ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বগুড়ায় গোপনে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ১০:০৩ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বগুড়া শহরের সাতমাথায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাড়ে ৪টার পর সেখানে পতাকা উড়তে দেখা যায়। তবে কারা, কখন এই পতাকা উত্তোলন করেছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার পর সাতমাথায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের দোতলায় একটি প্লাস্টিকের পাইপের মাথায় জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা যায়। কার্যালয়টি ছাত্র ইউনিয়নের বগুড়া জেলা কমিটির কার্যালয় সংলগ্ন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।

ঘটনার পর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দিয়ে এর দায় স্বীকার করা হয়। পোস্টে বলা হয়, ‍“বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। আমাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারবা না। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। জয় হোক দেশরত্ন শেখ হাসিনার।”

সরেজমিনে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও ছাত্র ইউনিয়ন কার্যালয়ের মাঝামাঝি জায়গায় পতাকাটি লাগানো হয়েছে। তবে আশপাশের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলতে পারেননি।

ভবনটির পাশেই বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বগুড়া জেলা শাখার কার্যালয়। দলটির জেলা সভাপতি আমিনুল ফরিদ বলেন, ‘সকালে আমাদের দলীয় কর্মসূচি ছিল। বিকেল ৪টা পর্যন্ত আমরা অফিসেই ছিলাম। তখন পর্যন্ত কিছু দেখিনি। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসে দেখি পতাকা লাগানো। ধারণা করছি, আওয়ামী লীগের লোকজন সবার অগোচরে কাউকে দিয়ে এটি লাগিয়ে সটকে পড়েছে।’

জানতে চাইলে বগুড়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) মো. আতাউর রহমান বলেন, পতাকা লাগানোর বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। খবর পাওয়ার পর সন্ধ্যায় সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগের কার্যালয়গুলো জনশূন্য হয়ে পড়ে। এরপর ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা জাসদের কার্যালয়ে ভাঙচুরের পর আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এছাড়া বগুড়া চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙচুর করা হয়।

এলবি/এসআর/জেআইএম