ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পাহাড়ে জনসংহতি সমিতির আল্টিমেটামের শেষদিন আজ

প্রকাশিত: ০৫:৫৪ এএম, ৩০ এপ্রিল ২০১৫

পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে শুক্রবার (১ মে) থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমার অসহযোগ আন্দোলনের আল্টিমেটাম আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। আর এ অসহযোগ আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পার্বত্যাঞ্চলের (বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি) মানুষ।

জানা যায়, ১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনও চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করছে জনসংহতি সমিতি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হচ্ছে, চুক্তির ৭২ টি ধারার মধ্যে অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে।

এদিকে সন্তু লারমার অসহযোগ আন্দোলন নিয়ে উদ্বিগ্ন পার্বত্যাঞ্চলের মানুষ। তবে এ বিষয়ে জনসংহতি সমিতি শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জলি মং মারমা বলেন, আন্দোলনের প্রস্তুতি গোপনীয় ।  

তবে সন্তু লারমার অসহযোগ আন্দোলন সর্ম্পকে জাগো পার্বত্যবাসী আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল বলেন, সন্তু লারমা সদরে আন্দোলন করতে পারবে না । জাগো পার্বত্যবাসীসহ সমমনা সংগঠনগুলোকে নিয়ে তাদের আন্দোলন প্রতিহত করব। বৃহস্পতিবার বিকালে সন্তু লারমার অসহযোগ আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য করণীয় ঠিক করব ।

জেএসএসের ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে এরই মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন বেশ কয়েক দফা বৈঠকও করেছে। এসব বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বান্দরবানের পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, অসহযোগ আন্দোলন কর্মসূচির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়। শান্তি চুক্তির পরে প্রায় দুই হাজার সশস্ত্র যোদ্ধাসহ আত্মসমর্পণ করেছিলেন সন্তু লারমা । ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত এ দুই দশকের সশস্ত্র লড়াইয়ে এই সংগঠনটির হাতে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ, সেনাবাহিনী, পুলিশ মারা যাওয়ার অভিযোগ আছে। ১৯৯৭ সালে চুক্তির পর স্বাভাবিক হয়ে আসে পার্বত্য পরিস্থিতি।

এসএস/আরআইপি