ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

গণভোটে কেন নয়ছয়: ভিপিপ্রার্থী রাকিব

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | জবি | প্রকাশিত: ১২:৩৪ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনকারী দল বিএনপি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণভোট মেনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এখন গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ও  জকসুর ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপিপ্রার্থী একেএম রাকিব।

‌‘গণভোটে কেন নয়ছয়’ বলেও সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা জানান তিনি।

সোমবার (৩০ মার্চ) মধ্যরাতে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারির এই নেতা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এমন হুঁশিয়ারি দেন। মূলত গণভোট অধ্যাদেশ বিল বাতিল হওয়ার ঘোষণা প্রকাশ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেন এই ছাত্রনেতা।

সরকার দলের জোটে থাকা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি হিসেবে পরিচিত নুরুল হক নূরের ছাত্র সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের এই নেতা তার স্ট্যাটাসে বিএনপি ও সরকারের গণভোটবিরোধী অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেন।

জবি ছাত্ররাজনীতিতে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকা এই ছাত্রনেতা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে ‘জান দেব তবু জুলাই দেব না’ উল্লেখ করে লেখেন- গণভোটে কেন নয়ছয়!

বর্তমানে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং এদেশের সকল মুক্তিকামী সাধারণ মানুষসহ সবার কমন বিষয় হলো ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শরিক এবং জুলাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার। জুলাই সংগঠিত না হলে, একদিকে যেমন দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করা ও সবচেয়ে নির্যাতিত দল বিএনপি হয়তো ক্ষমতার আলো দেখতে পেত না; অন্যদিকে ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসা নেতারাও বিরোধী দলের ভূমিকায় অধিষ্ঠিত হতে পারত না এবং সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদী কাঠামো থেকে বের হতে পারতো না। সর্বোপরি, আজ যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ চলছে, তা কেবল স্বপ্নই থেকে যেত।

জুলাই অভ্যুত্থানে দলমত নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। এর ফলস্বরূপ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারের মূল দায়িত্ব ছিল সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যার একটি অংশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাস্তবায়ন করবে এবং বাকি অংশ একটি নির্বাচিত সরকার সম্পন্ন করবে। এরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গণভোট।

গণভোট কী এবং কেন এসব এখন পুরোনো আলাপ। শুধু গণহত্যাকারী, স্বৈরাচার এবং এ দেশকে ভারতের বর্গা দেওয়া আওয়ামী লীগ ছাড়া, এই গণভোটের বিষয়ে জুলাইপক্ষের প্রায় সবারই সম্মতি ছিল। এমনকি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীও গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন এবং গণভোটের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাহলে নির্বাচনের পর কেন গণভোট নিয়ে এত টালবাহানা? তবে কি সরকারী দল গণভোটের পক্ষে ছিলো না? যদি না ই থাকে তাহলে গণভোটের সিদ্ধান্ত মেনে কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে? স্রেফ একজন নাগরিক, জুলাই আন্দোলনকারী এবং স্বৈরাচার বিদ্বেষী হওয়ায় আমি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর চাই। আমি জুলাইর পক্ষের লোক তাই আজীবন ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে কাজ করবো, যেগুলো ফ্যাসিজমে পক্ষে যাবে সেগুলোর বিপক্ষে যাবো, এমনকি যারা জুলাইকে বিক্রি করবে তাদের বিপক্ষে লড়বো। জান দেবো কিন্তু জুলাই দেবো না।

টিএইচকিউ/এমআরএম