ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পিঠা বিক্রি করে স্ত্রীকে বিদেশ পাঠালেন ফারুক

প্রকাশিত: ০২:৪৫ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬

শরীয়তপুর সদর পৌরসভার আংগারিয়া বাজারের বাগদি বাজারে ১০ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করছেন ফারুক মাঝি (৫০)। সেই পিঠা বিক্রির টাকা দিয়ে নিজের স্ত্রীকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছেন তিনি।

জানতে চাইলে হাসি মুখে জানান পিঠা বিক্রির কথা। বলেন, বিক্রি বেশ ভালো। শীত তো এখনো সেভাবে পড়েনি। পড়লে বিক্রি আরও বাড়বে। তবে ভালো বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ১০ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করছি। আমি সাধারণত দুই ধরনের পিঠা বিক্রি করি, চিতই ও ভাপা পিঠা। প্রতিদিন ১ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা বিক্রি করি। প্রতিদিন সাড়ে ৫০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা লাভ হয়। শীত বাড়লেই পিঠা বিক্রি বেশি হয়। তাই একজনকে বেতন দিয়ে রেখেছি।

pita

দোকান থেকে প্রায়ই পরিবারের জন্য পিঠা কিনে নিয়ে যান সরকারি চাকরিজীবী শিখা বেগম। দোকান থেকে পিঠা কেনার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাকরি করার কারণে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয়। বাসায় ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। সময়ের অভাবে তাই দোকান থেকে কেনে খাই। তবে শীতের ছুটিতে পরিবারের সবার সঙ্গে মিলে শীতের পিঠা বানিয়ে খাই।

শিখা বেগম আরও বলেন, এখানে ভাপা পিঠা ৫ ও চিতইও ৫ টাকা। যদিও রাস্তার পাশের খাবার খাওয়া ঠিক নয়। তবুও দামে সস্তা হওয়ায় খেতে হচ্ছে।

দিনের বেলা পিঠা খুব একটা বিক্রি না হলেও সন্ধ্যার পর সাধারণত মানুষের ভিড় দেখা যায় ফারুকের দোকানে। ব্যস্ততার কারণে যারা এখনো শীতের পিঠার স্বাদ নিতে পারেননি তারা সময় করে ঘুরে আসতে পারে ফারুকের পিঠার দোকান থেকে।

মো. ছগির হোসেন/এএম