শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে যাত্রীদের ভিড়
কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে বুধবার সকাল থেকেই ছিল কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চ ও স্পিডবোটের যাত্রী বেড়ে যায়। তবে আজও ফেরিতে যানবাহন সংকট থাকায় দীর্ঘ সময় ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে ফেরিগুলোকে। যাত্রী চাপ বেশি থাকায় লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বোঝাই হয়ে পদ্মা পাড়ি দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ঘাট এলাকায় কর্তব্যরত বিআইডব্লিউটিয়ের কর্মকর্তারা। বিষয়টিকে তারা সহনীয় লোড বলে এড়িযে যাচ্ছেন।
জানা যায়, লঞ্চে ভিড় বেশি থাকায় যাত্রী নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিআইডব্লিউটি, ফায়ার সার্ভিস ,আনসার সদস্যদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে দক্ষিণাঞ্চলের সকল জেলা থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনের সঙ্গে সঙ্গে এ রুটের ফেরি, লঞ্চ,স্পিডবোটেও বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ রয়েছে। এ দিকে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থেকে কাঁঠালবাড়ির ১নং ফেরি ঘাটের র্যাম প্লাবিত হয়েছে। নদীতে বেড়েছে স্রোতের গতিবেগ।

বিআইডব্লিউটিংয়ের মাওয়া নৌ বন্দরের সহকারী পরিচালক শাহাদাত হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে মঙ্গলবার যাত্রী চাপ কম থাকায় বুধবার লঞ্চে যাত্রী চাপ বেশি। যাত্রী ধারণক্ষমতা দেখে নয় সহনীয় পর্যায়ে লোড করা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় ও ওভারলোড ঠেকাতে পুলিশ, বিআইডব্লিউটিয়ের,ফায়ার সার্ভিস, আনসার যৌথভাবে কাজ করছে। কোনো অবস্থাতেই ওভারলোড ও বাড়তি ভাড়া আদায় সহ্য করা হবে না।
বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাটের সহকারী ম্যানেজার মো. মমিন উদ্দিন বলেন, পানি বৃদ্ধি পেয়ে কাঁঠালবাড়ি ১নং ফেরি ঘাটের র্যাম প্লাবিত হওয়ায় সেটি স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে। লঞ্চে ও ফেরিতে যাত্রী চা থাকলেও এখনও ফেরি ঘাটে যানবাহন সংকট রয়েছে।
এ কে এম নাসিরুল হক/আরএ/জেআইএম