ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পঞ্চগড়ে ৯ ইউপির ৬ টিতে আ.লীগ প্রার্থী জয়ী

প্রকাশিত: ১০:৪৬ এএম, ০১ নভেম্বর ২০১৬

পঞ্চগড়ে ইউপি নির্বাচনে ছিটমহল সংযুক্ত ৯ ইউনিয়নের ৬ টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য এক ইউনিয়নে বিএনপি এবং বাকি দুই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলযুক্ত হাফিজাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত গোলাম মুছা কলিমুল্লাহ ৪ হাজার ৫৮৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি মনোনীত ইসমাইল হোসেন পান ৩ হাজার ৪৫৭ ভোট।

হাড়িভাসা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইয়েদ নুরে আলম ২ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন পান ২ হাজার ৮৫৯ ভোট। বোদা উপজেলার সদর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত মশিউর রহমান মানিক ৪ হাজার ১৬০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত আবু বক্কর সিদ্দিক পান ২ হাজার ৬৩৮ ভোট।

এছাড়া ময়দানদিঘী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত আব্দুল জব্বার ৭ হাজার ৬২০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত হাবিব আল আমিন পান ৬ হাজার ৩৩ ভোট। মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত আবু আনসার মো. রেজাউল করিম শামীম ৭ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী রহুল আমিন প্রধান পান ২ হাজার ৫৩৯ ভোট। বড়শশী ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত মো. আফজাল হোসেন ৫ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ মনোনীত মো. ময়ুর রহমান পান ৪ হাজার ৪৬১ ভোট।

কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাউদ্দিন আলাল ৫ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ মনোনীত মনিরুজ্জামান শ্যামল পান ৪ হাজার ৪৯৭ ভোট। দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রিগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত গোলাম রহমান সরকার ৬ হাজার ৭২৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তাহের পান ৩ হাজার ৮৪১ ভোট। চিলাহাটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত কামাল মোস্তাহারুল হাসান নয়ন ৯ হাজার ১৭৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত সহিদুল আলম পান ৬ হাজার ৮৮৪ ভোট।

এদিকে সদর উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহলযুক্ত হাড়িভাষা ইউনিয়নে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার কন্ট্রোলরুম ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান আকতার, সহসভাপতি মুরাদসহ চার ছাত্রলীগ নেতা আহত হন।

আহতদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউনিয়নের আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী আবুল হোসেন বাদী হয়ে জামায়াত শিবিরের ২৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম মমিন বলেন, পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কোন ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। জামায়াত শিবিরের কিছু নেতাকর্মী কন্ট্রোলরুমে ইট পাটকেল মেরে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মারধর করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

সফিকুল আলম/এএম/আরআইপি