সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে ডা. সাবরিনার

জাহাঙ্গীর আলম
জাহাঙ্গীর আলম জাহাঙ্গীর আলম , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ২৩ জুলাই ২০২০

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। তাকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুরু থেকে সাবরিনাকে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান বলা হলেও তদন্ত সংস্থা বলছে, প্রতিষ্ঠানটির আহ্বায়ক হিসেবেই জাল-জালিয়াতিতে তার সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে। মামলার অন্য আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও প্রতারণার নেপথ্য নাম হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে ডা. সাবরিনার কথা।

ডিবির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডা. সাবরিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেয়া হবে। এ মামলায় যে শাস্তি হয়, সাবরিনা ও তার সহযোগীদের জন্য তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে বলে জানাচ্ছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ এনে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। মামলায় পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড।

সেজন্য আইনজীবীরা বলছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে ডা. সাবরিনার সাত বছরের কারাদণ্ডও হতে পারে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তাদের সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানোর চেষ্টার কথাই বলছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন জাগো নিউজকে বলেন, ডা. সাবরিনা একজন প্রতারক হিসেবে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি প্রতারণা করে অনেক মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে খেলেছেন। তার বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের জেল। তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয় আমরা সেদিকে নজর রাখবো।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, মামলা তদন্তে জেকেজির চেয়ারম্যান নয়, আহ্বায়ক হিসেবে ডা. সাবরিনা চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আশা করছি এ মামলায় আমরা দ্রুত চার্জশিট দিতে পারব। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে তার পদে থাকার কোনো ডকুমেন্ট আমরা পাইনি। তবে আহ্বায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত থাকার কাগজ পাওয়া গেছে।

মামলার বাদী কামাল হোসেন বলেন, আমরা জেকেজি হেলথকেয়ারে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করে প্রতারিত হয়েছি। তাই আমি বাদী হয়ে একটি মামলা করেছি। দোষীরা শাস্তি পাক এটা আমি চাই। ডা. সাবরিনাসহ মামলার অপর আসামিরা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। তাদের বিচার হওয়া উচিত।

ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে করা মামলায় যে শাস্তি
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৭১/৩৪ ধারায় যে মামলা হয়েছে, তাতে সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। এছাড়া আরও বিভিন্ন শাস্তি রয়েছে।

মামলার ১৭০ ধারা মোতাবেক, ‘ভুয়া সরকারি কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেয়া যদি কোনো সরকারি কর্মচারী হিসেবে কোনো বিশেষ সম্পত্তি ক্রয় বা ক্রমের জন্য দরকষাকষি না করতে আইনত বাধ্য থাকা সত্ত্বেও নিজের নামে অথবা অন্য কারও নামে অথবা যুক্তভাবে অথবা অন্যান্যের সাথে অংশ নিয়ে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করেন বা ক্রয় করার জন্য দরকষাকষি করেন, তবে তিনি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন; এবং সম্পত্তিটি ক্রয় করা হয়ে থাকলে তা বাজেয়াপ্ত হবে।’

২৬৯ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো কার্য দ্বারা জীবনের পক্ষে বিপজ্জনক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াইতে পারে জানিয়াও অবহেলাবশত উহা করা কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোনো রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সেই ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।’

৪২০ ধারা মোতাবেক, ‘প্রতারণা ও সম্পত্তি সমর্পণ করিবার জন্য অসাধুভাবে প্রবৃত্ত করা কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে এবং অসাধুভাবে অপর কোনো ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তির অংশ বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, পরিবর্তন বা বিনাশ সাধনে প্রবৃত্ত করে অথবা অসাধুভাবে প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোনো স্বাক্ষরিত বা সিল মোহরযুক্ত বস্তুর সমুদয় অংশ বা অংশবিশেষ প্রণয়ন পরিবর্তন বা বিনাশ সাধনে প্রবৃত্ত করে যা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রমের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’

