সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে ডা. সাবরিনার

জাহাঙ্গীর আলম
জাহাঙ্গীর আলম জাহাঙ্গীর আলম , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ২৩ জুলাই ২০২০

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। তাকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুরু থেকে সাবরিনাকে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান বলা হলেও তদন্ত সংস্থা বলছে, প্রতিষ্ঠানটির আহ্বায়ক হিসেবেই জাল-জালিয়াতিতে তার সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে। মামলার অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও প্রতারণার নেপথ্য নাম হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে ডা. সাবরিনার কথা।

ডিবির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডা. সাবরিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেয়া হবে। এ মামলায় যে শাস্তি হয়, সাবরিনা ও তার সহযোগীদের জন্য তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে বলে জানাচ্ছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মামলায় পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড।

সেজন্য আইনজীবীরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে ডা. সাবরিনার সাত বছরের কারাদণ্ডও হতে পারে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তাদের সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানোর চেষ্টার কথাই বলছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন জাগো নিউজকে বলেন, ডা. সাবরিনা একজন প্রতারক হিসেবে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি প্রতারণা করে অনেক মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে খেলেছেন। তার বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের জেল। তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয় আমরা সেদিকে নজর রাখবো।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, মামলা তদন্তে জেকেজির চেয়ারম্যান নয়, আহ্বায়ক হিসেবে ডা. সাবরিনা চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আশা করছি এ মামলায় আমরা দ্রুত চার্জশিট দিতে পারব। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে তার পদে থাকার কোনো ডকুমেন্ট আমরা পাইনি। তবে আহ্বায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকার কাগজ পাওয়া গেছে।

মামলার বাদী কামাল হোসেন বলেন, আমরা জেকেজি হেলথকেয়ারে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করে প্রতারিত হয়েছি। তাই আমি বাদী হয়ে একটি মামলা করেছি। দোষীরা শাস্তি পাক এটা আমি চাই। ডা. সাবরিনাসহ মামলার অপর আসামিরা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। তাদের বিচার হওয়া উচিত।

ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় যে শাস্তি
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় যে মামলা হয়েছে, তাতে সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। এছাড়া আরও বিভিন্ন শাস্তি রয়েছে।

মামলার ১৭০ ধারা মোতাবেক, ‘ভুয়া সরকারি কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেয়া যদি কোনো সরকারি কর্মচারী হিসেবে কোনো বিশেষ সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রমের জন্য দরকষাকষি না করতে আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের নামে অথবা অন্য কারও নামে অথবা যুক্তভাবে অথবা অন্যান্যের সাথে অংশ নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন বা ক্রয় করার জন্য দরকষাকষি করেন, তবে তিনি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন; এবং সম্পত্তিটি ক্রয় করা হয়ে থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে।’

২৬৯ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো কার্য দ্বারা জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াইতে পারে জানিয়াও অবহেলাবশত উহা করা কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সেই ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।’

৪২০ ধারা মোতাবেক, ‘প্রতারণা ও সম্পত্তি সমর্পণ করিবার জন্য অসাধুভাবে প্রবৃত্ত করা কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে এবং অসাধুভাবে অপর কোনো ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তির অংশ বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, পরিবর্তন বা বিনাশ সাধনে প্রবৃত্ত করে অথবা অসাধুভাবে প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোনো স্বাক্ষরিত বা সিল মোহরযুক্ত বস্তুর সমুদয় অংশ বা অংশবিশেষ প্রণয়ন পরিবর্তন বা বিনাশ সাধনে প্রবৃত্ত করে যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রমের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’

৪০৬ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।’

jagonews24

৪৬৬ ধারা মোতাবেক, ‘আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণে কোনো ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোনো বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোনো বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোনো জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সরকারি কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী দ্বারা তার সরকারি পদমর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে অথবা কোনো মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোনো কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’

৪৭১ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে বা অসাধুভাবে এমন একটি দলিলকে খাঁটি দলিল হিসাবে ব্যবহার করে, যে দলিলটি একটি জাল দলিল বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি যেন সে নিজে দলিলটি জাল করেছে, এমনভাবে দণ্ডিত হবে।’

