শিল্পপতির স্ত্রীকে যৌন হয়রানি

সাকা চৌধুরীর দুই ভাতিজার নামে মামলার আবেদন খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২২ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছবি: সংগৃহীত

নারীকে যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে বিএনপির প্রয়াত নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ভাতিজা সামির কাদের চৌধুরী ও শাকির কাদের চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এ মামলার আবেদন করেন প্রয়াত একজন শিল্পপতির স্ত্রী। শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক আব্দুল মোক্তাদির।

মামলার আবেদনে অন্য অভিযুক্তরা ছিলেন- মেরিনা ইরশাদ, কেশব চন্দ্র নাথ, হারুন অর রশিদ, ফেরদৌস মুনসি, শাহাবুদ্দিন ও মো. ছালাহউদ্দিন আব্বাসি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদী ঢাকায় ছয়তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণের জন্য ২০০৬ সালে সামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেন এবং পুরো নির্মাণ ব্যয় পরিশোধ করেন। ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর ভবনের কাজ সম্পন্ন করে বাদীকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের ২৪ মার্চ বাদীর স্বামী মারা গেলে সামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ও অন্য আসামিরা মিলে ভবনের ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা শুরু করেন। ভুক্তভোগী ব্যবসার কাজে প্রায়ই দেশের বাইরে অবস্থান করতেন। এ সুযোগে আসামিরা জাল দলিল তৈরি করে বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্লোর দখলের চেষ্টা চালায় এবং বিভিন্ন সময়ে বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি করতে থাকে।

গত ১৪ জুলাই আসামিরা বাদীর বাড়িতে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটগুলোর তালা ভাঙার চেষ্টা করে এবং বাদীর কাছে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। এরপর গত ২৮ আগস্ট আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ফের ওই বাড়িতে যায়। দারোয়ান বাধা দিলে তাকে মারধর করে এবং বাদীকে গালিগালাজ করে।

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বাদী উপর তলা থেকে নিচে নেমে এলে আসামিরা তাকে মারধর করে জখম করে। তারা বাদীর শ্লীলতাহানি ও তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অংশে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

এমআইএন/এমকেআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।