ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ভোলায় দুই মন্ত্রীর সফর বাতিল

প্রকাশিত: ১১:৪১ এএম, ০৪ নভেম্বর ২০১৬

ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ইলিশা ফেরিঘাট নদীতে বিলীন হওয়ার প্রায় সাত মাস পর নতুন ফেরিঘাট নির্মাণে নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ও পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের শুক্রবার ভোলায় আসার কথা ছিলো। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত দুই মন্ত্রীর সফর বাতিল করা হয়েছে। এতে স্থায়ীভাবে ফেরিঘাট নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত অনিশ্চিত হয়ে পড়লো।

তবে বিকেলে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা অস্থায়ী ফেরিঘাট নির্মাণে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে বৈঠক করেন বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ’র বরিশাল জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ নেওয়াজ কবির।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান সড়ক পথে ও পানিসম্পদ মন্ত্রী  আনিসুল ইসলাম মাহমুদ হেলিকপ্টার যোগে দুপুরে ভোলায় আসার কথা ছিলো। এদিন তারা মেঘনা নদীর ইলিশা অংশ পরিদর্শন করে নতুন ঘাট নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়ার কথা ছিলো।

এ বছরের ১১ এপ্রিল ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ইলিশা ফেরিঘাটটি মেঘনা নদীর ভাঙনের মুখে পড়ে। ওই দিনই ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বিআইডব্লিউটিসি’র কর্মকর্তারা। এতে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১৬ জেলার যোগাযোগ ব্যহত হয়। পরে বিকল্প হিসেবে ভেদুরিয়া ঘাট ব্যবহার করা হচ্ছিল। বিকল্প ওই ঘাট ব্যবহার করতে গিয়ে ৩৫ কিলোমিটার অতিরিক্ত ঘুরে ফেরি চলাচল করতে দুই ঘণ্টার স্থলে সাত থেকে আট ঘণ্টা সময় লাগে। যানবাহানগুলোকেও দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ইলিশা ঘাটের ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি ওই এলাকায় নতুন ফেরিঘাট নির্মাণের দাবি জানাতে থাকে ভোলার ফেরি বাস্তবায়ন ও স্বার্থরক্ষা উন্নয়ন কমিটির নেতারা। একই দাবি জানায় দূরপাল্লার বাস মালিক শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও। সর্বশেষ গতমাসে নৌ পরিবহন মন্ত্রী নদী বন্দর উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পানি বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে ভাঙনের মুখে পড়বে না এমন স্থানে ঘাট নির্মাণের ব্যবস্থা করবেন। ওই কথার ভিত্তিতে শুক্রবার দুই মন্ত্রীর ভোলায় আসার কথা ছিল।

বিআইডব্লিটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাহনেওয়াজ কবির জানান, দুই মন্ত্রীর সফর বাতিল হলেও অস্থায়ী ভিত্তিতে জরুরিভাবে ইলিশায় ঘাট নির্মাণে তারা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিকেলে ভোলার সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে বিআইডব্লিটিএ’র তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বরিশাল জোন) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (বরিশাল অঞ্চল) সাজেদুর রহমান, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জহির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরএআর/এবিএস