না.গঞ্জে জসিম হত্যা : কিলিং মিশনে অংশ নেয় ৫ জন
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চর সৈয়দপুরে একটি পরিবহন অফিসে সিমেন্ট কারখানার শ্রমিক জসিমউদ্দিন চৌধুরী হত্যার কিলিং মিশনে ৫ জন অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাদের সহযোগী আমিনুল হক (৫৫)।
আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওই ঘাতক জানান, মূলত সিমেন্ট কারখানার শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় আমিনুল হক নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ চর সৈয়দপুর এলাকা থেকে আমিনুল হককে (৫৫) গ্রেফতার করে। তিনি চর মোক্তারপুর এলাকার আসমত আলীর ছেলে এবং দৌলত মেম্বার বাহিনীর সদস্য।
জসিম হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এসআই আজিজুল হক হাওলাদার জানান, আমিনুল হক জবানবন্দিতে আদালতকে জানিয়েছেন, মেট্রো সিমেন্টের লেবার কন্ট্রাক নিয়ে দৌলত মেম্বার বাহিনীর সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল।
বিরোধের জেরে জসিমকে একটি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে এনে আমিনুল হকসহ ৫ জন। পরে দৌলতের অফিসের ২য় তলায় নিয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়। মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করে রুমের দরজা আটকে রাখা হয়। পরে আমিনুল হক নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে সিলেট চলে যান। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত হলে ফিরে আসেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকার জসিম উদ্দিন চৌধুরীর (৩৫) নিখোঁজের ৫দিন পর মঙ্গলবার আলোচিত ডাকাত দলের সর্দার দৌলত মেম্বারের মালিকানাধীন সম্রাট ট্রান্সপোর্টের অফিস থেকে জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় অবস্থিত মেট্রো সিমেন্ট কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় দৌলত মেম্বারকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ১১ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
মো: শাহাদাত হোসেন/এএম