৪০৬ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্ৰম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।’

jagonews24

৪৬৬ ধারা মোতাবেক, ‘আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণে কোনো ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোনো বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোনো বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোনো জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সরকারি কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোনো সরকারি কর্মচারী দ্বারা তার সরকারি পদমর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে অথবা কোনো মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোনো কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।’

৪৭১ ধারা মোতাবেক, ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে বা অসাধুভাবে এমন একটি দলিলকে খাঁটি দলিল হিসাবে ব্যবহার করে, যে দলিলটি একটি জাল দলিল বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি যেন সে নিজে দলিলটি জাল করেছে, এমনভাবে দণ্ডিত হবে।’

ডা. সাবরিনাকে জামিন দিলে চিরতরে পালানোর শঙ্কা
দুই দফা রিমান্ড শেষে গত ২০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনাকে হাজির করে পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডা. সাবরিনাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। তার নাম ঠিকানা যাচাই করা হয়নি বিধায় ডা. সাবরিনা জামিনে গেলে চিরতরে পলাতক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, ‘রিমান্ডে থাকাবস্থায় সাবরিনাকে দফায় দফায় মামলার বিষয়ে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি মামলা সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা যাচাই-বাছাই চলছে। সাবরিনা তার সহযোগীদের (যাদের অনেকে আসামি) নিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে করোনাভাইরাসের পজিটিভ ও নেগেটিভ রিপোর্ট সরবরাহ করেছিলেন। নিরীহ লোকদের টাকা আত্মসাৎ এবং অবহেলার মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ বিস্তারে সহায়তা করে আসছিলেন সাবরিনা। তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রভাব খাটিয়ে স্বামী আরিফুল চৌধুরীর জেকেজি হেলথকেয়ারকে বিভিন্ন সরকারি কাজের আদেশ পাইয়ে দিতেন। ফলে জেকেজি হেলথকেয়ার বেপরোয়াভাবে সমাজের ক্ষতিসাধন করে এবং বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘ডা. সাবরিনা তার অপরাপর সহযোগীদের সহায়তায় করোনাভাইরাস মহামারির সময় অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে সমাজবিরোধী এবং ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। ডা. সাবরিনার প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকার সংক্রমিত রোগীদের অর্থের বিনিমিয় স্যাম্পল কালেকশন করে তা পরীক্ষা না করে হাজার হাজার ভুয়া সার্টিফিকেট (নেগেটিভ/পজিটিভ) দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে। এছাড়া বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের যাত্রার আগে জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে মিথ্যা মর্মে প্রমাণিত হয়েছে। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।’

‘মামলায় গ্রেফতার আসামি বিপ্লব দাস, মামুনুর রশীদ, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, আরিফুল চৌধুরী ও সাদি চৌধুরীর নিকট থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জাল সার্টিফিকেট (নেগেটিভ/পজিটিভ) উদ্ধার করা হয়। ডা. সাবরিনা জেকেজি হেলথ কেয়ারের অফিসে রক্ষিত ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে সরকারি লোগো ব্যবহার করে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মামলার এজহারনামীয় আসামি তানজিলা পাটোয়ারী ও হুমায়ূন কবির হিমু নিজেদের জবানবন্দিতে ডা. সাবরিনার নাম প্রকাশ করেছেন এবং তারা সাবরিনার জাল-জালিয়াতির সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষ মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের নিমিত্তে প্রয়োজনে আবার তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে’—বলা হয় প্রতিবেদনে।

গত ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ১৩ জুলাই তাকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। ১৭ জুলাই আরও দুদিনের রিমান্ডে নেয় ডিবি। দুই দফা রিমান্ড শেষে ২০ জুলাই তাকে কারাগারে পাঠান আদালত

