ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ময়মনসিংহে কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মুরগির

জেলা প্রতিনিধি | ময়মনসিংহ | প্রকাশিত: ০৫:৪৮ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে বেড়েছে মুরগির দাম। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজারে গিয়ে বাজার দরের এ তথ্য জানা গেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ বেড়েছে। এতে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে দেশি শিম ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, গোল বেগুন ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১১০ টাকা থেকে কমে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে কমেছে মটরশুঁটির দাম। মটরশুঁটি ১৪০ টাকা থেকে কমে ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ৪০টাকা, দেশি গাজর ৪০টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজিতে, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, লাউ ৭০ টাকা পিস ও লেবু ৪০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহ ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া স্থিতিশীল অবস্থায় সোনালি কক মুরগি ২৮০টাকা, সাদা কক মুরগি ২৭০ টাকা, খাসির মাংস এক হাজার ১৫০ টাকা ও গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ময়মনসিংহে কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মুরগির

বাজারে পাবদা ৪০০-৫৩০ টাকা, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০টাকা, রুই ৩২০-৪২০ টাকা, কালবাউশ ৩০০-৩৭০, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৪০-৬৪০ টাকা, টাকি ৪১০-৫৪০ টাকা, সিলভার কার্প ২১০-২৮০ টাকা, শোল ৫৯০-৬৪টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, মৃগেল ২৮০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা ও কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি কেনার সময় কথা হয় হাকিম মিয়া নামের একজন ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। এতে দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে দাম আরও কমলে ক্রেতারা আরও স্বস্তিতে কিনতে পারবে।

ব্রয়লার মুরগি কেনার সময় কথা হয় জুরল মিয়া নামের আরেকজন ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, পাইকারিভাবে দাম বেড়েছে এমন কথা বলে খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। ক্রেতারা বিক্রেতাদের নির্ধারিত দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

ময়মনসিংহে কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মুরগির

সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক বলেন, আড়ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিছুটা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। ফলে ক্রেতা পর্যায়ে দাম কমেছে। বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০টাকা কমে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা স্বস্তিতে সবজি কিনতে পারছেন।

মুরগি বিক্রেতা আরিফুল ইসলাম বলেন, দাম বাড়ানোর পেছনে আমাদের কারসাজি নেই। পাইকারিভাবে দাম বাড়ায় আমরাও ক্রেতাদের কাছে বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, বাজারে আমাদের নজরদারি রয়েছে। কোনো বিক্রেতা যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাড়তি দামে বিক্রি করছে এমন তথ্য জানতে পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/আরএইচ/জেআইএম