ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সোনাগাজীতে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের কাজ বন্ধ করে দিল এলাকাবাসী

জেলা প্রতিনিধি | ফেনী | প্রকাশিত: ০২:৪৩ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

ফেনীর সোনাগাজীতে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ এনে আশ্রয়ণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী খাজা আহম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনও পুনরায় কাজ শুরু হয়নি।

এলজিইডি, স্থানীয় গ্রামবাসী ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে বহুমুখী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় সুলাখালী খাজা আহম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন তলা বিশিষ্ট আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ৪৮৯ টাকা। প্রকল্পটির কাজ পান এসএস-এই জয়েন্ট ভেনচার। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজের তদারকি করেন ঠিকাদার দীপঙ্কর বণিক।

jagonews24

৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেন ২০১৬ সালের ৩ জুলাই থেকে। ইতোমধ্যে ঢিমেতালে কাজ করার কারণে প্রকল্পের মাত্র ৩০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের বালি, পাথর এবং মরিচা পড়া রড় দিয়ে ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নিলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোস্তফা মিনহাজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র মোতাবেক কাজের গুনগত মান বজায় রেখে পরবর্তী কাজ করার নির্দেশ দেন।

jagonews24

এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইট সুপার ভাইজার রনি চাকমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রামবাসীর বাধার মুখে বর্তমানে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শতাধিক গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিম্নমানের কাজের অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই এবং বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করি।

এলজিইডি ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ আলম পাটোয়ারী জাগো নিউজকে বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। কাজের মান যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

জহিরুল হক মিলু/এমএএস/আরআইপি