পুকুরের সবচেয়ে বড় মাছটি ধরা দিল রনির বড়শিতে
রাজশাহী নগরীর সাগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. রনি পেশায় একজন পারটেক্স মিস্ত্রি। ছোটবেলা থেকেই শখ মাছ ধরার। সেই শখ থেকেই রাজশাহীর কর্ণহার থানা এলাকায় মো. মতিউর রহমানের ১০ বিঘার পুকুরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন রনি ও তার দুই বন্ধু। ঘণ্টাখানেক বসে থাকার পর বড়শিতে ধরা পড়ে একটি বিশালাকৃতির ব্ল্যাক কার্প মাছ। মাছটির ওজন ১৭ কেজি।
রনি জানান, রোববার (১ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে মাছটি বড়শিতে আটকা পড়ে। পরে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় মাছটি ডাঙায় তুলতে সক্ষম হই। পরে আবারো আরেকটি ১০ কেজি ব্ল্যাক কার্প ধরা পড়ে।
তিনি বলেন, মাছ ধরার শর্ত ছিল আমাদের বড়শিতে যে মাছ উঠবে সেই মাছগুলো কিনে নিতে হবে। তবে ১০ কেজি ওজনের মাছটি পুকুর মালিক নিজেই রেখে দেন। তাই ওই মাছের টাকা দেয়া লাগেনি। আর ১৭ কেজি ওজনের মাছটি ৩০০ টাকা কেজি দরে আমি ও আমার বন্ধু মিজানুর রহমান কিনি। এতে পাঁচ হাজার ১০০ টাকা দাম পড়ে।’

‘বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এলাকায় মাছটি নিয়ে আসি। এতে অনেকেই আবদার করেন মাছটি নেয়ার জন্য। পরে মাছটি কেটে দুই ভাগ করে বন্ধু মিজানের ভাগ বুঝিয়ে দিয়ে প্রতিবেশী ও আমাদের মাছ শিকারি গ্রুপের বন্ধুদের মধ্যে বন্টন করে দিই।’
রনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘পুকুরের সবচেয়ে বড় মাছটি ধরার কারণে পুকুর মালিক মতিউর ভাই বেশ মন খারাপ করেছেন। তবে, এতো বড় মাছ ধরতে পেরে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত।’

মাছচাষি মতিউর রহমান বলেন, ‘রনি আমার খুব কাছের ছোট ভাই। মাছ ধরাতে তার প্রচণ্ড নেশা। আমার পুকুর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা আতিকের সে খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কয়েক মাস ধরে সে আবদার করে আমার পুকুরে মাছ শিকার করবে। তাই আজ তাকে শর্ত সাপেক্ষে মাছ ধরতে দিই। শর্ত ছিল যে মাছটি ধরবে সেই মাছটি কিনে নিতে হবে।’
ফয়সাল আহমেদ/এসআর/জেআইএম
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ অন্তর্বর্তী সরকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল
- ২ বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
- ৩ মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয় সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়: সংস্কৃতি মন্ত্রী
- ৪ ‘পানিতে ডুবে কাঁচা ধান চোখের সামনে পচে যাচ্ছে, চিন্তায় ঘুম অয় না’
- ৫ মাদারীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের ভরাডুবি