ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যশোরের সব সরকারি অফিসে সিটিজেন চার্টার টাঙানোর নির্দেশ দুদকের

প্রকাশিত: ০৮:২৬ এএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

যশোরের সব সরকারি দফতরে এক সপ্তাহের মধ্যে সিটিজেন চার্টার প্রকাশ্য স্থানে টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম।

একইসঙ্গে সরকারি অফিসগুলোতে দালাল প্রতিরোধে নোটিশ বোর্ডে কর্মকর্তা কর্মচারীদের পরিচয়, মোবাইল ফোন নম্বর, কাজ ও সেবাপ্রাপ্তির স্থান উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার যশোর জিলা স্কুল অডিটোরিয়ামে গণশুনানির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

এসময় তিনি বলেন, এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা দুদক অনুসন্ধান করে দেখবে। এর ব্যত্যয় ব্যবস্থা হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে দুদক কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, দুর্নীতিকারীদের চিহ্নিত করতে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ দেয়া যাবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগের শাস্তির হার বেড়েছে। নয় মাস আগে অভিযোগের শাস্তির হার ছিল ৩৭ শতাংশ। বর্তমানে ৫৫ শতাংশ অভিযোগের শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। শাস্তির হার শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য দুদক কাজ করছে।

গণশুনানি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (প্রতিরোধ) কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. আবুল হাসান, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি যশোর শাখার সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক ও সদস্য জাহিদ হাসান টুকুন।

দ্বিতীয় পর্বে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর। ৪৮ জন সেবাগ্রহীতার শুনানিতে জেলা পুলিশ, কোতয়ালি থানা, সমাজসেবা অধিদফতর, শিক্ষা অফিস, যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগের বিষয়ে উত্তর দেন সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে সমস্যার বিষয়বস্তু শুনে তা সমাধানের নির্দেশ দেন দুদকের কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম।

মিলন রহমান/এফএ/এমএস