জেএ/এইচএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,৩০,৭২,৪৭৫
আক্রান্ত

১৪,৬৫,১৮১
মৃত

৪,৩৫,৪৫,৮২৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬২,৪০৭ ৬,৬০৯ ৩,৭৮,১৭২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩৭,৫০,৪০৪ ২,৭৩,০৭২ ৮১,০৭,২০৩
ভারত ৯৪,৩২,০৭৫ ১,৩৭,১৭৭ ৮৮,৪৭,৬০০
ব্রাজিল ৬৩,১৪,৭৪০ ১,৭২,৮৪৮ ৫৫,৭৮,১১৮
রাশিয়া ২২,৬৯,৩১৬ ৩৯,৫২৭ ১৭,৬১,৪৫৭
ফ্রান্স ২২,১৮,৪৮৩ ৫২,৩২৫ ১,৬১,৪২৭
স্পেন ১৬,৪৬,১৯২ ৪৪,৬৬৮ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,১৭,৩২৭ ৫৮,২৪৫ ৩৪৪
ইতালি ১৫,৮৫,১৭৮ ৫৪,৯০৪ ৭,৩৪,৫০৩
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,১৮,৮০৭ ৩৮,৪৭৩ ১২,৪৯,৮৪৩
১১ কলম্বিয়া ১৩,০৮,৩৭৬ ৩৬,৫৮৪ ১২,০৪,৪৫২
১২ মেক্সিকো ১১,০৭,০৭১ ১,০৫,৬৫৫ ৮,১৮,৩৯৭
১৩ জার্মানি ১০,৫৫,৬০৭ ১৬,৫৩৩ ৭,২২,৩০০
১৪ পোল্যান্ড ৯,৮৫,০৭৫ ১৭,০২৯ ৫,৫৯,৪২৯
১৫ পেরু ৯,৬২,৫৩০ ৩৫,৯২৩ ৮,৯৩,০৬১
১৬ ইরান ৯,৪৮,৭৪৯ ৪৭,৮৭৪ ৬,৫৮,২৯২
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৮৭,৭০২ ২১,৪৭৭ ৭,৩০,৬৩৩
১৮ ইউক্রেন ৭,২২,৬৭৯ ১২,২১৩ ৩,৩৯,৩৭৮
১৯ তুরস্ক ৬,০৭,৬২৮ ১৩,৫৫৮ ৪,০০,২৪২
২০ বেলজিয়াম ৫,৭৬,৫৯৯ ১৬,৫৪৭ ৩৭,৩৮৩
২১ ইরাক ৫,৫০,৪৩৫ ১২,২২৪ ৪,৮০,৯০৩
২২ চিলি ৫,৫০,৪৩০ ১৫,৩৫৬ ৫,২৫,২১২
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,৩৪,২৬৬ ১৬,৮১৫ ৪,৪৫,৭৯৩
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,১৯,৭২৩ ৮,১৩৮ ৪,৪৪,৪০৬
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,১৮,৯১০ ৯,৩৪৯ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৭১,৫৩৬ ১১,১৯৩ ৩,৪৮,৮৫২
২৭ ফিলিপাইন ৪,২৯,৮৬৪ ৮,৩৭৩ ৩,৯৮,৬২৪
২৮ পাকিস্তান ৩,৯৮,০২৪ ৮,০২৫ ৩,৪১,৪২৩
২৯ কানাডা ৩,৭০,২৭৮ ১২,০৩২ ২,৯৪,৪১১
৩০ সৌদি আরব ৩,৫৭,১২৮ ৫,৮৮৪ ৩,৪৬,৪০৯
৩১ মরক্কো ৩,৫৩,৮০৩ ৫,৭৮৯ ৩,০২,৩১৪
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৫,৫৯৮ ২,৮৬৪ ৩,২৩,০৬৭
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,১৮,২৯০ ৪,৬৫০ ২,২২,১০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৯৪,৭৯৯ ৪,৪২৭ ২,০৯,৫৩৪
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৭৯,৭০৮ ৩,১০৫ ২,১৬,৯৯৮
৩৬ সুইডেন ২,৪৩,১২৯ ৬,৬৮১ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩১,৯৭৮ ১,৪৭৯ ২,১২,৫৯০
৩৮ জর্ডান ২,১৪,৩০৭ ২,৬৯৪ ১,৪৮,৫৭২
৩৯ হাঙ্গেরি ২,১১,৫২৭ ৪,৬৭২ ৫৫,৬৩৭
৪০ ইকুয়েডর ১,৯২,১১৭ ১৩,৪২৩ ১,৬৯,৮০৪
৪১ সার্বিয়া ১,৬৯,২১৪ ১,৫৪৯ ৩১,৫৩৬
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৬৭,৭৫৩ ৫৭০ ১,৫৪,১৮৫
৪৩ পানামা ১,৬৪,৭২৯ ৩,০৬০ ১,৪৩,৬১৬
৪৪ জাপান ১,৪৪,৬৫৩ ২,১০৬ ১,২১,৮৯১
