোমানিয়া ৫,০০,২৭৩ ১২,০৫২ ৩,৯০,২১২
২৭ ফিলিপাইন ৪,৩৬,৩৪৫ ৮,৫০৯ ৩,৯৯,৩৪৫
২৮ পাকিস্তান ৪,১০,০৭২ ৮,২৬০ ৩,৫০,৩০৫
২৯ কানাডা ৩,৯৯,৩৯৬ ১২,৪৬০ ৩,১৭,৫৪১
৩০ মরক্কো ৩,৬৮,৬২৪ ৬,০৬৩ ৩,১৮,৯৮৭
৩১ সৌদি আরব ৩,৫৮,৩৩৬ ৫,৯৪০ ৩,৪৮,২৩৮
৩২ সুইজারল্যান্ড ৩,৪৪,৪৯৭ ৫,২৪৩ ২,৬০,৬০০
৩৩ ইসরায়েল ৩,৪২,১০১ ২,৮৯৬ ৩,২৭,১৬২
৩৪ পর্তুগাল ৩,১২,৫৫৩ ৪,৮০৩ ২,৩৪,০৩৮
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৯৭,২৪৫ ৩,৬৫১ ২,৪৩,৭৭৫
৩৬ সুইডেন ২,৭৮,৯১২ ৭,০৬৭ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩৮,৮৬১ ১,৫৬৭ ২,২১,৮৪৭
৩৮ হাঙ্গেরি ২,৩৮,০৫৬ ৫,৫১৩ ৬৮,৫২৫
৩৯ জর্ডান ২,৩৪,৩৫৩ ২,৯৬০ ১,৭৭,১৯৫
৪০ সার্বিয়া ২,০৬,৯৪০ ১,৮৩৪ ৩১,৫৩৬
৪১ ইকুয়েডর ১,৯৫,৮৮৪ ১৩,৬১২ ১,৬৯,৮০৪
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭৪,০৬২ ৫৮৬ ১,৫৭,৮২৮
৪৩ পানামা ১,৭১,২১৯ ৩,১৪১ ১,৪৮,৩৯৬
৪৪ জাপান ১,৫৫,২৩২ ২,২৪০ ১,৩১,১৭৬
৪৫ বুলগেরিয়া ১,৫৫,১৯৩ ৪,৫০৩ ৫৭,১৪১
৪৬ জর্জিয়া ১,৫২,৭০৪ ১,৪২৫ ১,২৬,৯০৪
৪৭ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৬,৬৮০ ২,৩৪৩ ১,১৬,১৬৯
৪৮ বলিভিয়া ১,৪৫,১৮৬ ৮,৯৮২ ১,২৪,০১৫
৪৯ কুয়েত ১,৪৩,৯১৭ ৮৮৬ ১,৩৯,১৪৮
৫০ বেলারুশ ১,৪৩,৩৮৩ ১,১৯০ ১,২০,৫৭১
৫১ ক্রোয়েশিয়া ১,৪৩,৩৭০ ২,০৩২ ১,১৭,১৪৮
৫২ কোস্টারিকা ১,৪২,৫০৫ ১,৭৫৭ ৯১,৪২৪
৫৩ আর্মেনিয়া ১,৩৯,৬৯২ ২,২৭৭ ১,১৪,৯৯০
৫৪ কাতার ১,৩৯,৬৪৩ ২৩৯ ১,৩৬,৮৭২
৫৫ আজারবাইজান ১,৩৮,০০০ ১,৫৫১ ৮৩,৮০০
৫৬ কাজাখস্তান ১,৩৪,৭০৬ ১,৯৯০ ১,১৮,৬৪৩
৫৭ লেবানন ১,৩৪,২৯৫ ১,০৭৮ ৮৬,০১৯
৫৮ গুয়াতেমালা ১,২৪,৮০৫ ৪,২২৪ ১,১৩,২৭৩
৫৯ ওমান ১,২৪,৩২৯ ১,৪৩৫ ১,১৫,৮৬৬
৬০ মিসর ১,১৭,১৫৬ ৬,৭১৩ ১,০৩,০৮২
৬১ মলদোভা ১,১৩,৮২৯ ২,৩৮৪ ৯৮,২৭৬
৬২ স্লোভাকিয়া ১,১৩,৩৯২ ৯৫৭ ৭৭,১৪২
৬৩ গ্রীস ১,১৩,১৮৫ ২,৮০৪ ৯,৯৮৯
৬৪ ইথিওপিয়া ১,১১,৫৭৯ ১,৭২৪ ৭৭,৩৮৫
৬৫ হন্ডুরাস ১,০৯,৭৬০ ২,৯৩৮ ৪৮,৯৫৩
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০৩,৫৪৮ ৯০৯ ৯৮,৫২১
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৯,২৮০ ৩,৩৫৯ ৭৩,৬০৭
৬৮ মায়ানমার ৯৬,৫২০ ২,০৫৯ ৭৪,৯৭৩
৬৯ ফিলিস্তিন ৯৪,৬৭৬ ৭৯৭ ৭০,২০৬
৭০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৯২,৭৯৩ ২,৮৬৫ ৫৭,৫৪৫
