ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

সাদামাটা ও শোকসন্তপ্ত আয়োজনে জবি দিবস উদযাপন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় | প্রকাশিত: ০৯:৩৮ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

‎কুড়ি পেরিয়ে একুশ বছরে পদার্পণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। তবে এ বছর সাদামাটা ও শোকসন্তপ্ত আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকতা-কর্মচারীরা।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান, স্বপ্ন জয়ে অটল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যে জবি দিবস পালন করা হয়।

‎জানা যায়, ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর জগন্নাথ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কালীপূজা বা শ্যামাপূজার কারণে এ বছর ২২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। কিন্তু গত ১৯ অক্টোবর পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়েদ টিউশনি করতে গিয়ে খুন হন। জোবায়েদের স্মরণে এ বছর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শোকশপ্ত আয়োজন প্রশাসনের।

‎এদিন সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। এরপর পৌনে ১০টায় উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে থেকে বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নিয়ে র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে বের হয়ে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের মোড় ঘুরে বাহাদুর শাহ পার্ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরে আসে। এরপর বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে এক আলাচনা সভার মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

‎উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছরই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ধুমধামের সঙ্গে পালন হয়ে আসছে। তবে এ বছর কিছু সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে পুরো পরিবেশটি শোকাবহ হয়ে উঠেছে। সে কারণেই আমরা এবার দিবসটি সাদামাটাভাবে আয়োজন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

‎লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী তানজীম বলেন, প্রতি বছর নাচ-গানসহ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হয়। তবে এ বছর সবাই শোকে নিমজ্জিত। তাই সাদামাটাভাবে হলেও আমরা সন্তুষ্ট। সর্বোপরি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ কামনা করি।

‎আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের ঐক্যের প্রতীক। তবে জোবায়েদ ভাইয়ের মৃত্যুতে সবাই ভীষণ মর্মাহত। তাই আনন্দের চেয়ে শোকই আজ বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই শোকই আমাদের আরও সচেতন ও দায়িত্ববান জবিয়ান হিসেবে গড়ে তুলবে বলে বিশ্বাস করি।

টিএইচকিউ/ইএ/জিকেএস