৪৫ বলিভিয়া ১,৪৪,৬২২ ৮,৯৫২ ১,২১,৪৭২
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৩,৪৭৩ ২,৩৩০ ১,১৪,৮১৮
৪৭ বুলগেরিয়া ১,৪২,৪৮৬ ৩,৮১৪ ৪৮,৫৯৪
৪৮ কুয়েত ১,৪২,৪২৬ ৮৭৮ ১,৩৬,৪১৩
৪৯ কাতার ১,৩৮,৬৪৮ ২৩৭ ১,৩৫,৮৬২
৫০ কোস্টারিকা ১,৩৭,০৯৩ ১,৬৯০ ৮৪,৯৯১
৫১ বেলারুশ ১,৩৫,০০৮ ১,১৫১ ১,১৩,৩৭৫
৫২ আর্মেনিয়া ১,৩৪,৭৬৮ ২,১৪২ ১,০৭,৩৬৪
৫৩ জর্জিয়া ১,৩২,৩৬৮ ১,২৩০ ১,১০,০৪৯
৫৪ কাজাখস্তান ১,৩১,৬৫৯ ১,৯৯০ ১,১৬,৪৬১
৫৫ লেবানন ১,২৬,৯৪৪ ১,০০৪ ৭৬,৭৭৪
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২৬,৬১২ ১,৭১২ ১,০১,৮৩৮
৫৭ ওমান ১,২৩,৪৮৪ ১,৪১৮ ১,১৪,৯৬৩
৫৮ গুয়াতেমালা ১,২১,৯৭১ ৪,১৬৬ ১,১০,৫৮৮
৫৯ আজারবাইজান ১,১৮,১৯৫ ১,৩৬১ ৭৩,৬৭৬
৬০ মিসর ১,১৫,৫৪১ ৬,৬৩৬ ১,০২,৫৯৬
৬১ ইথিওপিয়া ১,০৯,৫৩৪ ১,৭০০ ৬৯,৩১৫
৬২ হন্ডুরাস ১,০৭,৮৮৮ ২,৯০৯ ৪৭,৬৮০
৬৩ মলদোভা ১,০৭,০১৭ ২,২৯০ ৯৪,৫৮৬
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৫,৭৩৩ ৮১৬ ৬৪,১৯৭
৬৫ গ্রীস ১,০৪,২২৭ ২,৩২১ ৯,৯৮৯
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০২,০৪০ ৮৯৪ ৯৬,৬৫২
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৬,২৫১ ৩,২১৯ ৬৯,৬২৪
৬৮ মায়ানমার ৮৯,৪৮৬ ১,৯১৮ ৬৮,৯১০
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৭,৩৭৪ ২,৬২০ ৫১,৪৭৯
৭০ বাহরাইন ৮৬,৭৮৭ ৩৪১ ৮৪,৯৭৭
৭১ চীন ৮৬,৫৩০ ৪,৬৩৪ ৮১,৬১৯
৭২ ফিলিস্তিন ৮৩,৫৮৫ ৭১৭ ৬৩,৮৩৪
৭৩ কেনিয়া ৮৩,৩১৬ ১,৪৫২ ৫৪,৯৭৫
৭৪ লিবিয়া ৮২,৪৩০ ১,১৬৬ ৫৩,২৬৬
৭৫ আলজেরিয়া ৮২,২২১ ২,৪১০ ৫৩,২০৪
৭৬ প্যারাগুয়ে ৮১,৯০৬ ১,৭৪৩ ৫৭,৯৪৭
৭৭ ডেনমার্ক ৭৯,৩৫২ ৮২৯ ৬২,৫১৪
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৫,৩৮১ ১,৩৮৪ ৫৩,৬৮৭
৭৯ উজবেকিস্তান ৭২,৮৭০ ৬০৮ ৭০,১৫১
৮০ কিরগিজস্তান ৭২,৪২৭ ১,৪৯৮ ৬৩,৭৮৯
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭২,২৪১ ২,০৫২ ২৩,৩৬৪
৮২ নাইজেরিয়া ৬৭,৪১২ ১,১৭৩ ৬৩,০৫৫
৮৩ মালয়েশিয়া ৬৪,৪৮৫ ৩৫৭ ৫২,৬৪৭
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬১,৫৪৩ ১,৭৩১ ৩৮,৪০০
৮৫ লিথুনিয়া ৬০,১৯৩ ৪৯৩ ১৪,১২০
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২১৩ ২৯ ৫৮,১২৪
৮৭ ঘানা ৫১,৫৬৯ ৩২৩ ৫০,৪৫০
৮৮ আফগানিস্তান ৪৬,২১৫ ১,৭৬৩ ৩৬,৭৩১
৮৯ এল সালভাদর ৩৮,৪০৫ ১,১১১ ৩৫,০৭৮
৯০ আলবেনিয়া ৩৭,৬২৫ ৭৯৮ ১৮,৪৮১
৯১ নরওয়ে ৩৫,৮২৮ ৩২৮ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৪,৮৮১ ৪৮৭ ২৩,৪৮৪
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৪,৫৩৯ ৩১২ ২৪,০৭৩
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৪,২০১ ৫২৬ ২৭,৬৫৩
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৯০২ ৯০৮ ২৫,৫৮৯
