বাগেরহাট
জনবল সংকটে অধিদপ্তর, বিপাকে ভোক্তা
বাড়তি মূল্যে পণ্য বিক্রি, মানহীন শিশুখাদ্য, ভেজাল পণ্য ও ক্ষতিকর উপাদান মিশ্রিত খাদ্য বিক্রির অভিযোগসহ নানা অনিয়মের মধ্য দিয়েই চলছে বাগেরহাটের হাটবাজার। চলতি রমজান মাসেও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ করেছেন সচেতন মহল। তবে জনবল সংকটের কারণে আশানুরূপ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের।
ভোক্তা শাহিদুর রহমান বলেন, বাগেরহাটের বাজার মনিটরিংয়ের মতো এত অব্যবস্থাপনা আর কোথাও আছে বলে আমার মনে হয় না। নামেমাত্র একটা প্রতিষ্ঠান আছে। বাজারে ড্রেনের পাশে নোংরা পরিবেশে গরু জবাই করে প্রতিদিন। বিভিন্ন হোটেলে বাসি ও পচা খাবার বিক্রি করে। মেয়াদোত্তীর্ণ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রি হচ্ছে যা দেখার কেউ নেই। ভোক্তা অধিদপ্তরের এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখি না। আশা করি তারা জনকল্যাণে কাজ করবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক এস কে এ হাসিব বলেন, নোংরা পরিবেশে খাবার বানানো ও বিক্রি হয়। কিন্তু ভোক্তা অধিকারের দৃশ্যমান কোনো অভিযান দেখি না। তাদের কাছে অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয় না। অভিযোগ করলে বলে জনবল কম থাকায় কার্যক্রম ঠিকমতো করতে পারি না।

বাগেরহাট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানা বলেন, রোজায় এ পর্যন্ত বাগেরহাট জেলার ১৩টি অভিযানে ৩১টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে আশানুরূপ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ভোক্তারা অনেকে অভিযোগ নিয়ে এলেও সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় না।
নাহিদ ফরাজী/এফএ/এএসএম