৭১ বাহরাইন ৮৭,৪৩২ ৩৪১ ৮৫,৫৯৮
৭২ কেনিয়া ৮৭,২৪৯ ১,৫০৬ ৬৮,১১০
৭৩ ডেনমার্ক ৮৬,৭৪৩ ৮৬৭ ৬৮,৬৩২
৭৪ আলজেরিয়া ৮৬,৭৩০ ২,৪৯২ ৫৬,০৭৯
৭৫ চীন ৮৬,৫৮৪ ৪,৬৩৪ ৮১,৬৭৯
৭৬ লিবিয়া ৮৫,৫২৯ ১,২১৯ ৫৬,০৪৮
৭৭ প্যারাগুয়ে ৮৫,৪৭৭ ১,৭৯৬ ৬০,০৮৬
৭৮ স্লোভেনিয়া ৮৩,১৩৩ ১,৬৫৩ ৬০,৯৫৭
৭৯ কিরগিজস্তান ৭৪,৩৭৩ ১,৪৯৮ ৬৬,১১৩
৮০ উজবেকিস্তান ৭৩,৫৯২ ৬১১ ৭০,৮৬১
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭৩,২২৮ ২,০৮০ ২৩,৩৬৪
৮২ মালয়েশিয়া ৭০,২৩৬ ৩৭৬ ৫৯,০৬১
৮৩ লিথুনিয়া ৬৯,৫৮২ ৫৯০ ২৭,৭৬০
৮৪ নাইজেরিয়া ৬৮,৩০৩ ১,১৭৯ ৬৪,২৯১
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬৫,২৩১ ১,৮৪৭ ৪১,৬৫৬
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২৪২ ২৯ ৫৮,১৫২
৮৭ ঘানা ৫২,০৯৬ ৩২৫ ৫০,৯২৪
৮৮ আফগানিস্তান ৪৭,৩৮৮ ১,৮৪৭ ৩৭,৩৪৭
৮৯ আলবেনিয়া ৪১,৩০২ ৮৭০ ২০,৯৭৪
৯০ এল সালভাদর ৩৯,৭১৮ ১,১৪২ ৩৬,২৮৬
৯১ মন্টিনিগ্রো ৩৭,৪৬৭ ৫২২ ২৬,৪১৪
৯২ নরওয়ে ৩৭,৩৭১ ৩৫৪ ২৭,৪১৪
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৭,০১৭ ৩৪৫ ২৮,০২৯
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৬,৩৩২ ৫৩৬ ২৮,৬১১
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯৪৯ ৯০৮ ২৫,৬২৯
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৬,৭৫৮ ৪০৮ ১৮,১০০
৯৭ শ্রীলংকা ২৬,২৯০ ১২৯ ১৯,৪৩৮
৯৮ ক্যামেরুন ২৪,৫৬০ ৪৪১ ২৩,৩৪৪
৯৯ উগান্ডা ২১,৬১২ ২০৬ ৯,১১০
১০০ আইভরি কোস্ট ২১,৩৮৯ ১৩২ ২১,০২২
১০১ লাটভিয়া ১৯,৯৯৩ ২৪২ ১,৮৪৯
১০২ সুদান ১৮,৫৩৫ ১,২৭১ ১০,৬৭২
১০৩ জাম্বিয়া ১৭,৭৩০ ৩৫৭ ১৭,১০২
১০৪ মাদাগাস্কার ১৭,৫১৩ ২৫৫ ১৬,৬৫৭
১০৫ সেনেগাল ১৬,২৯৭ ৩৩৬ ১৫,৭০৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৬,০৩৮ ১৩৩ ১৪,১৬০
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,৩৬১ ৩৫২ ৮,২৪৪
১০৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,৮৯৭ ৭৮ ৪,৮৪২
১০৯ নামিবিয়া ১৪,৫৯৯ ১৫১ ১৩,৭৭৪
১১০ এস্তোনিয়া ১৩,৯৩৯ ১২৫ ৮,৫৪৯
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৩,২৮১ ৩৩৭ ১১,৭৫৩
১১২ গিনি ১৩,১৮৬ ৭৬ ১২,২৭০
১১৩ মালদ্বীপ ১৩,১০৬ ৪৭ ১২,১৫৪
১১৪ তাজিকিস্তান ১২,৩৪৯ ৮৭ ১১,৭৫৮
১১৫ বতসোয়ানা ১১,৫৩১ ৩৪ ৮,৯৭৮