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৪,৬২৯ ৩৯৩ ১৬,৮০০
৯৭ ক্যামেরুন ২৪,১১৭ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৮ শ্রীলংকা ২৩,৪৮৪ ১১৬ ১৭,০০২
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,৩১০ ১৩১ ২০,৯৪৭
১০০ উগান্ডা ২০,১৪৫ ২০১ ৮,৯৮৯
১০১ জাম্বিয়া ১৭,৬০৮ ৩৫৭ ১৬,৯৮৩
১০২ সুদান ১৭,৪০৪ ১,২৩৫ ১০,১৭৫
১০৩ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৪ লাটভিয়া ১৬,৯৭৫ ১৯৭ ১,৭১৯
১০৫ সেনেগাল ১৬,০৭৫ ৩৩৩ ১৫,৫৯৭
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৬১৩ ১৩০ ১৩,৬৭৭
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,১০৩ ৩৪৬ ৭,৭৬৩
১০৮ নামিবিয়া ১৪,৩৪৫ ১৫১ ১৩,৪৩৯
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,০৯৬ ৭৩ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১৩,০৩৯ ৭৬ ১১,৯৮২
১১১ মালদ্বীপ ১২,৯৯৪ ৪৬ ১১,৯০২
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৭০২ ৩৩৩ ১১,৫৮৫
১১৩ তাজিকিস্তান ১২,১৫৫ ৮৬ ১১,৫৫৯
১১৪ এস্তোনিয়া ১২,০৫২ ১১২ ৭,০১০
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,১৭৯ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ কেপ ভার্দে ১০,৭৪৭ ১০৫ ১০,২২৯
১১৭ জ্যামাইকা ১০,৭০৯ ২৫৬ ৬,০৬৬
১১৮ সাইপ্রাস ১০,৩৮৩ ৪৮ ২,০৫৭
১১৯ বতসোয়ানা ১০,২৫৮ ৩১ ৭,৭১৭
১২০ জিম্বাবুয়ে ৯,৮২২ ২৭৫ ৮,৪৭২
১২১ মালটা ৯,৭৫২ ১৩৩ ৭,৫৫৭
১২২ হাইতি ৯,২৭২ ২৩২ ৭,৯৫১
১২৩ গ্যাবন ৯,১৯১ ৫৯ ৯,০৩৭
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৫৪৭ ১৭৫ ৭,৭১৭
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৬ কিউবা ৮,২৩৩ ১৩৪ ৭,৫৮৬
১২৭ রিইউনিয়ন ৭,৯৪০ ৪০ ৭,১৭২
১২৮ সিরিয়া ৭,৭৯৭ ৪১৩ ৩,৫০০
১২৯ বাহামা ৭,৫১৭ ১৬৩ ৫,৮৬৭
১৩০ এনডোরা ৬,৭১২ ৭৬ ৫,৭৯৪
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৬৬০ ১২০ ৫,৭৪৫
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,৪১০ ১২১ ৫,৯৯৬
১৩৩ হংকং ৬,২৩৯ ১০৯ ৫,৩৪০
১৩৪ মালাউই ৬,০২৫ ১৮৫ ৫,৪৫৩
১৩৫ রুয়ান্ডা ৫,৯১৯ ৪৮ ৫,৪৮০
১৩৬ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৭ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৩৮ বেলিজ ৫,৭৪৩ ১৪৭ ৩,১৩১
১৩৯ উরুগুয়ে ৫,৭১৬ ৭৬ ৪,২৬৭
১৪০ জিবুতি ৫,৬৭৭ ৬১ ৫,৫৭৭
১৪১ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪২ আইসল্যান্ড ৫,৩৮১ ২৬ ৫,১৬৮
১৪৩ গায়ানা ৫,৩৭৬ ১৫০ ৪,৩৪৬
১৪৪ সুরিনাম ৫,৩১২ ১১৭ ৫,১৯২
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৩ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৩ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৮৩৮ ৪৫ ৪,৬৭৯
