ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নারায়ণগঞ্জে ভিডিও বিতরণ করে পুলিশ কনস্টেবল হত্যার প্রতিবাদ

জেলা প্রতিনিধি | নারায়ণগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে পুলিশ কনস্টেবল রুবেল হত্যাকাণ্ডের মুহূর্তে ধারণ করা ভিডিও স্মার্ট ফোনে বিতরণ করে প্রতিবাদ জানিয়ে হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবি করেছে এলাকাবাসী। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়া এলাকায় বিভিন্ন লোকজনের স্মার্ট ফোনে শেয়ারইট ও ম্যাসেঞ্জারে ভিডিওটি বিতরণ করা হয়।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় মঙ্গলবার রাতে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল।

গ্রেফতাররা হলেন- কালাপাহাড়িয়া গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে পাভেল (৩০) একই গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে ইয়াছিন (২৬)।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট এলাকায় ম্যাসেঞ্জারে নেয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ভিডিও সম্পর্কে রূপগঞ্জ থেকে আসা ইসমাইল হোসেন বলেন, ভিডিওতে দেখা যায় একজন ব্যক্তিকে গ্রামের সড়কে হত্যার পর লাশবাহী খাট দিয়ে কিছু দূর নিয়ে খালি স্থানে ফেলে দেয়া হচ্ছে। এতে পুরুষদের পাশাপাশি একাধিক নারীকেও দেখা যায়। ভিডিওটি স্পর্শকাতর। আমিও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। হত্যাকারীদের যেন দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়।

এরআগে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় পোস্টারিং করেছে এলাকাবাসী। পোস্টারে মামলার প্রধান আসামি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম স্বপনকে ৮ বছরে পৃথক ৮টি খুনের হোতা দাবি করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, রুবেল হত্যা মামলার ৩২ আসামির মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের নিয়ে অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল রুবেল মাহমুদ সুমন ঈদের ছুটিতে ১ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়িতে আসেন। ওইদিন দুপুরেই কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম স্বপন দলবল নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে রুবেলকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। রুবেল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রূপ মিয়া মেম্বারের ছেলে। এ ঘটনায় ৩২ জনের নামে মামলা করেছে রুবেলের বড় ভাই কামাল হোসেন।

শাহাদাত হোসেন/আরএআর/জেআইএম

আরও পড়ুন