ডা. সাবরিনাকে জামিন দিলে চিরতরে পালানোর শঙ্কা
দুই দফা রিমান্ড শেষে গত ২০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনাকে হাজির করে পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডা. সাবরিনাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। তার নাম ঠিকানা যাচাই করা হয়নি বিধায় ডা. সাবরিনা জামিনে গেলে চিরতরে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, ‘রিমান্ডে থাকাবস্থায় সাবরিনাকে দফায় দফায় মামলার বিষয়ে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি মামলা সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা যাচাই-বাছাই চলছে। সাবরিনা তার সহযোগীদের (যাদের অনেকে আসামি) নিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে করোনাভাইরাসের পজিটিভ ও নেগেটিভ রিপোর্ট সরবরাহ করেছিলেন। নিরীহ লোকদের টাকা আত্মসাৎ এবং অবহেলার মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ বিস্তারে সহায়তা করে আসছিলেন সাবরিনা। তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রভাব খাটিয়ে স্বামী আরিফুল চৌধুরীর জেকেজি হেলথকেয়ারকে বিভিন্ন সরকারি কাজের আদেশ পাইয়ে দিতেন। ফলে জেকেজি হেলথকেয়ার বেপরোয়াভাবে সমাজের ক্ষতিসাধন করে এবং বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ডা. সাবরিনা তার অপরাপর সহযোগীদের সহায়তায় করোনাভাইরাস মহামারির সময় অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে সমাজবিরোধী এবং ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। ডা. সাবরিনার প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকার সংক্রমিত রোগীদের অর্থের বিনিমিয় স্যাম্পল কালেকশন করে তা পরীক্ষা না করে হাজার হাজার ভুয়া সার্টিফিকেট (নেগেটিভ/পজিটিভ) দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে। এছাড়া বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের যাত্রার আগে জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে মিথ্যা মর্মে প্রমাণিত হয়েছে। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।’

‘মামলায় গ্রেফতার আসামি বিপ্লব দাস, মামুনুর রশীদ, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, আরিফুল চৌধুরী ও সাদি চৌধুরীর নিকট থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জাল সার্টিফিকেট (নেগেটিভ/পজিটিভ) উদ্ধার করা হয়। ডা. সাবরিনা জেকেজি হেলথ কেয়ারের অফিসে রক্ষিত ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে সরকারি লোগো ব্যবহার করে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মামলার এজহারনামীয় আসামি তানজিলা পাটোয়ারী ও হুমায়ূন কবির হিমু নিজেদের জবানবন্দিতে ডা. সাবরিনার নাম প্রকাশ করেছেন এবং তারা সাবরিনার জাল-জালিয়াতির সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষ মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের নিমিত্তে প্রয়োজনে আবার তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে’—বলা হয় প্রতিবেদনে।

গত ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ১৩ জুলাই তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। ১৭ জুলাই আরও দুদিনের রিমান্ডে নেয় ডিবি। দুই দফা রিমান্ড শেষে ২০ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠান আদালত

