ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘সন্ত্রাসীরা সাধারণ পাহাড়িদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে’

জেলা প্রতিনিধি | খাগড়াছড়ি | প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ১২ মে ২০১৮

পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত নয় বরং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলছে। সাধারণ পাহাড়িদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করছে সন্ত্রাসীরা। আধিপত্ত বিস্তারের লড়াইয়ে পাহাড়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে দাবি করেছেন ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

‘গোষ্ঠী-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গড়ি, সম্প্রীতির খাগড়াছড়ি’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন আয়োজিত হেডম্যান-কার্বারী সম্প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কুজেন্দ্র লাল বলেন, সরকার সংবিধানের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতি গোষ্ঠীদের প্রথা ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে হেডম্যান কার্বারী প্রথা চালু রেখেছে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের অশুভ শক্তিতে তারা তাদের ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারছেন না। তাই নিজেদের অধিকার ও কর্তব্য সর্ম্পকে সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এ সম্প্রীতি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।

এসময় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মো. আলী আহম্মেদ খান সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক স্বদেশ কৃত্তি চাকমা ও কারবারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রনিক ত্রিপুরা।

পাহাড়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে একটি সুখী, সুন্দর ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে হেডম্যান-কার্বারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে বক্তারা বলেন, হেডম্যান-কার্বারীগণ পাহাড়ের প্রাণস্বরূপ। গুটিকয়েক স্বার্থনেস্বী মহলের কাছে পাহাড়বাসী জিম্মি থাকতে পারে না। পাহাড়ে সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বানও জানান বক্তারা।

সমৃদ্ধ পাহাড়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়ি টাউন হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সম্প্রীতি সম্মেলনে ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাসহ ৫৫ জন হেডম্যান ছাড়াও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাঁচ শতাধিক কার্বারী অংশগ্রহণ করেন।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এফএ/জেআইএম

আরও পড়ুন