১১৬ সাইপ্রাস ১১,৫২৩ ৫৪ ২,০৫৭
১১৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,৩১৮ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৮ জ্যামাইকা ১০,৯৮৭ ২৬০ ৬,৭৩০
১১৯ কেপ ভার্দে ১০,৯৩৮ ১০৭ ১০,৪৫৪
১২০ জিম্বাবুয়ে ১০,৪২৪ ২৮০ ৮,৭৫৪
১২১ মালটা ১০,৩২০ ১৪৯ ৮,১২০
১২২ হাইতি ৯,৩৩১ ২৩৩ ৮,১১৪
১২৩ গ্যাবন ৯,২৩৯ ৬০ ৯,০৮৯
১২৪ মৌরিতানিয়া ৯,০০৫ ১৮১ ৭,৭৮৫
১২৫ কিউবা ৮,৫৩১ ১৩৬ ৭,৭৭০
১২৬ গুয়াদেলৌপ ৮,৪২৭ ১৪৯ ২,২৪২
১২৭ রিইউনিয়ন ৮,২০০ ৪১ ৭,৭২৯
১২৮ সিরিয়া ৮,১৪৭ ৪৩২ ৩,৭৪৮
১২৯ বাহামা ৭,৫৪৯ ১৬৩ ৫,৯৩৪
১৩০ বেলিজ ৭,২৩৬ ১৬৪ ৩,৫৭১
১৩১ এনডোরা ৬,৯০৪ ৭৭ ৬,০৬৬
১৩২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৭২৫ ১২১ ৫,৮৬১
১৩৩ হংকং ৬,৭০২ ১১২ ৫,৪৬৫
১৩৪ ইসওয়াতিনি ৬,৪৭৪ ১২২ ৬,০৪৪
১৩৫ উরুগুয়ে ৬,৪৫৫ ৮০ ৪,৭০৭
১৩৬ মালাউই ৬,০৪৩ ১৮৫ ৫,৪৭২
১৩৭ রুয়ান্ডা ৬,০১১ ৫০ ৫,৫৯৬
১৩৮ নিকারাগুয়া ৫,৮৩৮ ১৬১ ৪,২২৫
১৩৯ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৪০ জিবুতি ৫,৬৮৯ ৬১ ৫,৫৯১
১৪১ গায়ানা ৫,৫২৮ ১৫১ ৪,৬১৮
১৪২ মার্টিনিক ৫,৫২০ ৪১ ৯৮
১৪৩ আইসল্যান্ড ৫,৪৬২ ২৭ ৫,২২৩
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩২২ ১১৭ ৫,২০৩
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৯ ৮৫ ৫,০২৩
১৪৭ আরুবা ৪,৯২৩ ৪৫ ৪,৭৩৩
১৪৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৮ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৯ মালি ৪,৮৮০ ১৬২ ৩,২৮১
১৫০ সোমালিয়া ৪,৫২৫ ১২১ ৩,৪৮০
১৫১ থাইল্যান্ড ৪,০৫৩ ৬০ ৩,৮৩৯
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৬৭ ১২৩ ৩,৬১০
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১৫৪ ৬২ ২,৯৭৭
১৫৪ বুর্কিনা ফাঁসো ৩,০৬২ ৬৮ ২,৬৭৯
১৫৫ বেনিন ৩,০৫৫ ৪৪ ২,৯০৭
১৫৬ টোগো ৩,০৩৯ ৬৫ ২,৫৬৭
১৫৭ কিউরাসাও ২,৭৪০ ১,২৪৫
১৫৮ গিনি বিসাউ ২,৪৪১ ৪৪ ২,৩২৭
১৫৯ সিয়েরা লিওন ২,৪১৬ ৭৪ ১,৮৪০
১৬০ ইয়েমেন ২,২৩৯ ৬২৪ ১,৫২৫
১৬১ লেসোথো ২,১৫০ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৬৯ ২৫ ১,৯৮৩
১৬৩ সান ম্যারিনো ১,৭৫৬ ৪৭ ১,৩৮১
১৬৪ চাদ ১,৭০৮ ১০২ ১,৫৩৯
১৬৫ লাইবেরিয়া ১,৬৬৩ ৮৩ ১,৩৫৮
১৬৬ নাইজার ১,৬৪০ ৭৬ ১,২২৭