জেএ/এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৪,৪২,৪৯,৭৩২
আক্রান্ত

৩০,৬৫,৯৭৫
মৃত

১২,২৭,০৯,৬৯২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,৩২,০৬০ ১০,৬৮৩ ৬,৩৫,১৮৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,২৫,৭৪,৮০৪ ৫,৮২,৯৬৪ ২,৫১,৪৪,৪২৪
ভারত ১,৫৯,২৪,৭৩২ ১,৮৪,৬৭২ ১,৩৪,৪৯,৩৭১
ব্রাজিল ১,৪০,৫০,৮৮৫ ৩,৭৮,৫৩০ ১,২৫,৬১,৬৮৯
ফ্রান্স ৫৩,৭৪,২৮৮ ১,০১,৮৮১ ৪২,১৮,৬০৭
রাশিয়া ৪৭,২৭,১২৫ ১,০৬,৭০৬ ৪৩,৫২,৮৭৩
তুরস্ক ৪৪,৪৬,৫৯১ ৩৬,৯৭৫ ৩৮,৪৪,৩৪২
যুক্তরাজ্য ৪৩,৯৫,৭০৩ ১,২৭,৩২৭ ৪১,৬৬,৭৩৪
ইতালি ৩৯,০৪,৮৯৯ ১,১৭,৯৯৭ ৩৩,১১,২৬৭
১০ স্পেন ৩৪,৪৬,০৭২ ৭৭,৩৬৪ ৩১,৫১,৫৮৭
১১ জার্মানি ৩২,০৮,৬৭২ ৮১,৩৮২ ২৮,২৪,১০০
১২ আর্জেন্টিনা ২৭,৪৩,৬২০ ৫৯,৭৯২ ২৪,০৭,৮৫৩
১৩ পোল্যান্ড ২৭,১৮,৪৯৩ ৬৩,৪৭৩ ২৩,৬৬,২৩০
১৪ কলম্বিয়া ২৬,৮৪,১০১ ৬৯,১৭৭ ২৫,০৫,৭৩৮
১৫ ইরান ২৩,১১,৮১৩ ৬৭,৯১৩ ১৮,২৩,৯৫৮
১৬ মেক্সিকো ২৩,১১,১৭২ ২,১৩,০৪৮ ১৮,৩৬,৩৭৭
১৭ ইউক্রেন ১৯,৭৪,১১৮ ৪০,৭৯৬ ১৫,১৪,৪৭২
১৮ পেরু ১৭,১৯,০৮৮ ৫৭,৯৫৪ ১৬,৪৫,১০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৬,২০,৫৬৯ ৪৪,০০৭ ১৪,৭৫,৪৫৬
২০ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,০৯,৮৬১ ২৮,৭১১ ১৫,১৭,৭৭৪
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,৬৮,৩৬৬ ৫৩,৮৮৭ ১৪,৯৪,৬৩০
২২ নেদারল্যান্ডস ১৪,২৬,২৪৩ ১৬,৯৮৩ ১১,৯০,৮৪১
২৩ কানাডা ১১,৪৪,৪৭৪ ২৩,৭৫০ ১০,৩৩,০১৬
২৪ চিলি ১১,৪১,৪০৩ ২৫,৩৫৩ ১০,৭৪,৮২৭
২৫ রোমানিয়া ১০,৩৭,০০৯ ২৬,৭৯৩ ৯,৫৪,৮৬৮
২৬ ইরাক ১০,০১,৮৫৪ ১৫,০৯৮ ৮,৭৭,৩০৯
২৭ ফিলিপাইন ৯,৬২,৩০৭ ১৬,২৬৫ ৮,২৯,৬০৮
২৮ বেলজিয়াম ৯,৫৫,০৫৬ ২৩,৮৩৪ ৮,১৩,২২৪
২৯ সুইডেন ৯,২৪,৩৪০ ১৩,৮৬৩ ৭,৪৪,৪০৫
৩০ ইসরায়েল ৮,৩৭,৪৭৯ ৬,৩৪৬ ৮,২৯,১১৭
৩১ পর্তুগাল ৮,৩২,২৫৫ ১৬,৯৫২ ৭,৯০,৬৫০
৩২ পাকিস্তান ৭,৭২,৩৮১ ১৬,৬০০ ৬,৭২,৬১৯
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৫৭,৩৬০ ২৫,৭৮৭ ৪,৬৪,৭৫০
৩৪ জর্ডান ৬,৯৫,৩৯০ ৮,৪২৯ ৬,৫৪,৪৯৩
৩৫ সার্বিয়া ৬,৭০,৮০১ ৬,০৯৫ ৬,০৪,১৭৪
