ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চাঁদপুর-৪ আসনে ১১৮ ভোটকেন্দ্রের ৮৯টি ঝুঁকিপূর্ণ

জেলা প্রতিনিধি | চাঁদপুর | প্রকাশিত: ০৯:২১ এএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও একই দলের স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর
মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনি মাঠ। এই পরিস্থিতিতে সহিংসতা রোধে উপজেলার ১১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৯টিকেই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ও ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে নামানো হচ্ছে সেনাবাহিনীসহ ৫ স্তরের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ জন। তারা ১১৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৭৩টি বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরই মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ৬৫১ জন নারীসহ মোট ৯ হাজার ৩৬৭ জন প্রবাসী ও সরকারি চাকরিজীবী ভোট প্রদান করেছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনি ঝুঁকি বিবেচনায় উপজেলার ৫১টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৩৮টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

এদিকে নির্বাচনি পরিবেশে উৎসবমুখর আমেজ থাকলেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কাও বিরাজ করছে। প্রচারণাকালে ঘটে যাওয়া কয়েকটি সহিংস ঘটনা এবং প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র বাগ্‌যুদ্ধ ভোটারদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। বিশেষ করে স্বতন্ত্র পরিচয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলীয় প্রার্থীর বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক ভোটকেন্দ্রগুলোর পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেক ভোটার।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া জানান, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন এবং ভোটগ্রহণের আগে ও পরে কোনো ধরনের সহিংসতা না ঘটে, সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মোতায়েন থাকবে ৩ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ২ প্লাটুন বিজিবি, ১ প্লাটুন র‌্যাব, ২৯৮ জন পুলিশ সদস্য এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করবেন ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটগ্রহণ পরিচালনায় নিয়োজিত থাকবেন ১২৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭৩৭ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৪৭৪ জন পোলিং অফিসার।

তিনি জানান, এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবেন। কোনো ধরনের সহিংসতা বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

শরীফুল ইসলাম/কেএইচকে/এএসএম