ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

৭ মাসেও মেরামত হয়নি রোয়ানু ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজ

প্রকাশিত: ০১:৪৩ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৬

প্রায় সাত মাস আগে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে ভেঙে যাওয়া ভোলার তজুমদ্দিনের একমাত্র চৌমুহনী লঞ্চঘাট ব্রিজ এখনো মেরামত হয়নি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন লঞ্চযাত্রী পথচারী ও ব্যবসায়ীরা।

ব্রিজের উভয়পাশের এপ্রোস ও সংযোগ সড়ক বিধ্বস্ত হওয়ায় ভারি বা হালকা কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না উপর দিয়ে। এতে মালামাল বহন মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে।

এছাড়াও জোয়ারের পানিতে ব্রিজটি ডুবে থাকে। তখন বিকল্প ব্যবস্থায় নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয় ভুক্তভোগীদের। গুণতে হয় বাড়তি টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত ২১ মার্চ ভোলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তজুমদ্দিন উপজেলায়। সেই ঝড়েই ভেঙে যায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের তজুমদ্দিন-চৌমুহনী লঞ্চঘাট চলাচলের একমাত্র ব্রিজটি। এতে গত ৭ মাস ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে করে ঢাকা, মনপুরা ও হাতিয়া যাত্রীদের আসা যাওয়ার পথে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

bhola

স্থানীয় ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন, কামরুল ও আওলাদ বলেন, ঢাকার সঙ্গে নৌপথে তজুমদ্দিনের যোগাযোগের সহজ মাধ্যম চৌমুহনী লঞ্চঘাট। লঞ্চঘাট দিয়ে মালামাল নামানো হলেও সেই পর্যন্ত চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কারণ চৌমুহনী ব্রিজের বেহাল দশার কারণে কোনো মালবাহী পরিবহন আসা-যাওয়া করতে পারে না।

যাত্রী লোকমান হোসেন, আলাউদ্দিন ও শিমুল বলেন, জোয়ার এলে ব্রিজটি কখনো পানিতে থাকে আবার ভাটায় জেগে উঠে। কিন্তু কোন মতে তা ব্যবহার করা যায় না। সড়ক থেকে ব্রিজটি আলাদা হয়ে আছে। বেশি সমস্যায় পড়তে হয় নারী ও শিশুদের।

স্থানীয়রা জানায়, প্রয়োজনের তাগিদে বিকল্প ব্যবস্থায় অনেকে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করলেও প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও তা মেরামত হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এ ব্যাপারে ভোলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, শুকনা মৌসুমে ব্রিজের সড়কসহ অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ করা হবে। তখন আর এ সমস্যা থাকবে না।

ছোটন সাহা/এএম/এবিএস