১৪৯ মালি ৪,৬৮৮ ১৫২ ৩,১৭৮
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৫১ ১১৩ ৩,৪১৭
১৫১ থাইল্যান্ড ৩,৯৯৮ ৬০ ৩,৮০৩
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৩৪ ১২৩ ৩,৫৯১
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১০৯ ৬১ ২,৯৫৪
১৫৪ বেনিন ২,৯৭৪ ৪৩ ২,৮১৯
১৫৫ টোগো ২,৯৬২ ৬৪ ২,৪৬৪
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৮৫৬ ৬৮ ২,৫৯৩
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪২২ ৪৩ ২,৩০৯
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪১১ ৭৪ ১,৮৩৬
১৫৯ কিউরাসাও ২,৩৬৪ ১,১৩৮
১৬০ ইয়েমেন ২,১৭৭ ৬১৭ ১,৫০৪
১৬১ লেসোথো ২,১০৯ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৫৬ ২৫ ১,৯৫৯
১৬৩ চাদ ১,৬৮২ ১০১ ১,৫১৫
১৬৪ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৫ সান ম্যারিনো ১,৫৮৬ ৪৫ ১,২৮৫
১৬৬ নাইজার ১,৫১৬ ৭০ ১,২০৭
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩৪৩ ৩৫ ১,১৭৯
১৬৮ লিচেনস্টেইন ১,২৫৩ ১৫ ১,০২৪
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,২১৮ ৪৮ ৯৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৬২ ২৫ ৯৪৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০১৪ ৯৩২
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৭৯১ ৩৫৪
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৮ ৭০৬
১৭৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৫ সেন্ট মার্টিন ৬৯০ ১২ ৫৯৮
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮১ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৫১ ৫৬৫
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৪৫ ৫৮৮
১৭৯ কমোরস ৬১১ ৫৮৬
১৮০ মোনাকো ৬০৮ ৫৩৭
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ ফারে আইল্যান্ড ৫০২ ৪৯৮
১৮৪ মরিশাস ৫০১ ১০ ৪৪৩
১৮৫ ভুটান ৩৯৬ ৩৭৭
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩২৩ ৩০১
১৮৮ বার্বাডোস ২৭৫ ২৫০
১৮৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৭৪ ২৫২
১৯০ সেন্ট লুসিয়া ২৫৭ ১০৯
১৯১ বারমুডা ২৫১ ২১৩
১৯২ সিসিলি ১৭৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬২ ১৫৭
১৯৪ ব্রুনাই ১৫০ ১৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪১ ১৩০
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১২৭ ৯৪
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৭৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০২ লাওস ৩৯ ২৪
২০৩ ফিজি ৩৮ ৩৩
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩২ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]