ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ভিডিও ভাইরাল : আদালতে মামলা

জাগো নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:০১ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

যশোরের মণিরামপুরে স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে পর্নগ্রাফি আইনে মামলা করা হয়েছে। বুধবার ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বাদী হয়ে যশোর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বুধবার আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ মামলার আসামিরা হচ্ছেন, মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামের বাসিন্দা বাঘারপাড়া থানার পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) হাবিবুর রহমানের ছেলে রুমান, একই উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আজিজুর গাজীর ছেলে রয়েল হোসেন ও মোর্শেদ গাজীর ছেলে রুবেল হোসেন।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংস্থা যশোর শাখার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তারপরও পুলিশ ধর্ষণ মামলা নেয়নি। ঘটনার ১৭দিন পর ভিকটিম বাদী হয়ে পর্নগ্রাফি আইনে আদালতে মামলা করেছে।

গত ২৯ জানুয়ারি মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় থেকে ওই ছাত্রীকে রুমান, রয়েল হোসেন ও রুবেল হোসেন অপহরণ করে।

এরপর মণিরামপুর উপজেলার নলতা গ্রামের সাখাওয়াত কবিরাজের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের চিত্র ওই তিন যুবক ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

অভিযোগ উঠেছে, মণিরামপুর থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ ও রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ আইন উদ্দিন ধর্ষণ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য আসামিপক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন।

এজন্য তারা অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। প্রথমে তারা এ ঘটনায় কোনো মামলা নিতে রাজি হয়নি। পরে মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকরা তৎপর হলে গত ৭ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়।

এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এদিন আদালতে জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়। পুলিশ ধর্ষণের মামলা না নেয়ায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।

মানবাধিকার কর্মীরা মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে। কিন্তু পুলিশ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। অবশেষে ঘটনার ১৭ দিন পর বুধবার ভিকটিম বাদী হয়ে আদালতে পর্নগ্রাফি আইনে মামলা করেছে। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

মিলন রহমান/এএম/আরআইপি

আরও পড়ুন