পটুয়াখালীর সেই কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি
ফাইল ছবি
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল কোডে প্রশ্নপত্র সরবরাহ ও একই বিষয়ে দুবার পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র সচিব আবদুল জলিলকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কেন্দ্র সুপার (আহ্বায়ক) কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৫ নভেম্বর) মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী সরকারি রহমান ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা বিষয়ের (বিষয় কোড-১৫৩) দুবার পরীক্ষা নেওয়া হয়।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুচ জানান, পরীক্ষার সেট কোড ভুল করে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করায় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব আব্দুল জলিলকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্রের আহ্বায়ক প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মালেককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, একই বিষয়ের দুবার পরীক্ষা দেওয়া পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র চিহ্নিত করে মূল্যায়ন করা হবে যাতে ওই শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টাপর ভুল কোডে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে ওই প্রশ্ন-খাতা প্রত্যাহার করে নির্ধারিত সেট কোডের প্রশ্নপত্রে নতুন খাতায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানায়, উপজেলার সুবিদখালী সরকারি রহমান ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৯১ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। যথাসময়ে সকাল ১০টায় বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে সেট কোড- ৩ এর প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ভুলে পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হয় সেট কোড- ১ এর প্রশ্নপত্র। পরীক্ষা শেষের দিকে ভুলটি ধরা পরলে তড়িঘড়ি করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভুল প্রশ্নপত্র এবং খাতা তুলে নিয়ে পুনরায় নির্ধারিত (সেট কোড-৩) কোডের প্রশ্ন সরবরাহ করে সময় বাড়িয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
এ উপজেলায় এবার দুই হাজার ২১২ জন এসএসসি, ৫১৮ জন দাখিল ও ২২৪ জন পরীক্ষার্থী ভোকেশনালে পরীক্ষা দিচ্ছেন। এরমধ্যে কাঁঠালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ৬২৯ জন এবং সুবিদখালী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ৮৪১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে।
আব্দুস সালাম আরিফ/আরএইচ/এমএস