মধুর গুণাগুণ


প্রকাশিত: ০৯:৩০ এএম, ২৭ মে ২০১৫

বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে মধুর ভেতরে ১৮১টি রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে। এই প্রাকৃতিক নির্যাসটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা সম্ভব নয়। মধু কখনো পচে না। কারণ, এটি নিজেই একটি পচনরোধক। ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ওষুধের একটি প্রধান উপাদান মধু। প্রতিদিন এক চামচ মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, নানা রোগের উপসমসহ জীবনীশক্তি বাড়িয়ে দেবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু খেলে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই মধুর গুণাবলির কয়েকটি-

১. মধহৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালী প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশীর কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
২. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৩. দাঁত পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।
৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে বার্ধক্য ঠেকাতে সাহায্য করে।
৬. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লাবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।
৭. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘাঁ-এর জন্য খুবই উপকারী।
৮. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
৯. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিস্কের কলা সুদৃঢ় করে।
১০. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা  পালন করে।
১১. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
১২. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।
১৩. জিহ্বার জড়তা দূর করে।
১৪. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
১৫. মধু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, ফলে শরীর হয়ে ওঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

এইচএন/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।