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৬,৪২,১৩১ ১০,৫৩৬ ৫,৭৩,৭৮৬
৩৭ অস্ট্রিয়া ৬,০০,০৮৯ ৯,৯৯৭ ৫,৬৩,২৫৬
৩৮ জাপান ৫,৪১,৪৯৬ ৯,৭১০ ৪,৮৮,৯৪৪
৩৯ লেবানন ৫,১৫,০৮৮ ৭,০২৭ ৪,৩৩,৯৮৭
৪০ মরক্কো ৫,০৭,৩৩৮ ৮,৯৬৯ ৪,৯৩,৩৫৩
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,০২,৭৯১ ১,৫৬১ ৪,৮৫,০৭৮
৪২ সৌদি আরব ৪,০৮,০৩৮ ৬,৮৫৮ ৩,৯১,৩৬২
৪৩ বুলগেরিয়া ৩,৯০,৯১১ ১৫,৫১৮ ৩,১৪,২৭৩
৪৪ মালয়েশিয়া ৩,৮১,৮১৩ ১,৪০০ ৩,৫৮,৭২৬
৪৫ স্লোভাকিয়া ৩,৭৭,৪৭৩ ১১,৩০৪ ২,৫৫,৩০০
৪৬ ইকুয়েডর ৩,৬২,৮৪৩ ১৭,৮০৪ ৩,০৯,৫৪১
৪৭ পানামা ৩,৬১,৩১৯ ৬,১৯২ ৩,৫১,২২৮
৪৮ বেলারুশ ৩,৪৭,৩১৬ ২,৪৫৩ ৩,৩৭,৬২০
৪৯ গ্রীস ৩,২৩,৬৩৯ ৯,৭১৩ ২,৭৮,৬৯০
৫০ ক্রোয়েশিয়া ৩,১৩,৪২৩ ৬,৬৯২ ২,৯১,৩৫১
৫১ আজারবাইজান ৩,০৫,৯৩৩ ৪,২৩৫ ২,৬৯,৯৬৫
৫২ জর্জিয়া ২,৯৯,০৩৮ ৩,৯৭১ ২,৮২,৮৬৯
৫৩ কাজাখস্তান ২,৯৪,৯৪৬ ৩,৪৫৯ ২,৫২,৫৯৮
৫৪ তিউনিশিয়া ২,৯১,৮৩৩ ৯,৯৯৩ ২,৪২,২৩৮
৫৫ বলিভিয়া ২,৯১,৬৭৫ ১২,৬৯৫ ২,৪০,৩৩৬
৫৬ নেপাল ২,৮৯,৭৮৭ ৩,১১২ ২,৭৬,০৯৩
৫৭ ফিলিস্তিন ২,৮৬,০২৮ ৩,০৯৬ ২,৫৪,১৯৯
৫৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৬২,৪০৪ ৩,৪৩৫ ২,১৯,৬৪৫
৫৯ কুয়েত ২,৫৯,৮৬৮ ১,৪৬৮ ২,৪৩,০৫৬
৬০ প্যারাগুয়ে ২,৫৫,০৪৬ ৫,৪৭০ ২,০৯,৭৫৪
৬১ মলদোভা ২,৪৭,৩৯১ ৫,৬৪৩ ২,৩৪,২০৪
৬২ ইথিওপিয়া ২,৪৬,৪৮৪ ৩,৪৭৪ ১,৮৩,৯৩২
৬৩ ডেনমার্ক ২,৪৪,৮৬৮ ২,৪৬৫ ২,৩২,৮৯৯
৬৪ আয়ারল্যান্ড ২,৪৪,৬৯৫ ৪,৮৫৬ ২,২৬,২৭২
৬৫ লিথুনিয়া ২,৩৬,৫৩৩ ৩,৮০২ ২,১৩,৯৭০
৬৬ স্লোভেনিয়া ২,৩৪,০৬৭ ৪,১৭৬ ২,১৭,৭১৫
৬৭ কোস্টারিকা ২,৩১,৯৬৭ ৩,১০৪ ১,৯৯,১৬৬
৬৮ মিসর ২,১৮,০৪১ ১২,৮২০ ১,৬৪,৩৬৮
৬৯ গুয়াতেমালা ২,১৬,৩২৯ ৭,৩০৯ ১,৯৩,৩১৩
৭০ আর্মেনিয়া ২,১০,৫১৮ ৩,৯৪৪ ১,৯০,২৭১
৭১ হন্ডুরাস ২,০২,৪১৩ ৪,৯৭৬ ৭৬,৪৪৬
৭২ কাতার ১,৯৮,৩৬১ ৩৯১ ১,৭৫,৪৩১
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,৯৩,১১৫ ৮,০৮২ ১,৫০,৪৫৮
৭৪ ভেনেজুয়েলা ১,৮৫,৭৩৬ ১,৯৪৪ ১,৬৮,৪১৮
৭৫ ওমান ১,৮৩,৭৭০ ১,৯২৬ ১,৬৩,৭৫০
৭৬ লিবিয়া ১,৭৩,৬৮৩ ২,৯২৪ ১,৫৮,৮৯১
৭৭ উরুগুয়ে ১,৬৯,৩২৭ ২,০২২ ১,৩৯,৫৯০
৭৮ বাহরাইন ১,৬৬,১৫৭ ৬০৫ ১,৫৪,৭১১
