ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চিকিৎসক ও ওষুধ সংকটে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রকাশিত: ০৭:১৯ এএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৬

চিকিৎসক ও ওষুধ সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে পড়েছে ভোলার মনপুরা উপজেলার ৩১শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। মাত্র দুই জন চিকিৎসক ও দুই জন নার্স দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির কার্যক্রম। চাহিদামত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে চরফ্যাশন কিংবা জেলা সদরে। এমন অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মনপুরার বাসিন্দারা।

সূত্র জানায়, জেলা সদরের মূল ভূ-খণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সাগর উপকূলের দ্বীপ মনপুরায় এক লাখ মানুষের বসবাস। সেখানকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ১৯৯৬ সালে ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু শুরু থেকেই ডাক্তার-নার্সসহ নানা সমস্যায় চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা।এখানে সার্জারি, গাইনি, এনেসথেশিয়া ও মেডিসিন কনসালটেন্ট চিকিৎসক না থাকায় ছোট-খাট অপারেশনও হচ্ছে না। আর ওষুধ না থাকায় বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয় রোগীদের।

কলাতলীর চরের রহিমা, বিলকিস ও সুজানা বলেন, এখানে শিশু রোগীর কোনো চিকিৎসা নেই। শিশুদের নিউমোনিয়া হলে তাদের নিয়ে যেতে হয় ভোলা সদর কিংবা বরিশাল মেডিকেলে। সিরাজ উদ্দিন ও আবদুর রব বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে কোনো কাটা-ছেঁড়ার অপারেশন হয় না। সামান্য আঘাতের রোগী নিয়ে যেতে হয় ভোলাতে। এতে যারা দরিদ্র তাদের অনেক বেশি সমস্যায় পড়তে হয়।

haspatal

হামিদ ও সেরাজুল বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রায়ই ওষুধের সংকট থাকে। রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ নিয়ে আসতে হয়। এখানে কোনো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। প্রচণ্ড গরমে রোগীদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে  ১০ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র দুই জন।  অন্যদিকে ১১ জন নার্সের পরিবর্তে আছে মাত্র দুই জন। ফলে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ বিষয়ে মনপুরা হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুর রশিদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অপরদিকে, মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেকে ২০১৪ সালের দিকে ৩১ থেকে ৫১ শয্যায় উন্নতি করা হলেও এখনও চালু হয়নি ৫০ শয্যার কার্যক্রম।

ছোটন সাহা/আরএআর/আরআইপি