বাবুল চিশতীর ছেলের জামিনের আদেশ রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫০ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
ফাইল ছবি

ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) এর ছেলে মো. রাশেদুল হক চিশতীর বিরুদ্ধে আনা অর্থ পাচার মামলায় জামিনের ওপর আসামি ও রাষ্ট্র পক্ষের শুনানি শেষ হয়েছে আজ।

তবে দুদকের মামলার শুনানির জন্য ২১ অক্টোবর (রোববার) দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেয়ার জন্য ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

জামিন আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে. এম. হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে, ওইদিন দুদকের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে আদেশ দিবেন বলে ঠিক করেন আদালত।

আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহারিন, এ. কে. এম. আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। আসামি পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। দুদকের পক্ষে রোববার শুনানি করবেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ. কে. এম. আমিন উদ্দিন মানিক জানান, ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতি। এছাড়া তার ছেলে মো. রাশেদুল হক চিশতীর নামে তিনটি মেয়াদী আমানত হিসাব পরিচালিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যাতে মোট জমা ছিল ৫৫ লাখ টাকা উক্ত তিনটি হিসাবই জমার মাধ্যমে খোলা হয়।

অতঃপর ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারিতে তিনটি এফডিআরই মেয়াদ পূর্তির পূর্বেই নগদায়ন করেও রাশেদুল হক চিশতীর অনুকূলে পে-অর্ডার করা হয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম গত ১০ এপ্রিল গুলশান থানায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করা হয় ।

এরপর তারা বিচারকি আদালতে জামিন আবেদন করেন। পরে গত ৭ অক্টোবর ঢাকা মেট্রো সিনিয়র স্পেশাল জজ কে. এম. ইমরুল কায়েস জামিন নামঞ্জুর করলে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। আজ এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

একেএম আমিন উদ্দিন জানান, জামিনের ওপর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের শুনানি শেষ হয়েছে। এখন দুদকের বক্তব্য শুনে ২১ অক্টোবর আদেশের জন্য রেখেছেন।

এফএইচ/জেএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :