ফেলনা জিনিসেই রূপচর্চা!
রূপচর্চার জন্য কী প্রয়োজন? বাজারে হয়তো রূপচর্চার জন্য হাজারটা দামী দামী সামগ্রী আছে, কিন্তু আপনার ঘরেই পড়ে আছে রূপচর্চার অনেক উপাদান। অবাক হচ্ছেন? দাঁড়ান দাঁড়ান! অবাক হওয়ার এখনও বাকি। প্রতিদিনের রান্নাবান্না কিংবা টুকটাক কাজের শেষে যে জিনিসগুলো আপনি ফেলনা ভেবে ফেলে দেন, তার ভেতরেই লুকিয়ে আছে রূপচর্চার অনেক কার্যকরী উপাদান। চলুন দেখে নিই সেগুলো কী এবং কী তার ব্যবহারের প্রক্রিয়া-
কমলার খোসা শুষ্ক ও কুঁচকে যাওয়া ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এজন্য কমলার খোসার সঙ্গে মসুর ডাল ও হলুদ বাটা মিশিয়ে নিয়ে মুখে লাগাতে হবে। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে তুলে ফেলুন। এতে এক ধরনের ঔজ্জ্বল্য চলে আসবে ত্বকে। পাশাপাশি ত্বক টানটান হবে অনেকটা।
তৈলাক্ত ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করবে লেবুর খোসা। এ জন্য লেবুর খোসা ও শশা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মুখে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে হালকাভাবে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহার করার পর লেবুর খোসা ফেলে না দিয়ে এরমধ্যে একটুখানি মধু নিয়ে কনুইয়ে ঘষুন। দেখবেন, কনুইয়ের কালো ছোপ চলে যাবে নিমেষেই।
ব্যবহৃত টি ব্যাগ হোয়াইটহেডস নিরাময়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি টি ব্যাগের ভেতরে থাকা উপাদান গুলো নিন তারপর আক্রান্ত অংশে ৪-৫ মিনিট লাগান। সপ্তাহে ২বার করলেই অনেকখানি উপকার পাবেন।
তরমুজ খাওয়ার পর এর খোসা ফেলে না দিয়ে সাদা অংশটুকু নিন। এবার এটুকু ব্লেন্ড করে ত্বকে লাগান। দেখবেন, ত্বকের পানিশূন্যতা দূর হবে এবং আপনি একটা ঠান্ডা অনুভূতি পাবেন।
মুখে দাগ থাকলে পাকা কলার খোসার সঙ্গে একটু মুলতানি মাটি, কয়েক ফোঁটা কমলার রস ও শশার রস মিশিয়ে মুখে লাগান। দাগ গায়েব হয়ে যাবে।
এইচএন/এমএস