ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কনস্টেবল রুবেলের মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ

জেলা প্রতিনিধি | নারায়ণগঞ্জ | প্রকাশিত: ১১:২৮ এএম, ১০ এপ্রিল ২০১৮

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম’ ইউনিটের সদস্য রুবেল মাহমুদ সুমনের মরদেহ তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এই হত্যা মামলায় গ্রেফতারর আবুল কালামকে তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার মামলার বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মহসীনের আদালত শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সোলেমান মিয়া বলেন, সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রুবেল মাহমুদ সুমনের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় নিহতের শরীরে ৭টি আঘাত রয়েছে। অথচ সুরতহাল রিপোর্টে পুলিশ উল্লেখ করেছে ১৫টি আঘাত। এরমধ্যে ডাক্তার ৮টি আঘাত বাদ দিয়ে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দিয়েছে। এতে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করেছিলাম। আদালত আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

এ হত্যাকান্ডে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের কালাপাহাড়িয়া গ্রামের মৃত. আজগর আলীর ছেলে পাবেল (৩০) দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিতে বলেছিলেন, কনস্টেবল রুবেল মাহমুদ সুমন ঈদের ছুটিতে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়িতে আসে। ওইদিন দুপুরেই পূর্বশত্রুতার জের ধরে আড়াইহাজার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম স্বপনের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রুবেল মাহমুদ সুমন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ২০/২৫জন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সকলে পালিয়ে যায়।

রুবেল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রূপ মিয়া মেম্বারের ছেলে। এ ঘটনায় ৩২ জনের নামে মামলা করেছে রুবেলের বড় ভাই কামাল হোসেন। এ মামলায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

আরএআর/জেআইএম

আরও পড়ুন