ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

তিস্তায় ডুবে নিহত বিজিবি সদস্যের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত: ০৬:০০ এএম, ৩০ জুন ২০১৭

লালমনিরহাটের দহগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় গরুপাচার রোধ করতে গিয়ে তিস্তা নদীতে ডুবে নিহত বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টায় তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আটঘরিয়ায় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন এলাকার হাজারও মুসল্লি। পরে তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বিজিবি শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একদল সদস্য মরদেহ তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। এসময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশীর কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। সুমনের মরদেহ এক নজর দেখতে রাত থেকেই শত শত মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমান।

শুক্রবার সকাল ৭টায় বিজিবি সদস্যরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হক, পইল ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সুমনের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন মধ্যরাতে (ঈদের দিন) লালমনিরহাটের দহগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় গরুপাচার রোধ করতে গিয়ে তিস্তা নদীতে নিখোঁজ হন বিজিবি-১৫ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া। ২৮ জুন সকালে তিস্তা নদীর ভারতীয় অংশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পরে দুই দেশের পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ দেশে নিয়ে আসে বিজিবি।

গত ২৭ জুন সকালে সুমনের বাড়িতে খবর আসে তিনি তিস্তা নদীতে নিখোঁজ রয়েছেন। খবর পাওয়ার পর থেকে সুমনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন।

নিহত বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আটঘরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিমের ছেলে। ১৪ ভাই বোনের মাঝে সুমন ১২তম। তিনি ছিলেন খুব আদরের। তিনি ২০১২ সালে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হলেও তার কোনো সন্তান নেই। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/এমএস