ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বদলে যাচ্ছে কাঠালিয়ার মানচিত্র

জেলা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ০৬:৩২ এএম, ২৫ মে ২০১৬

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে বিষখালী নদীর পানি বৃদ্ধি ও ভাঙন আতংকে রয়েছে নদী তীরবর্তী কাঁঠালিয়ার ১০ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার। যুগ যুগ ধরে অব্যাহত ভাঙনের কবলে ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে শত শত একর ফসলী জমি, বসতভিটা, ক্ষেত খামার ও স্থাপনা।

আর যে কোনো সময় বিলীন হওয়ার আশংকা ও হুমকির মুখে রয়েছে শৌলজালিয়া ইউনিয়নের রঘুয়ারচর, দড়িরচর, জয়খালী চিংড়াখালী, ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (আমুয়া), শত বছরের পুরনো আউরা ও আওরাবুনিয়া দুটি বাজার, আওরাবুনিয়া ও কাঁঠালিয়া দুই লাঞ্চ ঘাট এলাকার ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ফলে দিনে দিনে ছোট হয়ে আসছে ঝালকাঠির সর্বদক্ষিণের কাঠালিয়া উপজেলার ভৌগোলিক মানচিত্র।
     
বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে অবিরাম বৃষ্টিপাত ও স্বাভাবিকের চেয়ে ৩/৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন স্থানের বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ভাঙন প্রবণতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো এলাকা সর্বনাশা বিষখালীর পেটে চলে যাচ্ছে।
    
শৌলজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, রোয়ানুর প্রভাবে শনিবার দুপুরে রঘুরয়ারচর ও দড়িরচর এলাকায় বাঁধ ভেঙে ও উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। জরুরি ভিত্তিতে বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেয়া হলে যে কোনো মূর্হূতে ৪টি স্কুল, একটি মাদরাসা ও একটি বাজারসহ তালগাছিয়ার ৩টি গ্রাম নদীতে চলে যেতে পারে।
     
কাঁঠালিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া সিকদার জানান, বিষখালী নদীর পূর্বপাড় বরগুনার অংশে টেকসই বেড়িবাঁধ রয়েছে। কিন্তু পশ্চিম পাড়ে কাঁঠালিয়া অংশের ২০ কিলোমিটার এলাকায় কোনো বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের সামান্য পানি বৃদ্ধিতে কাঁঠালিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

এতে প্রতি বছর ধানের ক্ষেত, পানের বরজসহ কৃষি ও মৎস্য ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা ও শীত মৌসুমে নদী ভাঙনের কবলে বসতবাড়ি ও ফসলী জমি হারিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে শত শত পরিবার। দ্রুত কাঁঠালিয়া অংশে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
    
আতিকুর রহমান/এসএস/এবিএস

আরও পড়ুন