ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কক্সবাজারে টমটম ধর্মঘট, দুর্ভোগে যাত্রীরা

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ১০:১৮ এএম, ২৩ আগস্ট ২০১৭

কক্সবাজার শহরে চলমান অবৈধ টমটম (ইজিবাইক) জব্দের প্রতিবাদে শহরজুড়ে টমটম ধর্মঘট চলছে। বুধবার সকাল থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়।

টমটম না চলায় যানজট মুক্ত শহরের দৃশ্যটি সবার মাঝে অন্য রকম লেগেছে। তবে এতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অবৈধ টমটম ও আনাড়ি চালকদের কারণে শহরে একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার সকালে আনাড়ি চালকের কারণে মোটেল রোডে সংঘটিত দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও ছয়জন আহত হওয়ার পর প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে।

শনিবার থেকে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে শহরে টমটমের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এই অভিযানে শতাধিক টমটম আটক ও কয়েকটি টমটম তৈরির কারখানা সিলগালা করে দেয়া হয়।

টমটম থেকে সুবিধা ভোগীরা এতে ক্ষেপে উঠেন। তারা টমটম মালিক ও চালক সমিতির নামে ধর্মঘট ডেকে টমটম চলাচল বন্ধ করে দেয়। তবে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ধর্মঘট ডাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগটা বেশি।

tom-tom-strick

বুধবার সকাল থেকে শহর ঘুরে দেখা যায়, শহরের কোনো সড়কে টমটম না চলায় অন্যরকম শহরে পরিণত হয়। প্রধান সড়কের মোড়ে মোড়ে টমটম চালক পরিচয়ে কিছু লোক অবস্থান করে বিক্ষোভ করছে।

একই সঙ্গে তারা সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ অন্যান্য গাড়ি চলাচলে বাধা দিচ্ছে। এমনকি গাড়িতে হামলাও করছে।

এই নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। কয়েকটি ব্যাটারিচালিত রিকশার চাকা পাংচার করে দিয়ে চালককে মারধরও করতে দেখা গেছে। এই নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গেও টমটম চালকদের বাকবিতণ্ডা হয়েছে।

কক্সবাজার টমটম মালিক ও চালক ঐক্য পরিষদের সভাপতি নাজিম উদ্দীন জানান, লাইসেন্সধারীসহ ঢালাওভাবে টমটম আটকের কারণে মালিক ও চালকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এই কারণে আজকে জেলা প্রশাসক ও পৌর মেয়রের সঙ্গে বসার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু টমটমের অন্য সংগঠনের নেতারা তার আগেই ধর্মঘট ডেকে বসেছে। আমরা এর কিছু জানি না।

জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, শহর ও মানুষের ভালোর জন্যই টমটমের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। কিন্তু কিছু টমটম শ্রমিক নেতা নেপথ্যে থেকে টমটম মালিক ও চালকদের উস্কে দিয়ে ধর্মঘট ডাকিয়েছে। আমরা ওই নেপথ্য কারিগরদের খুঁজে বের শাস্তি আওতায় আনবো।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/জেআইএম