কাকলীর চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন
দুই সন্তানের মধ্যে কাকলী খাতুন (৯) বড়। সে দুরারোগ্য এক ব্যাধিতে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে সঠিকভাব চিকিৎসা করতে না পারায় রোগের নামটাও এখনো জানতে পারেনি কাকলীর পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন হত দরিদ্র বাবা-মা।
কাকলী ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক আতিয়ার বিশ্বাস ও গৃহিণী চায়না বেগমের মেয়ে।
বাবা আতিয়ার বিশ্বাস জানান, কোনো রকমে তার ৪ সদস্যদের পরিবারের দিনাতিপাত হয়। যেখান সংসার চালানোই কষ্টসাধ্য সেখানে মেয়েকে শহুরে ডাক্তার দেখানো তার কাছে অবাস্তব কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না। 
কাকলী যত বড় হচ্ছে ওর রোগের উপসর্গও বাড়ছে। গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে দেখিয়েছি। কিন্তু ব্যয় বহুল আর উন্নত চিকিৎকসার অভাবে তার রোগটা কী সেটাও আমরা এখনো পর্যন্ত জানতে পারিনি।
মা চায়না বেগম দুঃখ করে বলেন, কাকলীকে বড় আশা নিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু তার অস্বাভাবিক দৈহিক গঠনের কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা তাকে দেখে ভয় পায়। তাই কাকলীর লেখাপড়াও এখন বন্ধ। তার মেয়ের সু-চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান তিনি।
আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/পিআর