পোকার আক্রমণে দেশে ১২ শতাংশ ধান বীজের ক্ষতি
দেশে কীটপতঙ্গের আক্রমণের কারণে ধানের সংরক্ষণকালীন ক্ষতি হয় ৭-১২ শতাংশ। শস্য কাটার-পরবর্তী ক্ষতি শুধু খাদ্যের ক্ষতি হিসেবেই নয়, বরং এটি উৎপাদনে ব্যবহৃত শ্রম, জমি, পানি, সার, কীটনাশক, শক্তি সম্পদেরও ক্ষতি।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশলী অনুষদের ডিন অফিসে আয়োজিত সংরক্ষিত ধানে ফসল-পরবর্তী ক্ষতি হ্রাসের জন্য স্মার্ট আল্ট্রাসনিক কীট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে গবেষকরা এমন তথ্য জানান।
গবেষকরা আরও জানান, বাংলাদেশে ধানের বীজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩৫.৮৩ লাখ টন। যদি যথাযথভাবে এগুলো সংরক্ষণ করা যায় তবে ধানের বীজের অঙ্কুরোদগম হার কমপক্ষে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এতে ৩ লাখ ৫০ হাজার টন ধানের বীজ সাশ্রয় হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া, বিএইউআরআইসির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়ালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কামরুজ্জামান মিন্টু/এনএইচআর/জেআইএম