ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হতাশা কাটছে না বিলুপ্ত ছিটবাসীদের

প্রকাশিত: ০৭:৪৭ এএম, ৩১ জুলাই ২০১৬

দীর্ঘ ৬৮ বছরের বন্দী জীবনের অবসান হলেও হতাশা কাটছে না বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীদের। রোববার রাতে নতুন বাংলাদেশি হিসেবে এক বছর পূর্তি অনুষ্ঠান করবেন বিলুপ্ত ছিটবাসী।

লালমনিরহাটের তিন উপজেলার বিলুপ্ত ৫৯ ছিটমহলের নতুন বাংলাদেশিরা বিগত এক বছরে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের দৃশ্যমান অনেক কিছুই পেয়েছে। কিন্তু বাস্তাবায়ন হয়নি। এখনও চলাচলের জন্য পাকা রাস্তা, বিদ্যুৎ এবং স্কুল-কলেজ, ক্লিনিক পায়নি। এসব কারণে তাদের মাঝে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বিলুপ্ত ছিটমহলগুলো ঘুরে দেখা যায়, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার অভ্যন্তরে বিলুপ্ত ১৬ নম্বর ভোটবাড়ী ছিটমহলে একটি পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জনবল নিয়োগ ও জায়গা নির্ধারণ করা হলেও এখন পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করা হয়নি। বিদ্যুতের খুঁটি গেলেও কোনো পরিবার বিদ্যৎ পায়নি।

কুলাঘাটের বিলুপ্ত ভিতরকুটি ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সাবেক সভাপতি হারুন-উর রশীদ বলেন, ‘অনেকেই দীর্ঘ ৬৮ বছরের যাযাবর জীবন কাটিয়েছে। কেউ স্বাধীনতা দেখার আগেই মারা গেছেন। আজকে যারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাদের জন্যই বিলুপ্ত ছিটমহলে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি।

Sitmohol

পাটগ্রাম উপজেলার বাসকাঁটা বিলুপ্ত ছিটমহলের নেতা নজরুল ইসলাম জানান, রাস্তা না থাকায় আমাদের চলাচলের অনেক কষ্ট হয়েছে।

বিলুপ্ত ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের নেতা ও উত্তর গোতামারীর বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘মাত্র এক বছরে আমাদের ভাগ্যোন্নয়নে সরকারের যে আন্তরিকতা দেখেছি তাতে আমরা কৃতজ্ঞ। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সারাজীবন মনে রাখবে বিলুপ্ত ছিটমহলের মানুষ।`

জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,  লালমনিরহাটে মোট ৫৯টি বিলুপ্ত ছিটমহল রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় দুইটি, হাতীবান্ধা উপজেলায় দুইটি ও পাটগ্রাম উপজেলায় ৫৫টি বিলুপ্ত ছিটমহলের অবস্থান।
 
তবে পাটগ্রাম উপজেলার ভেতরে থাকা ভারতীয় ১৯টি ছিটমহলে কোনো জনবসতির নেই। সবকটি ছিটমহলে দশ হাজার ৩৭৬ জন অধিবাসী রয়েছেন। এর মধ্যে শুধু পাটগ্রাম উপজেলায় রয়েছে আট হাজার ৪৫২ জন বাসিন্দা।
 
রবিউল হাসান/এসএস/এমএস

আরও পড়ুন