লকডাউনেও জামালপুরের হাটবাজার জমজমাট
জামালপুরের প্রশাসনের লকডাউন না মেনে যথারীতি বসেছে সাপ্তাহিক হাটবাজার। এতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। সরকার করোনা সংক্রমণ রোধে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, হাটবাজার বন্ধ ঘোষণা করলেও উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় লকডাউন মানা হচ্ছে না।
জামালপুরে দুজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরপরই পুরো জেলা লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। পরে আরও দুজনের শরীরে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
লকডাউনে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি দিনে ও রাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, গণজমায়েত, গণপরিবহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। যাতে জেলার সব মানুষ তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারেন।

কিন্তু প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা না মেনে শুক্রবার জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গুঠাইল বাজারে সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটে হাজারো মানুষের সমাগম হয়। এটি উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট হিসেবে পরিচিত। আশেপাশে কয়েক ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা তথা জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক সমাগম হয় এই হাটে। যেখানে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জেলা প্রশাসন সমস্ত জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেছে; সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় জমজমাট হাট বসেছে। এতে করে ঝুঁকি বাড়ছে করোনার। সামাজিক দূরত্ব না মেনে এমন গণজমায়েতের ফলে হুমকির মুখে পুরো জেলা।
ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটের ইজারাদারদের হাট বসাতে নিষেধ করা হয়েছিল। শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামাল সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে কেনাবেচার নির্দেশ ছিল। কিন্তু হাটের ইজারাদাররা আদেশ অমান্য করে হাটের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের আদেশ অমান্য করায় ইজারাদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এএম/পিআর
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ যানজট নিরসনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- ২ নির্বাচনি এলাকায় দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে: গণপূর্তমন্ত্রী
- ৩ বন্ধ বাফার গোডাউনের লোড-আনলোড, অপেক্ষায় সারবোঝাই অর্ধশত ট্রাক
- ৪ যশোরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহার অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
- ৫ অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় হয় না : ড. মোশাররফ