ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

সার্জেন্টের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জবিতে আন্দোলনের ডাক

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | জবি | প্রকাশিত: ০৪:১০ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৭

পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট কায়সার হামিদের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে মঙ্গলবার রাতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জবি ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রনিয়া সুলতানা ঝুমুর। 

তিনি বলেন, রমনা বিভাগের ট্রাফিক সার্জেন্ট কায়সার হামিদের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টায় একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ভাস্কর্যের চত্বরে মানববন্ধন হবে। 

শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় জবি শিক্ষার্থীদের বহনকারী দুটি বাস উল্টোপথে যেতে চাইলে দায়িত্বরত সার্জেন্ট কায়সার হামিদ বাধা দেন। পরে সঠিক পথেই গন্তব্যে যেতে বাধ্য হয় বাস দুটি। এ ঘটনায় বাসের কয়েকজন ছাত্র সার্জেন্টের সঙ্গে কথা বলতে আসলে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কা-ধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। 

ঘটনার পর সোমবার রাতে গণমাধ্যমকে সার্জেন্ট কায়সার বলেছিলেন, শিক্ষার্থী পরিবহনকারী বাসগুলো উল্টো পথে যেতে চাইলে আমি বাধা দেই। এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে বাসের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বাসে নিয়ে যায়। মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি। বাগবিতণ্ডা হয়েছে মাত্র। 

ঠিক একদিনের মাথায় সুর পাল্টে যায় সার্জেন্ট কায়সারের। উল্টো পথে বাস চলতে বাধা দেয়ায় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগে মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রমনা থানায় সার্জেন্ট কায়সার হামিদ বাদী হয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রায় ৩০-৪০ জন অজ্ঞাত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।  

মামলার এজাহারে তিনি দায়িত্ব পালনকালে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন। 

এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, সার্জেন্টের সঙ্গে ধাক্কা-ধাক্কি ও হাতাহাতি হয়েছে। তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে কেউ আঘাত করেনি। জবি ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রনিয়া সুলতানা ঝুমুর বলেন, এটি মিথ্যা মামলা। অজ্ঞাতনামা ৩০-৪০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করছি পুলিশের মিথ্যা মামলার প্রতি। 

জানতে চাইলে জবির প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ জাগো নিউজকে বলেন,  অামরা বিষয়টি নিয়ে ডিমএমপি কমিশনারের সঙ্গে অালোচনা করেছি। 

এসএম/জেডএ/এমএস

আরও পড়ুন