১৬৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,৪৫৮ ৪৮ ১,০১২
১৬৮ ভিয়েতনাম ১,৩৬১ ৩৫ ১,২২০
১৬৯ লিচেনস্টেইন ১,৩৫১ ১৭ ১,১৮৩
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,১০৫ ২৫ ৯৯৩
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০৪২ ৯৬৯
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৮৩১ ৩৬৫
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৫১ ৭৩৩
১৭৪ সেন্ট মার্টিন ৭১৭ ১২ ৬৪১
১৭৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৯২ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৯০ ৫৭২
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৭১ ৫৯৭
১৭৯ মোনাকো ৬৩০ ৫৭০
১৮০ কমোরস ৬১৫ ৫৯০
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৯৪ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ মরিশাস ৫০৮ ১০ ৪৬৫
১৮৪ ফারে আইল্যান্ড ৫০৫ ৫০০
১৮৫ ভুটান ৪১৮ ৩৮৬
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৭০ ২৫ ৩৪৪
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩৩৫ ৩০৪
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮৮ ২৫৭
১৮৯ বার্বাডোস ২৮১ ২৫৭
১৯০ বারমুডা ২৭২ ২১৬
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৬২ ১৪১
১৯২ সিসিলি ১৮৪ ১৬৮
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬৪ ১৫৮
১৯৪ ব্রুনাই ১৫১ ১৪৬
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১৪৭ ১০৫
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪৪ ১৩৩
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৭ ৮০
১৯৮ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭২ ৭১
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ ফিজি ৪৪ ৩৩
২০২ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০৩ লাওস ৩৯ ২৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩৪ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩১ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৭ ১৫
২১০ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১৪
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]