৭৯ নাইজেরিয়া ১,৬৪,৪২৩ ২,০৬১ ১,৫৪,৪০৬
৮০ কেনিয়া ১,৫৩,৪৮৮ ২,৫৪০ ১,০৫,২৭৯
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৪৮,৬১৮ ৪,৫৫৬ ১,২৫,৫৯৩
৮২ মায়ানমার ১,৪২,৬৬১ ৩,২০৬ ১,৩১,৯০৮
৮৩ আলবেনিয়া ১,২৯,৯৮০ ২,৩৫৮ ১,০৩,০৬৬
৮৪ আলজেরিয়া ১,২০,১৭৪ ৩,১৭২ ৮৩,৭৬৫
৮৫ এস্তোনিয়া ১,১৮,৭৮৯ ১,১০৯ ১,০৪,৬৫৩
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১,১৫,৯২৬ ১,৮০৬ ১,০৫,৮৭৭
৮৭ লাটভিয়া ১,১২,৯৮৩ ২,০৭৯ ১,০২,৫৯৬
৮৮ নরওয়ে ১,০৮,৮৩৯ ৭৩৪ ৮৮,৯৫২
৮৯ শ্রীলংকা ৯৮,০৫০ ৬৩০ ৯৩,৬৬৮
৯০ কিউবা ৯৬,৭৬০ ৫৪৭ ৯১,০৩৪
৯১ মন্টিনিগ্রো ৯৬,০৪৮ ১,৪৪৪ ৯১,৬৭৯
৯২ কিরগিজস্তান ৯২,৬২৬ ১,৫৬১ ৮৭,৩৯০
৯৩ ঘানা ৯১,৭৮৩ ৭৭২ ৮৯,৬৬১
৯৪ জাম্বিয়া ৯১,১১৯ ১,২৩৮ ৮৮,৯৫৬
৯৫ চীন ৯০,৫৪১ ৪,৬৩৬ ৮৫,৬০০
৯৬ উজবেকিস্তান ৮৭,৫৫১ ৬৪০ ৮৪,৭১৭
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৮৪,৭৯৭ ৮৯৯ ৪৬,০০০
৯৮ মোজাম্বিক ৬৯,৪৩৭ ৮০৫ ৬২,৩৪২
৯৯ এল সালভাদর ৬৭,৮৫১ ২,০৮৬ ৬৩,৯৮২
১০০ লুক্সেমবার্গ ৬৫,৬০৪ ৭৮৮ ৬১,৭৯১
১০১ ক্যামেরুন ৬৪,৮০৯ ৯৩৯ ৫৭,৮২১
১০২ সিঙ্গাপুর ৬০,৮৮০ ৩০ ৬০,৫৭৬
১০৩ আফগানিস্তান ৫৮,৩৪৬ ২,৫৬১ ৫২,৩০১
১০৪ সাইপ্রাস ৫৮,০২২ ২৯৫ ৩৯,০৬১
১০৫ নামিবিয়া ৪৬,৯৫৪ ৬০৯ ৪৫,০৩৯
১০৬ থাইল্যান্ড ৪৬,৬৪৩ ১১০ ২৯,৩৭১
১০৭ আইভরি কোস্ট ৪৫,৬১৪ ২৭৫ ৪৫,১৯৯
১০৮ বতসোয়ানা ৪৪,৭০২ ৬৮৪ ৩৯,৭৩৩
১০৯ জ্যামাইকা ৪৪,৩৩৭ ৭৪৪ ২০,০৭০
১১০ উগান্ডা ৪১,৪২২ ৩৪১ ৪০,৮৯৮
১১১ সেনেগাল ৩৯,৯১০ ১,০৯৬ ৩৮,৬৬৮
১১২ জিম্বাবুয়ে ৩৭,৯৮০ ১,৫৫৫ ৩৫,০৬৫
১১৩ মালাউই ৩৩,৯৬৮ ১,১৪২ ৩১,৮১০
১১৪ মাদাগাস্কার ৩৩,৫৯২ ৫৬৯ ২৬,৬১০
১১৫ সুদান ৩২,৫৪৬ ২,২৮৭ ২৬,২৪৮
১১৬ মালটা ৩০,০৬৩ ৪১১ ২৯,১৩০
১১৭ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৫৭৪ ৯১০ ২৬,৪৫৪
১১৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২৯,০৮৪ ৭৪৮ ২৬,১০৮
১১৯ মালদ্বীপ ২৬,৬৬৭ ৭১ ২৩,৮০৩
১২০ মঙ্গোলিয়া ২৫,৩৬৪ ৫৬ ১৩,৩৪৬
১২১ অ্যাঙ্গোলা ২৪,৬৬১ ৫৬৫ ২২,৬৪৭
১২২ রুয়ান্ডা ২৪,০০৫ ৩২৭ ২২,৫৬০
১২৩ গ্যাবন ২২,০৩২ ১৩৬ ১৮,৭০৬
১২৪ গিনি ২১,৬৩৩ ১৩৯ ১৮,৯৯১
