ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সিরাজগঞ্জ

সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান দুই নারী

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৮:৪১ পিএম, ০১ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এখন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নিয়ে দেশজুড়ে চলছে জোর আলোচনা। ইতোমধ্যে সিরাজগঞ্জ-পাবনা সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এবার সিরাজগঞ্জের দুজন নারী বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাড়িয়েছেন যোগাযোগ। নিজের যোগ্যতা আর দলের জন্য ত্যাগ ও ভূমিকার কথা তুলে ধরছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে। কেউ কেউ আবার অবস্থান করছেন ঢাকায়। তবে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা নারী নেত্রীকেই বিএনপির হাইকমান্ড চূড়ান্ত করবে বলে তৃণমূলের প্রত্যাশা।

সংরক্ষিত আসনে অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে কে হচ্ছেন নারী এমপি। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নেতাকর্মীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে নানা মতামতও প্রকাশ করে চলেছেন। নির্বাচনের পর থেকেই সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের জন্য নানা জায়গায় ধর্ণা দিচ্ছেন নারী নেত্রীরা। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, দলীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের অফিস ছাড়াও বাসায় নারীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। সবার একই কথা, ভাই একটু খেয়াল রাইখেন।

সিরাজগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় রয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সদরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান।

সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা জাগো নিউজকে বলেন, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা নিয়ে একটি সংরক্ষিত নারী আসন গঠিত। এই দুই জেলা মিলে একজন নারী এমপি মনোনীত হবে। আমি এবারের সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। কাজীপুরের মানুষ বেশ আশাবাদীও ছিল। কিন্তু শেষমেষ আমি পাইনি। এতে আমার কর্মী সমর্থকরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। পরে তাদের নানাভাবে বুঝিয়ে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলাম। তারা ধানের শীষকেই বিজয়ী করেছেন। তবে আমি একটুও আশাহত হয়নি। কারণ আমি বিশ্বাস করি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অবশ্যই আমাকে মূল্যায়ন করবেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের আরেক প্রার্থী অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমি কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় একজন আইনজীবী হিসেবে আমি দলীয় নেতাকর্মীদের বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা দিয়েছি। বিএনপির রাজনীতি করায় একজন আইনজীবী হয়েও ১০টি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছিলাম। শুধু তাই নয়, একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছি, তবুও রাজপথ ছাড়িনি। আশা করছি, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী মহল আমাকে সংরক্ষিত আসনে মূল্যায়ন করবেন।

নারী সংসদ-সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, নারী সংসদ-সদস্য মনোনয়ন দেবে দলের হাইকমান্ড। কাদের মনোনীত করা হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে দলের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যারা রাজপথে লড়াই করেছেন, দল তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।

এম এ মালেক, সিরাজগঞ্জ/আরএইচ/এমএস