ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মরিয়মের পাশে এখন অনেকেই

জেলা প্রতিনিধি | সাতক্ষীরা | প্রকাশিত: ০৭:৫৫ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০১৯

জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা মরিয়মের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আবু শাহিন ও পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। গতকাল সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মরিয়মকে দেখতে যান সিভিল সার্জন ও পুলিশ সুপার।

এসময় পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান শিশু মরিয়মের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন ও চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেন মরিয়মের মা লাইলী বেগমের হাতে।

satkhira

এর আগে রোববার বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন বাবা হারা পাঁচ বছরের শিশু মরিয়ম আক্তার। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয় শিশুটি। ভেঙে যায় একটি পা। অচেতন অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

মরিয়মের বাবা হাবিব হোসেন মারা গেছেন কয়েক বছর আগেই। মা লাইলী বেগম শহরের বাঁকাল এলাকার আবুল রাইস মিলের শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। মিল মালিকের কুড়ে ঘরেই শিশু মরিয়মকে নিয়ে থাকেন তিনি। মরিয়মের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া গ্রামে।

Satkhira-4

মরিয়মের মা লাইলী বেগম জাগো নিউজকে বলেন, আমি রাইস মিলে শ্রমিকের কাজ করি। স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন অনেক আগেই। রোববার বিকেলে মিলের শ্রমিক আব্দুল কাদেরের সঙ্গে ঘরের বাইরে যায় মরিয়ম। বাইপাস সড়কে একটি মোটরসাইকেল মরিয়মকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে মরিয়ম। অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা মরিয়মকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। মরিয়মের বাম পা ভেঙে গেছে। চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাড় হচ্ছিল না পরবর্তীতে সিভিল সার্জন স্যার ও এসপি স্যার ব্যবস্থা করেছেন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহিন জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হয়ে সেবা দিচ্ছে মরিয়মকে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে মরিয়ম সুস্থ হয়ে উঠবে। তাছাড়া একটি পা ভেঙে গেছে সেটিও ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, রোববার রাতেই জরুরিভাবে তার সিটিক্যানসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো করা হয়। সরকারি ফি নিয়েছিল দায়িত্বরত কর্মকর্তা। মানবিক এ ঘটনাটি দৃষ্টিতে আসার পর সরকারি ফিও তার মায়ের হাতে ফেরত দেয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়ভার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করছে।

আকরামুল ইসলাম/এমএএস/জেআইএম