১২৫ সিরিয়া ২১,৪৩৩ ১,৪৬৮ ১৫,০৮৮
১২৬ কেপ ভার্দে ২০,৭৮১ ১৯৪ ১৮,৩৫০
১২৭ মায়োত্তে ১৯,৮৪৯ ১৬৯ ২,৯৬৪
১২৮ রিইউনিয়ন ১৯,৩৪৩ ১৪১ ১৭,৬৫৩
১২৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৭২০ ১৪১ ৪,৮৪২
১৩০ ইসওয়াতিনি ১৮,৪১৭ ৬৭১ ১৭,৭১৮
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৮,২৬১ ৯৬ ৯,৯৯৫
১৩২ মৌরিতানিয়া ১৮,১৫৬ ৪৫৪ ১৭,৫১৯
১৩৩ সোমালিয়া ১৩,৩২৪ ৬৭৮ ৫,৫১৮
১৩৪ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩৫ মালি ১৩,২৪৬ ৪৪৪ ৭,৬১৩
১৩৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,১৬৭ ১৫৫ ১২,৮১২
১৩৭ হাইতি ১২,৯১৮ ২৫১ ১১,৭৯১
১৩৮ এনডোরা ১২,৯১৭ ১২৩ ১২,৩৩৪
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ১২,৭১৭ ১৭৬ ২,২৪২
১৪০ টোগো ১২,৬১০ ১২১ ১০,৩৫০
১৪১ বেলিজ ১২,৫৬৮ ৩১৮ ১২,১৬১
১৪২ গায়ানা ১১,৯৭২ ২৭৩ ১০,২৯৭
১৪৩ কিউরাসাও ১১,৯৩৪ ৯৪ ৯,৫৭২
১৪৪ হংকং ১১,৭০৫ ২০৯ ১১,৩০২
১৪৫ লেসোথো ১০,৭২০ ৩১৬ ৫,৮৬৮
১৪৬ মার্টিনিক ১০,৬১১ ৬৮ ৯৮
১৪৭ জিবুতি ১০,৫৫৭ ১২৩ ৯,৬০৭
১৪৮ দক্ষিণ সুদান ১০,৪৮৬ ১১৪ ১০,২৫০
১৪৯ আরুবা ১০,৩৯৯ ৯৪ ৯,৯৩২
১৫০ পাপুয়া নিউ গিনি ১০,১৯৭ ৯১ ৭,৩৬৪
১৫১ কঙ্গো ১০,০৮৪ ১৩৯ ৮,২০৮
১৫২ বাহামা ৯,৮৬৮ ১৯৪ ৯,১৪০
১৫৩ সুরিনাম ৯,৬৮৭ ১৮৮ ৮,৯০০
১৫৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৯,১৩৫ ১৫৭ ৭,৯৯৬
১৫৫ কম্বোডিয়া ৭,৭৪৭ ৫৪ ২,৭৯৪
১৫৬ বেনিন ৭,৭২০ ৯৭ ৭,৫১০
১৫৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,৫০৫ ১০৬ ৭,০১৬
১৫৮ নিকারাগুয়া ৬,৮৩৫ ১৮১ ৪,২২৫
১৫৯ আইসল্যান্ড ৬,৩৬২ ২৯ ৬,২১৩
১৬০ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৫,৯২৯ ৭৯ ৫,১১২
১৬১ ইয়েমেন ৫,৯১৮ ১,১৩৮ ২,২৮১
১৬২ গাম্বিয়া ৫,৭৮৪ ১৭০ ৫,২২৫
১৬৩ নাইজার ৫,১৪০ ১৯১ ৪,৭৯৫
১৬৪ সান ম্যারিনো ৫,০৪৪ ৮৮ ৪,৭৯৪
১৬৫ সিসিলি ৫,০১৬ ২৫ ৪,৫৫১
১৬৬ চাদ ৪,৭২৩ ১৬৯ ৪,৩৫৩
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৪১৯ ৬৯ ৪,২৬৫
