ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

রাবি উপাচার্য

হলের পরিবেশ ঠিক না হলে মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েও লাভ হবে না

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | রাবি | প্রকাশিত: ০৬:২২ পিএম, ৩০ মার্চ ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে শতাধিক চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে লাভ নেই, যতক্ষণ না হলগুলোর স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গোড়া থেকেই কাজ করতে চাই।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২টায় ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হল পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্নুজান হলও পরিদর্শন করেন তিনি।

এসময় উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা যেখানে অবস্থান করে, সেই পরিবেশ যদি সুস্থ না হয়, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে থেকেই যাবে। তাই আমরা আবাসিক হলগুলোতে পরিষ্কার পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করতে চাই। এগুলো উন্নত করা গেলে আমি বিশ্বাস করি, মেডিকেল সেন্টারে শিক্ষার্থীদের চাপ কমে যাবে। যদি আমরা এই পরিবেশগুলো ঠিক করতে না পারি, তাহলে মেডিকেলে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েও কোনো লাভ হবে না। অবশ্যই আমরা মেডিকেল সেবার মানউন্নয়নে কাজ করবো, তবে যে কারণগুলো শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে, সেগুলোকে নিয়ে আমরা প্রথমে কাজ করতে চাই।

ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ হলগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যতগুলো ইনফ্রাসট্রাকচারে ঝুকিপূর্ণ দেখা দিয়েছে তারমধ্যে সবচেয়ে ভালনারেবল হচ্ছে শেরে-বাংলা ও মন্নুজান হল। আজকে আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুইটি হলেই পরিদর্শন করেছি। সত্যিই অনেক ক্র্যাক দেখতে পেয়েছি। রুয়েটের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন এই দুইটি হল ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো সংস্কারের জন্য বড় ধরনের বাজেট প্রয়োজন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব সরকারের কাছে সমস্যাগুলো তুলে ধরব এবং সমাধান চাইব।

অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক ভবন ও আবাসিক হলগুলো বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরিদর্শন করানো হবে। ঝুঁকির মাত্রা কতটুকু, আদৌ কোনো ঝুঁকি আছে কিনা—সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান এবং শেরে বাংলা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলাম। এছাড়াও শেরে বাংলা হল সংসদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/জেআইএম