মুকসুদপুর পৌরসভার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ


প্রকাশিত: ১২:১৫ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় চলমান সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে ১৫ বছর ধরে আটকে থাকা উক্ত পৌরসভার নির্বাচন করতে দীর্ঘ আইনি জটিলতার অবসান হলো। এখন নির্বাচন করতে আইনগত কোন বাধা রইলো না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মুকসুদপুর পৌর সভার কার্যক্রমের প্রতি সরকার আন্তরিকতা রয়েছে এবং পৌরসভার কার্যক্রম চালানোর মতো সকল মেটিরিয়ালসও আছে। কিন্তু হাইকোর্টে রিট মামলা চলার কারণে তার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আদালত বিস্তারিত শুনে আজ রায় দিয়েছেন। এখন পৌরসভার কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই।

এ সংক্রান্ত এক রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আজ রিটকারীদের পক্ষে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মনোজ কুমার ভৌমিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এএসএম নাজমুল হক।

২০১৫ সালের ৭ আগস্ট দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি করে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই রুল জারির নির্দেশনা দেন আদালত। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আদালতের দেওয়া রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

২০০৮ সালে মুকসুদপুর পৌরসভা বাতিল করে টেংরাখেলা ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট দাখিল করা হলে তা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফলে ২০১৪ সালে ৩১ মে থেকে পৌরসভা বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর আবারও রিট করা হয়। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এত দিন পৌর সভার কাযক্রম আটকে ছিল আজ এই আদেশের ফলে পৌরসভার সকল কার্যক্রম চালাতে আর কোন বাধা রইলো না বলে জানান আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী।

এফএইচ/জেএইচ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।