ভিডিও EN
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ১০ লাখ মেরে দিলেন কাস্টমস কর্মকর্তা

জেলা প্রতিনিধি | জামালপুর | প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২০

জামালপুরের ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দরে রাজস্ব ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে টাকা আত্মসাতের দায়ে কাস্টমস কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের ১২ বছর এবং ইমারুল হক নামের এক ব্যবসায়ীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুরের স্পেশাল জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দরের সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী ইমারুল হক।

দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকার মুখী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে পলাতক। আর ইমারুল দিনাজপুরের হাকিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মেসার্স শেরপুর ট্রেডার্সের মালিক। বর্তমানে কারাগারে তিনি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দরে রাজস্ব ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ১০ লাখ ২২ হাজার ৪৫৬ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৩ সালের ৬ আগস্ট কাস্টমস কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী ইমারুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তদন্ত করে ২০১০ সালের ১৫ জুন দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

পরস্পর যোগসাজশে সরকারি রাজস্ব ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ১০ লাখ ২২ হাজার ৪৫৬ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রফিকুল ইসলামকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ ১১ হাজার ২২৮ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।

পৃথক আরেকটি ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আর ইমারুল হককে তিন বছরের কারাদণ্ড, ৫ লাখ ১১ হাজার ২২৮ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

দুদকের আইনজীবী মো. লুৎফর রহমান বলেন, টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পৃথক দুটি ধারায় রফিকুল ইসলামকে ১২ বছর ও ইমারুল হককে তিন বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মামলার শুরু থেকে রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আদালত দণ্ডপ্রাপ্তদের কাছ থেকে আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

এএম/পিআর