ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রফিকুল ইসলাম খান

অন্তর্বর্তী সরকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল

জেলা প্রতিনিধি | জয়পুরহাট | প্রকাশিত: ০৯:৫৩ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কীভাবে হয়েছে তা দেশের জনগণ ও সাংবাদিকদের কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা প্রথম দিন থেকেই দলীয় সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এতেই প্রমাণ হয় যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে জয়পুরহাট শহরের ধানমন্ডি এলাকায় পৌর কমিউনিটি সেন্টারে জেলা জামায়াতের আয়োজনে ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টাদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক উপদেষ্টাই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অনেকেই দলীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছেন। আমরা তাদের এই ভূমিকাকে ধিক্কার ও নিন্দা জানাই।

বক্তব্যে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের একটি মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সারা দুনিয়ার লোকই জানে, উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আমরা জামায়াতকে ক্ষমতায় আসতে দিই নাই। অন্তত এতটুকু পেরেছি যে তাদেরকে বিরোধী দলে আসলেও মেইন স্ট্রিমে আসতে দিই নাই, মানে সরকার গঠন করতে দিই নাই।’

দেশের গণভোট ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান রফিকুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’এর পক্ষে রায় দিয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের মন্ত্রীরাও একসময় এই গণভোটের পক্ষে ভোট চেয়েছিলেন ও প্রচারণা চালিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা এখন বলেন, ‘গণভোট বলে কিছু নেই’, তাদের কাছে প্রশ্ন, আপনারা গণভোট মানেন কিনা? আপনারা সংস্কার মানেন কিনা? জাতির সামনে আপনাদের বিষয়টি ক্লিয়ার করা উচিত।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে রফিকুল ইসলাম সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক ঘটনাই আছে, যেখানে সরকার প্রথমে মানে না, কিন্তু এক পর্যায়ে মানতে বাধ্য হয়। বর্তমান সরকারও গণভোটের এই রায় বাস্তবায়নে একপর্যায়ে বাধ্য হবে।

সভায় জেলা জামায়াতের আমির ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্ব জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া, সহকারী সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম সবুজ, পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, শহর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মওলানা সাইদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে জেলার ৩২ ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ২৫ ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াতে ইসলামী চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত করে ঘোষণা করা হয়।

মাহফুজ রহমান/এমএন/এমএস