ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শরীয়তপুরে বখাটের হামলায় তিন ছাত্রীসহ আহত ৮

প্রকাশিত: ০৩:২৯ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৬

শরীয়তপুরের সদর উপজেলার বিনোদপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন ছাত্রীসহ আট জেএসসি পরীক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করেছে বখাটেরা। আহত শিক্ষার্থীদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তুলাসার ইউনিয়নের দেওয়ানকান্দি গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।  

আহত ছাত্রীরা জানায়, স্থানীয় সৌদি প্রবাসী সালাম দেওয়ানের বখাটে ছেলে শামিম দেওয়ান তার পাঁচ সহযোগীকে নিয়ে এ হামলা চালায়।

আহত শিক্ষার্থীরা হলো- বিনোদপুর ইউনিয়নের মনকোলা গ্রামের আব্দুর রব সরদারের মেয়ে মিম, মোশারফ ফরাজীর মেয়ে সুরমা আক্তার, ওহেদুল মাদবরের মেয়ে রহিমা আক্তার, হবি মাদবরের ছেলে মো. জসিম, নুরুল আমিন সরদারের ছেলে মাসুদ সরদার, এমদাদ শেখের ছেলে শেখ সজিব, চুন্নু মাদবরের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও আবু বক্করের ছেলে কাওসার মাহমুদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিনোদপুর পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস ইতিকে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া আসার পথে উত্ত্যক্ত করতো একই উপজেলার উপর গাঁও গ্রামের সালাম দেওয়ানের ছেলে শামিম দেওয়ান (২৪)।

বৃহস্পতিবার পরীক্ষা শেষে স্থানীয় আঙ্গারিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিল ইতি। উপর গাও ভাঙা রাস্তার কাছে পৌঁছালে শামিম ও সহযোগীরা পথরোধ করে ইতিকে উত্ত্যক্ত করে। এর প্রতিবাদ করায় বখাটেরা তাকে পিটিয়ে আহত করে।

এ সময় ইতির সহপাঠিরা প্রতিবাদ করলে শামিম দেওয়ান, আমির দেওয়ান এবং আবুল হোসেনসহ ১০-১২ মিলে শিক্ষার্থীদের নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করে।
 
বিনোদপুর পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিনই শামিম দেওয়ানসহ আরো কয়েক বখাটে এক পরীক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে। আজ প্রতিবাদ করলে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা করে আহত করে তারা। আমি এর বিচার চাই।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সুমন পোদ্দার বলেন, যে সকল শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে তাদের প্রত্যেকের শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।

পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খলিলুর রহমান বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থীও উপর হামলা হওয়ার খবর শুনেছি। তবে কী নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা নেই।

মো. ছগির হোসেন/এএম/পিআর