ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ইলিশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

জেলা প্রতিনিধি | লক্ষ্মীপুর | প্রকাশিত: ০৬:২৬ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ইলিশ জাতীয় সম্পদ, এটা রক্ষা করার ব্যাপারে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। ছোট ইলিশ আমরা ধরবো না, আমাদের সম্পদ আমরাই রক্ষা করবো।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যানারে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।

জেলেদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই মাস ইলিশ না ধরলে, আপনাদেরই লাভ। পরে বড় ইলিশ ধরবেন। ছোট ইলিশতো কেউ ধরতে চায় না, সবাই চায় বড় ইলিশ ধরতে। আপনারা ইলিশ ধরা থেকে দুই মাস বিরত থাকলে, দেশের সম্পদ বাড়বে। এই সম্পদ আপনাদেরই। বড় ইলিশ ধরবেন, বাজারে বেশি দামে বিক্রি করবেন। টাকা যাবে আপনাদের পকেটে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদের সবার খোঁজ রাখেন, কে কীভাবে আছেন। আপনারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, সবাই পাবেন। কেউ কার্ড থেকে বঞ্চিত হবেন না। জেলেদের যে তালিকাভুক্তি করছি, যারা বাদ আছেন তাদেরকে তালেকাভুক্তির আওতায় আনবো। আপনারা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাবেন না। সরকার বলেছে, আপনাদের স্বার্থেই বলেছে। আপনারাই আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। আপনার কোনটা ক্ষতি কোনটা লাভ আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার বলতো, তারা নাকি উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। লক্ষ্মীপুরের মান্দারীর মৎস্য খামারটির অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়, উন্নয়নে তারা কী করেছেন। নামমাত্র উন্নয়নে দুর্নীতি করেছে, তারা লুটপাট করেছে। জনগণের সেবক হিসেবে আমরা কাজ করবো। জনগণের সেবা দেওয়ার জন্যই আপানার আমাদেরকে নির্বাচিত করেছেন।

ইলিশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ৪০ হাজার পরিবারকে আমরা সহায়তা দিচ্ছি। এর আগে শুধু চাল দেওয়া হতো। এবারের প্রকল্প ৪০ হাজার পরিবারকে যে সহায়তা দিচ্ছি, এতে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো লাগছে। আমাদের সরকারের মাত্র দেড় মাসের সরকার। যে পরিমাণ জিনিস দিচ্ছি, মিনিমাম কেউ কম পাবেন না। এখানে দুই মাসের খাবার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, জেলেদের কথা বিবেচনা করে প্রায় ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। আগে জেলেদের লিস্ট ঠিক ছিল না, এবার আমরা নতুন করে লিস্ট করেছি। আগে চাল দিতে দুর্নীতি করেছে। আমরা এবার সার্বক্ষণিক খোঁজ রেখেছি। দুর্নীতিকে কখনোই আমরা প্রশ্রয় দেবো না, এটা আমাদের অঙ্গীকার।

জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান ও বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।

কাজল কায়েস/এমএন/এমএস