নড়াইলের এমপি মুক্তির ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ
নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএম কবিরুল হক মুক্তিসহ (৫৫) দুইজনের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ।
রিমান্ডের আবেদন করা আরেক আসামি হলেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মোজাম্মেল হক (৬৭)। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর বেলা দেড়টার দিকে গুলশানে ডা. ফজলে রাব্বী পার্কের দক্ষিণ পার্শ্বে সেতুর ওপর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করে। মিছিলে তারা রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে উস্কানি মূলক স্লোগান দেয়। এ সময় রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি ভাঙচুর করার চেষ্টা চালিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে বিক্ষোভকারীরা। এ ঘটনায় গুলশান থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. মাহাবুব হোসাইন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
কবিরুল হক মুক্তি ২০০৯ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন। পরে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত তিনটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হন তিনি। নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামিদপুর ইউনিয়নের হাসিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি তিনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
এমআইএন/এমআরএম/জিকেএস