ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সেই কৃষক পরিবারের সঙ্গে আপসের চেষ্টা

প্রকাশিত: ০২:৫৫ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০১৭

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের কৃষককে পুলিশের মারধরের ঘটনা প্রকাশের পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কৃষক আবদুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের আপস করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ নেতা, দারোগা ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে এসে চিকিৎসা বাবদ ৭ হাজার টাকা ও কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। আবদুল মালেকের মেয়ে শাহনাজ পারভীন রাজি না হওয়ায় বিষয়টি আপস হয়নি। পরে ফিরে যান তারা।

আবদুল মালেকের মেয়ে শাহানাজ পারভীন বলেন, সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশের আলী নাসির, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান আলী, কায়দার রহমান ও একজন দারোগা আমার চাচা আবদুল হাইকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার বেলা ১০টার দিকে হাসপাতালে আসেন।

তারা আমাকে ডেকে আপোসের জন্য কাগজে সই করতে বলেন। আমি রাজি হইনি। আমি বলেছি, আমার আব্বা সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো আলাপ হবে না।  

এ সময় কায়দার রহমান আমাকে বলেন, তোমরা যা পারো করো, কিছু হলে আমরা এর মধ্যে নেই। এরপর আমার চাচার কাছে দেয়া ৭ হাজার টাকা ওরা ফিরিয়ে নিয়ে নেন।

আবদুল মালেক বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যান এসেছিলেন দেখতে। তিনি আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন। তারা আমার মেয়ের সঙ্গে আপোষের কথা বলেছে। মেয়ে রাজি হয়নি।

জানতে চাইলে সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশের আলী নাসির বলেন, আবদুল মালেককে আমরা দেখতে গিয়েছি। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে আপসের চেষ্টা করা হয়নি। আমরা তার চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছি।

গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইমতিয়াজের নেতৃত্বে সাদাপোশাকধারী পুলিশ আবদুল মালেক নামের ওই কৃষককে বেধড়ক মারধর করে।

প্রথমে তাকে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। কৃষক আবদুল মালেক কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর গ্রামের বেলায়েত আলীর ছেলে।

মিলন রহমান/এএম