১৬৮ জিব্রাল্টার ৪,২৯১ ৯৪ ৪,১৮১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,০৫৫ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭০ সিয়েরা লিওন ৪,০৪১ ৭৯ ২,৮৫৭
১৭১ কমোরস ৩,৮২২ ১৪৬ ৩,৬৪৫
১৭২ বার্বাডোস ৩,৭৯৩ ৪৪ ৩,৬৯২
১৭৩ গিনি বিসাউ ৩,৭১৩ ৬৬ ৩,১৭০
১৭৪ বুরুন্ডি ৩,৬৪৩ ৭৭৩
১৭৫ ইরিত্রিয়া ৩,৫৪৮ ১০ ৩,৩৪১
১৭৬ লিচেনস্টেইন ২,৮৩৬ ৫৬ ২,৬৯৮
১৭৭ ভিয়েতনাম ২,৮০০ ৩৫ ২,৪৯০
১৭৮ নিউজিল্যান্ড ২,৫৯৯ ২৬ ২,৪৯০
১৭৯ মোনাকো ২,৪১৩ ৩১ ২,৩০৬
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৩৬৯ ১৭ ২,২৯১
১৮১ বারমুডা ২,২২৬ ২০ ১,৩১৩
১৮২ সিন্ট মার্টেন ২,২১১ ২৭ ২,১৬১
১৮৩ লাইবেরিয়া ২,০৯১ ৮৫ ১,৯৩৬
১৮৪ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৮১৯ ১০ ১,৬৮৬
১৮৫ সেন্ট মার্টিন ১,৭০২ ১২ ১,৩৯৯
১৮৬ আইল অফ ম্যান ১,৫৮২ ২৯ ১,৫৪৩
১৮৭ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫৪৮ ১৫ ৬,৪৪৫
১৮৮ পূর্ব তিমুর ১,৫০৯ ৭৬০
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২১৭ ৩১ ৯৯৫
১৯০ মরিশাস ১,২০৪ ১৫ ৯৮৭
১৯১ তাইওয়ান ১,০৮২ ১১ ১,০৩৮
১৯২ ভুটান ৯৮৬ ৮৮৩
১৯৩ সেন্ট বারথেলিমি ৯৩৪ ৪৬২
১৯৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৫ ফারে আইল্যান্ড ৬৬৩ ৬৬০
১৯৬ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৩১ ৫০৮
১৯৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪০ ৪৪
১৯৯ ব্রুনাই ২২৩ ২১০
২০০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১৮৭ ১৮২
২০১ ডোমিনিকা ১৭২ ১৬৫
২০২ গ্রেনাডা ১৫৭ ১৫৪
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৪ ৫৮
২০৪ লাওস ৮৮ ৪৯
২০৫ ফিজি ৭৮ ৬৫
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬২ ৫৫
২০৭ ম্যাকাও ৪৯ ৪৮
২০৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৪ ৪৪
২০৯ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১০ এ্যাঙ্গুইলা ২৯ ২৫
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৪
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ১৮
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]