ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ঝিনাইদহে গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট

জেলা প্রতিনিধি | ঝিনাইদহ | প্রকাশিত: ১১:৪০ এএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৭

ঝিনাইদহ জেলায় এবার গ্রাম অঞ্চলে গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যার কারণে বিচালির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, খামারিদের গরুর খাবার জোগাড় করতে হিমসিশ খেতে হচ্ছে। সাধারণ গো-খাদ্য হিসেবে ধানের বিচালি/খড় গরুর প্রধান খবার।

গতবার আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ধানের ফলন আশানুরূপ না হওয়ায় কৃষক বিচালি সংরক্ষণ করতে পারেনি। এতে করে বিচালির দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গ্রামের মানুষ যারা ১-২টা করে গরু পালন করেন তারা এবার ঘাসের অভাবে গরু বিক্রি করছেন কমমূল্যে। জেলার কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে গরু প্রতি ১০/১৫ হাজার টাকা কম।

আরও দেখা গেছে, মধুহাটি, সাধুহাটি, সাগান্না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে গরুর ঘাস সংগ্রহ করতে সাধুহাটি কৃষি খামারে এসেছেন কয়েকশ খামারি। ধানের বিচালি কেটে গরুর জন্য নিচ্ছেন মালিকরা।

সদর উপজেলার সাধুহাটির জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার গরুর খাদ্য না থাকায় ৫০ হাজার টাকার গরু ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

একই গ্রামের শফিউদ্দীন জানান, তারও গরুর খাদ্য নেই। তার ৪৫ হাজার টাকার গরু ২৯ হাজার টাকা দাম উঠেছে। অন্যদিকে হাটে কোনো ব্যাপারী নেই, তাই গরুর দাম পড়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, দাম যাই হোক, বিচালি পাওয়া যাচ্ছে না। যার কারণে খামারিরা অনেকেই খাদ্যের অভাবে গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।

গরুর ব্যাপারী হ্যাবা মোল্লা জানান, বাজার একেবারে ডাউন। কারণ গরুর বিচালি না থাকায় গরুর বেচা-কেনা কম। ১০০ টাকার বিচালি কিনতে হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। তবে এ অবস্থা বেশিদিন থাকবে না। নতুন ধান উঠলেই বাজার ঠিক হয়ে যাবে।

আব্দুল রসুল ব্যাপারী জানান, দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে ব্যাপারী আসছেন না হাটবাজারে। হাটে যদি বাইরের ব্যাপারী না আসে তবে বাজারে বেচাকেনা হয় নাকি? হাটে ব্যাপারী নামলেই গরুর দাম উঠে যাবে।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এএম/আইআই