কনস্টেবলকে কুপিয়ে হত্যা : নিহতের পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় পুলিশ কনস্টেবলকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যসহ ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভাঙচুর, লুটপাট ও বিস্ফোরণের অভিযোগে বুধবার দুপুরে আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়ার ইসমাইলের স্ত্রী নাসিমা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে নিহত পুলিশ কনেস্টবল রুবেল মাহমুদ সুমনের বাবা রূপ মিয়াকে। তবে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের হওয়ার পর কালাপাহাড়িয়ায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।
নাসিমা বেগম মামলায় উল্লেখ করেছেন, ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রূপ মিয়ার নেতৃত্বে ও হুকুমে ধারালো দা, ছুরি, টেঁটা, বল্লম, হকিস্টিক, লাঠি শোটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, ককটেল ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়া তাদের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায় এবং কয়েকটি ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় রূপ মিয়ার সন্ত্রাসী বাহিনী ভাগিনা নয়ন (১৫), চাচাতো ভাই আনোয়ার (৩০), সোহেল (২৭), তার স্বামী ইসমাইল (৪০), চাচা আব্বাছ আলীকে (২৮) ধারালো অস্ত্র ও টেঁটা দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। এ সময় রূপ মিয়ার লোকজন গরু, ছাগলসহ স্বর্ণ, রূপা ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৮০ লাখ টাকার লুটপাটসহ ক্ষতিসাধন করে। এ সময় তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করে চলে যায়।
আড়াইহাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শাহাদাত হোসেন/আরএআর/আরআইপি