ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

২২ ঘণ্টা পর খুলে দেওয়া হলো সেই মাদরাসা

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া | প্রকাশিত: ০৫:১১ পিএম, ৩০ আগস্ট ২০২১

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের পাশে রেলের জায়গায় ভবন নির্মাণের অভিযোগে জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা সিলগালা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল পাকশী বিভাগের ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান মাদরাসাটি সিলগালা করেন।

এদিকে, মাদরাসা সিলগালা করার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর সোমবার (৩০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাদরাসার তালা খুলে দেয়া হয়।

জানা গেছে, ১৯৭৪ সালে উপজেলার সান্তাহার জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানাটি স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় রেলের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে ৬০০ শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি ধীরে ধীরে মাদরাসাটি সম্প্রসারণ করা হয়।

সেইসঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে লিজ নেয়ার জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাদরাসাটি লিজ পাওয়া যায়নি। এমন পরিস্থিতিতিতে রোববার বিকেলের দিকে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল পাকশী বিভাগের ভুসম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামান হঠাৎ ওই মাদরাসায় অভিযান চালিয়ে সিলগালা করে দেন।

jagonews24

সোমবার সকালে মাদরাসা প্রাঙ্গনে পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ আলী সরদার স্বপনসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য ও মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সান্তাহার পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশরাফুল ইসলাম মন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম চম্পা, কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুসসহ স্থানীয় নেতারা বৈঠক করেন।

বৈঠক থেকে ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি মাদরাসার তালা খুলে দিতে সম্মত হন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় সান্তাহার রেলওয়ে প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভূসম্পত্তি বিভাগের লোকজন গিয়ে মূলগেটে করা সিলগালা খুলে দেয়।

মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মাহাবুবুল ইসলাম জানান, মাদরাসার পাশে পুকুর ও বেশ কিছু দোকান রয়েছে। সেগুলো লিজ নিয়ে নিয়মিত খাজনা দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু মাদরাসাটি লিজ নেয়ার জন্য বার বার ঘুরেও লিজ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, শেষপর্যন্ত গত দুই বছর আগে রেল মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। রেলমন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবেদনটি গ্রহণও করেন। তবে এখন পর্যন্ত মাদরাসার লিজ অনুমোদন করা হয়নি।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের পাকশী বিভাগের ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকার কল কর হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এএএইচ/এএসএম